হাম উপসর্গে আরো ৩ শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে দেশজুড়ে ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়াও গত একদিনে নতুন করে আরও ৯০৪ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ দেখা গেছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এ নিয়ে গত ১৩৫ দিনে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৮২৮ শিশু মারা গেছে। তাদের মধ্যে উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৭৩৩ শিশুর। নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৫ জন।

সংস্থাটির তথ্যমতে, ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে মারা যাওয়া ৩ জনের মধ্যে ২ জন চট্টগ্রাম ও ১ জন রাজশাহীর বাসিন্দা। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়েছে ৭৯৯ শিশু। এ ছাড়া নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ১০৫ জন। এই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭৮৭ জন, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৭৬৮ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৪৪, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৫ হাজার ৬৬০। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৮ হাজার ৪৪১ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৪ হাজার ২৩৫ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

১৬ ডিসেম্বর তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনের প্রস্তুতি চলছে : বিমানমন্ত্রী

হাম উপসর্গে আরো ৩ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশের সময় : ০৬:২৫:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে দেশজুড়ে ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়াও গত একদিনে নতুন করে আরও ৯০৪ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ দেখা গেছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এ নিয়ে গত ১৩৫ দিনে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৮২৮ শিশু মারা গেছে। তাদের মধ্যে উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৭৩৩ শিশুর। নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৫ জন।

সংস্থাটির তথ্যমতে, ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে মারা যাওয়া ৩ জনের মধ্যে ২ জন চট্টগ্রাম ও ১ জন রাজশাহীর বাসিন্দা। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়েছে ৭৯৯ শিশু। এ ছাড়া নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ১০৫ জন। এই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭৮৭ জন, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৭৬৮ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৪৪, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৫ হাজার ৬৬০। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৮ হাজার ৪৪১ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৪ হাজার ২৩৫ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।