স্থানীয় নির্বাচনে সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি বা ইউএনডিপি সহযোগিতা করতে চায় বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিভেন রড্রিগেস।

সোমবার (৩১ আগস্ট) নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার ও জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিবের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জাতীয় নির্বাচনের মতো স্থানীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে- নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে এমন আশা ব্যক্ত করেন ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিভেন রড্রিগেস। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথাও জানান তিনি।‎

স্টিভেন রড্রিগেস বলেন, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে তাদের অত্যন্ত আন্তরিক ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম সফল ও বৃহৎ একটি নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রথমেই নির্বাচন কমিশনকে অভিনন্দন জানিয়েছি। গত জাতীয় নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এই নির্বাচন দেশের জন্য একটি নতুন মোড় এবং নতুন ভবিষ্যতের পথ প্রশস্ত করেছে।

বৈঠকে ইউএনডিপি ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যকার সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করতে পেরে ইউএনডিপি গর্বিত বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

স্টিভেন রড্রিগেস বলেন, নির্বাচন পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা শতভাগ নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়েছে। তবে ইউএনডিপি, অন্যান্য দাতা সংস্থা এবং জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা যেমন ইউএন উইমেন, ইউএনওডিসি ও ইউনেস্কো নির্বাচন আয়োজনের কাজে সমর্থন দিয়েছে।

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতির বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। নির্বাচন কমিশন কখন এবং কোথায় তাদের সহায়তা চাইবে, সেটি সম্পূর্ণ কমিশনের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে বলে উল্লেখ করেন ইউএনডিপির এই প্রতিনিধি।

তিনি বলেন, এই অংশীদারিত্ব নিয়ে ইউএনডিপি অত্যন্ত গর্বিত। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে উষ্ণ অভ্যর্থনা পাওয়ায় তিনি এবং তার দল কৃতজ্ঞ।

ইউএনডিপির এই প্রতিনিধি বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনগুলোও শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু হবে এবং দেশের সর্বোত্তম স্বার্থ রক্ষা করবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। এক্ষেত্রে শুধু নির্বাচন কমিশন বা সরকার নয়, সুশীল সমাজ ও দেশের প্রতিটি নাগরিকের সহযোগিতাও গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

স্থানীয় নির্বাচনে সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি

প্রকাশের সময় : ০২:২৫:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি বা ইউএনডিপি সহযোগিতা করতে চায় বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিভেন রড্রিগেস।

সোমবার (৩১ আগস্ট) নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার ও জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিবের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জাতীয় নির্বাচনের মতো স্থানীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে- নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে এমন আশা ব্যক্ত করেন ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিভেন রড্রিগেস। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথাও জানান তিনি।‎

স্টিভেন রড্রিগেস বলেন, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে তাদের অত্যন্ত আন্তরিক ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম সফল ও বৃহৎ একটি নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রথমেই নির্বাচন কমিশনকে অভিনন্দন জানিয়েছি। গত জাতীয় নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এই নির্বাচন দেশের জন্য একটি নতুন মোড় এবং নতুন ভবিষ্যতের পথ প্রশস্ত করেছে।

বৈঠকে ইউএনডিপি ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যকার সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করতে পেরে ইউএনডিপি গর্বিত বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

স্টিভেন রড্রিগেস বলেন, নির্বাচন পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা শতভাগ নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়েছে। তবে ইউএনডিপি, অন্যান্য দাতা সংস্থা এবং জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা যেমন ইউএন উইমেন, ইউএনওডিসি ও ইউনেস্কো নির্বাচন আয়োজনের কাজে সমর্থন দিয়েছে।

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতির বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। নির্বাচন কমিশন কখন এবং কোথায় তাদের সহায়তা চাইবে, সেটি সম্পূর্ণ কমিশনের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে বলে উল্লেখ করেন ইউএনডিপির এই প্রতিনিধি।

তিনি বলেন, এই অংশীদারিত্ব নিয়ে ইউএনডিপি অত্যন্ত গর্বিত। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে উষ্ণ অভ্যর্থনা পাওয়ায় তিনি এবং তার দল কৃতজ্ঞ।

ইউএনডিপির এই প্রতিনিধি বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনগুলোও শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠু হবে এবং দেশের সর্বোত্তম স্বার্থ রক্ষা করবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। এক্ষেত্রে শুধু নির্বাচন কমিশন বা সরকার নয়, সুশীল সমাজ ও দেশের প্রতিটি নাগরিকের সহযোগিতাও গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মন্তব্য করেন।