শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে শেখ হাসিনাসহ ৩০ আসামির আত্মসমর্পণে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০১:৫২:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৮২ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের মামলায় পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদসহ ৩০ আসামিকে আগামী ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের বিষয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন।

এদিন গ্রেফতার ১০ আসামিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, দীপু মনি, শামসুল হক টুকু, জিয়াউল আহসান, শাহরিয়ার কবিরসহ অন্যরা। অসুস্থ থাকায় সাংবাদিক ফারজানা রুপাকে আদালতে হাজির করা হয়নি।

ট্রাইব্যুনালে হাজির করা অন্য আসামিরা হলেন- তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, তৎকালীন খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, সাবেক আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ডিআইজি আব্দুল জলিল মণ্ডল এবং ৭১ টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বাবু। এ ছাড়া হাসানুল হক ইনু, শাহরিয়ার কবির ও দীপু মনিকেও হাজির করা হয়।

পলাতক আসামিরা হলেন- ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, তৎকালীন যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন মাহমুদ, গণজাগরণ মঞ্চের আহ্বায়ক ও মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার, সাবেক আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার, সাবেক আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, তৎকালীন র‌্যাব মহাপরিচালক মো. মোখলেছুর রহমান, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, তৎকালীন র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মজিবুর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি শেখ মুহাম্মাদ মারুফ হাসান, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি (এসবি) মাহবুব হোসেন, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি (এসবি) মনিরুল ইসলাম, তৎকালীন ডিএমপির ডিসি (সদর দপ্তর ও প্রশাসন) মো. আনোয়ার হোসেন, তৎকালীন ডিএমপির ডিসি (ট্রাফিক-দক্ষিণ) আশরাফুজ্জামান, তৎকালীন ডিএমপির এডিসি (মতিঝিল জোন) এস এম মেহেদী হাসান, সাবেক ডিআইজি হারুন-অর-রশীদ, সাবেক ডিআইজি বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক ডিআইজি সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম, তৎকালীন ডিএমপির এডিসি (মতিঝিল বিভাগ) মো. আসাদুজ্জামান, অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম শিবলী নোমান এবং তৎকালীন মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিএম ফরমান আলী।

এর আগে গত ১৬ আগস্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় ১১ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার কথা ছিল। তবে দুজনের নামে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট ইস্যু না হওয়া এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা ব্যক্তিদের নন-এক্সিকিউশন রিপোর্ট (এনইআর) না আসায় সময় চায় প্রসিকিউশন। পরে এর পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবারের দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

গত ২৭ জুলাই ৪১ আসামির বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-২। একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি এবং গ্রেপ্তার আসামিদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

এ মামলায় দুটি অভিযোগের মধ্যে প্রথমটিতে ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে ঢাকায় ৩২ জনকে হত্যার ঘটনা আনা হয়। দ্বিতীয় অভিযোগে আনা হয়েছে, ৬ মে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ২০ জনসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের ঘটনা।

চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, শাপলা চত্বর হত্যা মামলায় পলাতক আসামিদের দেশে ফেরাতে ইন্টারপোলের সহায়তা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে গণহত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত শেষ করা হবে।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এ মামলায় ১১ জন আসামি কারাগারে রয়েছেন। আর পলাতক আছেন ৩০ জন। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। ওই পরোয়ানামূলে তাদের নিজ নিজ ঠিকানায় গিয়েও পাওয়া যায়নি। তাই পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে দুটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এসব কার্যক্রমের পরই বিচারকার্য শুরু হবে।

শাপলা চত্বরের মামলা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেখা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা বিচারকার্যে সব মামলাকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকি। তবে শাপলা চত্বর গণহত্যার মামলাটি আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুততার সঙ্গে শেষ করার চেষ্টা করব।

আমিনুল ইসলাম বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে সংঘটিত ঘটনাটিকে আওয়ামী লীগ বলেছিল রং মেখে অভিনয় করেছে। অথচ ৬১ জন আলেম-ওলামাদের নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করেছে তারা। এ বিচার নিয়ে নানাভাবে মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেছে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার। কিন্তু ধর্মপ্রাণ মানুষদের আকাঙ্ক্ষা ছিল শাপলা চত্বরের এ হত্যা মামলাটির যেন বিচার হয়। মানুষের গণদাবিও রয়েছে। আমরা জনগণের এমন দাবির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বিচারটি দ্রুততার সঙ্গে শেষ করব ইনশাল্লাহ।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

