বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে : রণধীর জয়সওয়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য ভারত সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) নয়াদিল্লিতে আয়োজিত নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

রণধীর জয়সওয়াল বলেন, আমরা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে একটি দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছি। এর পাশাপাশি ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে অংশ নেওয়ার জন্যও ভারতের তরফ থেকে তাঁকে সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এই আমন্ত্রণগুলো ইতিমধ্যে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে নতুন কোনো অগ্রগতি হলে তা পরবর্তী সময়ে জানিয়ে দেওয়া হবে।

একই ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহের বিষয়ে ভারতের মনোভাব তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশে বিদ্যমান জ্বালানিসংকট এবং নতুন করে জ্বালানি সহায়তার অনুরোধ-সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্র জানান, বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহের বিষয়টিকেও ভারত ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে।

রণধীর জয়সওয়াল বলেন, আপনারা জানেন, ডিজেল সরবরাহের জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের একটি চলমান চুক্তি রয়েছে, যা এখনো অব্যাহত আছে। আর আপনারা যে অতিরিক্ত সরবরাহের অনুরোধের কথা বললেন, সেটি ভারতের অভ্যন্তরীণ চাহিদা, নিজেদের শোধন ক্ষমতা এবং দেশে ডিজেলের সার্বিক প্রাপ্যতার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে পর্যালোচনা করা হবে।

একই ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহের বিষয়েও ভারতের অবস্থান তুলে ধরেন রণধীর জয়সওয়াল। বাংলাদেশের চলমান জ্বালানি সংকটের মধ্যে অতিরিক্ত জ্বালানি সহায়তার অনুরোধ করা হয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান ব্যবস্থার আওতায় বাংলাদেশে ডিজেল সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের যে অনুরোধের কথা বলা হয়েছে, সেটি ভারত নিজেদের অভ্যন্তরীণ চাহিদা, শোধনাগারের সক্ষমতা এবং দেশে ডিজেলের সার্বিক প্রাপ্যতা বিবেচনা করে পর্যালোচনা করবে। অর্থাৎ, বিদ্যমান চুক্তি অনুযায়ী সরবরাহ চালু থাকলেও বাংলাদেশ বাড়তি জ্বালানি চাইলে তা ভারতের নিজস্ব সক্ষমতা ও প্রাপ্যতা বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

স্বৈরাচারকে আর কখনও ফেরত আসতে দেওয়া হবে না : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে : রণধীর জয়সওয়াল

প্রকাশের সময় : ০৯:১১:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য ভারত সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) নয়াদিল্লিতে আয়োজিত নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

রণধীর জয়সওয়াল বলেন, আমরা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে একটি দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছি। এর পাশাপাশি ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে অংশ নেওয়ার জন্যও ভারতের তরফ থেকে তাঁকে সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এই আমন্ত্রণগুলো ইতিমধ্যে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে নতুন কোনো অগ্রগতি হলে তা পরবর্তী সময়ে জানিয়ে দেওয়া হবে।

একই ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহের বিষয়ে ভারতের মনোভাব তুলে ধরা হয়। বাংলাদেশে বিদ্যমান জ্বালানিসংকট এবং নতুন করে জ্বালানি সহায়তার অনুরোধ-সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্র জানান, বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহের বিষয়টিকেও ভারত ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে।

রণধীর জয়সওয়াল বলেন, আপনারা জানেন, ডিজেল সরবরাহের জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের একটি চলমান চুক্তি রয়েছে, যা এখনো অব্যাহত আছে। আর আপনারা যে অতিরিক্ত সরবরাহের অনুরোধের কথা বললেন, সেটি ভারতের অভ্যন্তরীণ চাহিদা, নিজেদের শোধন ক্ষমতা এবং দেশে ডিজেলের সার্বিক প্রাপ্যতার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে পর্যালোচনা করা হবে।

একই ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহের বিষয়েও ভারতের অবস্থান তুলে ধরেন রণধীর জয়সওয়াল। বাংলাদেশের চলমান জ্বালানি সংকটের মধ্যে অতিরিক্ত জ্বালানি সহায়তার অনুরোধ করা হয়েছে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান ব্যবস্থার আওতায় বাংলাদেশে ডিজেল সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের যে অনুরোধের কথা বলা হয়েছে, সেটি ভারত নিজেদের অভ্যন্তরীণ চাহিদা, শোধনাগারের সক্ষমতা এবং দেশে ডিজেলের সার্বিক প্রাপ্যতা বিবেচনা করে পর্যালোচনা করবে। অর্থাৎ, বিদ্যমান চুক্তি অনুযায়ী সরবরাহ চালু থাকলেও বাংলাদেশ বাড়তি জ্বালানি চাইলে তা ভারতের নিজস্ব সক্ষমতা ও প্রাপ্যতা বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।