নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. দীপু মনির স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। মারা যাওয়ার সময় তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।
তৌফিক নেওয়াজ স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
দীপু মনির আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গাজী ফয়সাল ইসলাম বলেন, পেশায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ছিলেন তৌফিক নেওয়াজ। দীর্ঘদিন ধরে কিডনি ও লিভারের নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি। কয়েকদিন আগে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে মারা যান তিনি।
তৌফিক নেওয়াজের জানাজা এবং দাফন কোথায় কখন হবে সে বিষয়ে পরিবারের সদস্যরা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি বলেও জানান গাজী ফয়সাল।
চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল হায়দার সংগ্রাম।
তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে বলেন, না ফেরার দেশে চলে গেলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আলহাজ্ব ডা. দীপু মনি আপার স্বামী অ্যাডভোকেট তৌফিক নেওয়াজ। মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করছি। আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুক।
জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একাধিক মামলার আসামি হয়ে বর্তমানে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দি আছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেত্রী ডা. দীপু মনি। স্বামীর মৃত্যুতে তার প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম। তিনি বলেন, বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন জানানো হবে।
এর আগে ২০১৯ সালে স্ট্রোক করেন তৌফিক নেওয়াজ। গত ২৭ মে হুইলচেয়ারে করে কারাবন্দি স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করাতে তাকে আদালতে নিয়ে গিয়েছিলেন স্বজনরা। পেশায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ছিলেন তৌফিক নাওয়াজ।
তিনি ১৯৮০ সালে মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে দ্য নিউ ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক অর্ডার প্রকাশ করেন। ওয়াধাম কলেজ, অক্সফোর্ডে পড়ার সময় তিনি কামাল হোসেনের একজন গবেষণা সহযোগী ছিলেন। ১৯৭৯ থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৯৩ সালে নওয়াজ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের একজন সম্মানিত পরিচালক ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের মানবাধিকার প্রকল্পের সমন্বয়কারী ছিলেন।
তাঁর মৃত্যুতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তাঁরা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক 





















