এলপি গ্যাসের দাম কমলো

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি এলপিজির দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। জুন ২০২৬ মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৮৮৫ টাকা, যা মে মাসের নির্ধারিত মূল্য ১ হাজার ৯৪০ টাকার তুলনায় ৫৫ টাকা কম।

মঙ্গলবার (২ জুন) বিইআরসি এক বিজ্ঞপ্তিতে সৌদি আরামকোর জুন মাসের সিপি (কনট্রাক্ট প্রাইস) অনুযায়ী এলপিজির নতুন মূল্য ঘোষণা করে। নতুন এ মূল্য মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকেই কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জুন মাসের জন্য সৌদি আরামকো ঘোষিত প্রোপেন ও বিউটেনের গড় সিপি প্রতি মেট্রিক টন ৭৯৯ মার্কিন ডলার, জাহাজভাড়া ও ট্রেডারের প্রিমিয়াম ২০০ মার্কিন ডলার এবং প্রতি ডলারের গড় বিনিময় হার ১২২ টাকা ৮১ পয়সা বিবেচনায় নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, বেসরকারি এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ের দাম প্রতি কেজি ১৫৭ টাকা ৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে সরবরাহকৃত এলপিজির দাম প্রতি কেজি ১৫৩ টাকা ৩১ পয়সা এবং অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটার ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে সরকারি এলপিজির দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। সরকারি এলপিজির ১২ দশমিক ৫০ কেজি সিলিন্ডারের মূল্য আগের মতোই ৭৭৬ টাকা ৯৩ পয়সা থাকবে।

বিইআরসি জানিয়েছে, কমিশন নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে কোনো পর্যায়ে এলপিজি বা অটোগ্যাস বিক্রি করা যাবে না। নতুন মূল্য সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য কমিশনের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

এর আগে গত মে মাসে দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছিল এলপি গ্যাসের দাম। তবে এপ্রিলে দুইবার সমন্বয় করা হয় এলপি গ্যাসের দাম। ২ এপ্রিল ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৭২৮ টাকা। এরপর গত ১৯ এপ্রিল ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৯৪০ টাকা নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত।

এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। আমদানিকারক কোম্পানির চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের দাম হিসাব করে বিইআরসি।

আবহাওয়া

এলপি গ্যাসের দাম কমলো

প্রকাশের সময় : ০৫:৪৫:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি এলপিজির দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। জুন ২০২৬ মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৮৮৫ টাকা, যা মে মাসের নির্ধারিত মূল্য ১ হাজার ৯৪০ টাকার তুলনায় ৫৫ টাকা কম।

মঙ্গলবার (২ জুন) বিইআরসি এক বিজ্ঞপ্তিতে সৌদি আরামকোর জুন মাসের সিপি (কনট্রাক্ট প্রাইস) অনুযায়ী এলপিজির নতুন মূল্য ঘোষণা করে। নতুন এ মূল্য মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকেই কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জুন মাসের জন্য সৌদি আরামকো ঘোষিত প্রোপেন ও বিউটেনের গড় সিপি প্রতি মেট্রিক টন ৭৯৯ মার্কিন ডলার, জাহাজভাড়া ও ট্রেডারের প্রিমিয়াম ২০০ মার্কিন ডলার এবং প্রতি ডলারের গড় বিনিময় হার ১২২ টাকা ৮১ পয়সা বিবেচনায় নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, বেসরকারি এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ের দাম প্রতি কেজি ১৫৭ টাকা ৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে সরবরাহকৃত এলপিজির দাম প্রতি কেজি ১৫৩ টাকা ৩১ পয়সা এবং অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটার ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে সরকারি এলপিজির দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। সরকারি এলপিজির ১২ দশমিক ৫০ কেজি সিলিন্ডারের মূল্য আগের মতোই ৭৭৬ টাকা ৯৩ পয়সা থাকবে।

বিইআরসি জানিয়েছে, কমিশন নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে কোনো পর্যায়ে এলপিজি বা অটোগ্যাস বিক্রি করা যাবে না। নতুন মূল্য সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য কমিশনের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

এর আগে গত মে মাসে দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছিল এলপি গ্যাসের দাম। তবে এপ্রিলে দুইবার সমন্বয় করা হয় এলপি গ্যাসের দাম। ২ এপ্রিল ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৭২৮ টাকা। এরপর গত ১৯ এপ্রিল ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৯৪০ টাকা নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়। প্রতি মাসে এলপিজির এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত।

এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। আমদানিকারক কোম্পানির চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের দাম হিসাব করে বিইআরসি।