Dhaka বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাবির সাবেক উপাচার্য ফারজানা ও স্বামীর আয়কর নথি জব্দের আদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

‘নিয়োগ বাণিজ্যের’ অভিযোগে তদন্তের মুখে থাকা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ফারজানা ইসলাম ও তার স্বামী আকতার হোসেনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিন দুদকের পক্ষে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম অভিযোগসংশ্লিষ্ট ফারজানা ইসলামের আয়কর নথি জব্দ চেয়ে আবেদন করেন।

জানা গেছে, দুদকের সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম আদালতে আবেদন করে ফারজানা ইসলাম ও তার স্বামী মো. আখতার হোসেনের আয়কর সংক্রান্ত নথি জব্দের অনুমতি চান।

আবেদনে বলা হয়, ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে স্বামী, সন্তান ও তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধানের জন্য একজন অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তাও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

দুদক আরও উল্লেখ করে, ফারজানা ইসলাম ও তার স্বামী দুজনই আয়করদাতা এবং তাদের নামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ গোপনের আশঙ্কা রয়েছে। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের আয়কর নথির স্থায়ী ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট সব তথ্য ও রেকর্ডের সত্যায়িত অনুলিপি সংগ্রহ এবং প্রয়োজন হলে জব্দ করা জরুরি।

এসব বিবেচনায় আদালত আয়কর নথি জব্দের আবেদন মঞ্জুর করেন।

আবহাওয়া

ছেলের কবরের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়লেন সেলিনা জেটলি

জাবির সাবেক উপাচার্য ফারজানা ও স্বামীর আয়কর নথি জব্দের আদেশ

প্রকাশের সময় : ০৩:৩১:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

‘নিয়োগ বাণিজ্যের’ অভিযোগে তদন্তের মুখে থাকা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ফারজানা ইসলাম ও তার স্বামী আকতার হোসেনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিন দুদকের পক্ষে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম অভিযোগসংশ্লিষ্ট ফারজানা ইসলামের আয়কর নথি জব্দ চেয়ে আবেদন করেন।

জানা গেছে, দুদকের সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম আদালতে আবেদন করে ফারজানা ইসলাম ও তার স্বামী মো. আখতার হোসেনের আয়কর সংক্রান্ত নথি জব্দের অনুমতি চান।

আবেদনে বলা হয়, ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে স্বামী, সন্তান ও তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধানের জন্য একজন অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তাও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

দুদক আরও উল্লেখ করে, ফারজানা ইসলাম ও তার স্বামী দুজনই আয়করদাতা এবং তাদের নামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ গোপনের আশঙ্কা রয়েছে। সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের আয়কর নথির স্থায়ী ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট সব তথ্য ও রেকর্ডের সত্যায়িত অনুলিপি সংগ্রহ এবং প্রয়োজন হলে জব্দ করা জরুরি।

এসব বিবেচনায় আদালত আয়কর নথি জব্দের আবেদন মঞ্জুর করেন।