প্রতিদিন পুষ্টিকর খাবার পাবে প্রাথমিকের ১ কোটি ১০ লাখ শিশু : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে শেখ হাসিনাসহ ৩০ আসামির আত্মসমর্পণে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ

প্রকাশের সময় : ০১:৫২:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের মামলায় পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদসহ ৩০ আসামিকে আগামী ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের বিষয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন।

এদিন গ্রেফতার ১০ আসামিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, দীপু মনি, শামসুল হক টুকু, জিয়াউল আহসান, শাহরিয়ার কবিরসহ অন্যরা। অসুস্থ থাকায় সাংবাদিক ফারজানা রুপাকে আদালতে হাজির করা হয়নি।

ট্রাইব্যুনালে হাজির করা অন্য আসামিরা হলেন- তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, তৎকালীন খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, সাবেক আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ডিআইজি আব্দুল জলিল মণ্ডল এবং ৭১ টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বাবু। এ ছাড়া হাসানুল হক ইনু, শাহরিয়ার কবির ও দীপু মনিকেও হাজির করা হয়।

পলাতক আসামিরা হলেন- ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, তৎকালীন যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন মাহমুদ, গণজাগরণ মঞ্চের আহ্বায়ক ও মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার, সাবেক আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার, সাবেক আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, তৎকালীন র‌্যাব মহাপরিচালক মো. মোখলেছুর রহমান, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, তৎকালীন র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মজিবুর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি শেখ মুহাম্মাদ মারুফ হাসান, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি (এসবি) মাহবুব হোসেন, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি (এসবি) মনিরুল ইসলাম, তৎকালীন ডিএমপির ডিসি (সদর দপ্তর ও প্রশাসন) মো. আনোয়ার হোসেন, তৎকালীন ডিএমপির ডিসি (ট্রাফিক-দক্ষিণ) আশরাফুজ্জামান, তৎকালীন ডিএমপির এডিসি (মতিঝিল জোন) এস এম মেহেদী হাসান, সাবেক ডিআইজি হারুন-অর-রশীদ, সাবেক ডিআইজি বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক ডিআইজি সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম, তৎকালীন ডিএমপির এডিসি (মতিঝিল বিভাগ) মো. আসাদুজ্জামান, অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম শিবলী নোমান এবং তৎকালীন মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিএম ফরমান আলী।

এর আগে গত ১৬ আগস্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় ১১ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার কথা ছিল। তবে দুজনের নামে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট ইস্যু না হওয়া এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা ব্যক্তিদের নন-এক্সিকিউশন রিপোর্ট (এনইআর) না আসায় সময় চায় প্রসিকিউশন। পরে এর পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবারের দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

গত ২৭ জুলাই ৪১ আসামির বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-২। একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি এবং গ্রেপ্তার আসামিদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

এ মামলায় দুটি অভিযোগের মধ্যে প্রথমটিতে ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে ঢাকায় ৩২ জনকে হত্যার ঘটনা আনা হয়। দ্বিতীয় অভিযোগে আনা হয়েছে, ৬ মে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ২০ জনসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের ঘটনা।

চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, শাপলা চত্বর হত্যা মামলায় পলাতক আসামিদের দেশে ফেরাতে ইন্টারপোলের সহায়তা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশে গণহত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার বিচার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত শেষ করা হবে।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এ মামলায় ১১ জন আসামি কারাগারে রয়েছেন। আর পলাতক আছেন ৩০ জন। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। ওই পরোয়ানামূলে তাদের নিজ নিজ ঠিকানায় গিয়েও পাওয়া যায়নি। তাই পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে দুটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। এসব কার্যক্রমের পরই বিচারকার্য শুরু হবে।

শাপলা চত্বরের মামলা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেখা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা বিচারকার্যে সব মামলাকেই প্রাধান্য দিয়ে থাকি। তবে শাপলা চত্বর গণহত্যার মামলাটি আমরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুততার সঙ্গে শেষ করার চেষ্টা করব।

আমিনুল ইসলাম বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে সংঘটিত ঘটনাটিকে আওয়ামী লীগ বলেছিল রং মেখে অভিনয় করেছে। অথচ ৬১ জন আলেম-ওলামাদের নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করেছে তারা। এ বিচার নিয়ে নানাভাবে মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেছে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার। কিন্তু ধর্মপ্রাণ মানুষদের আকাঙ্ক্ষা ছিল শাপলা চত্বরের এ হত্যা মামলাটির যেন বিচার হয়। মানুষের গণদাবিও রয়েছে। আমরা জনগণের এমন দাবির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে বিচারটি দ্রুততার সঙ্গে শেষ করব ইনশাল্লাহ।