Dhaka বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সশস্ত্র বাহিনী যে উদ্দেশ্যে গঠিত হয়, সেটাই পূরণ করতে চাই : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

যেকোনো দেশে সশস্ত্র বাহিনী যে কারণে গঠিত হয়, দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করার মাধ্যমে সেই আসল উদ্দেশ্যই পূরণ করতে চান বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে আগারগাঁওয়ের পুরাতন বিমানবন্দরের জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপকালে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি সশস্ত্র বাহিনীর ফ্যামিলির সন্তান। আমাদের দায়িত্ব রয়েছে যারা দায়িত্বে আছেন তাদের প্রতি। এ সশস্ত্র বাহিনীকে আমরা আরও শক্তিশালী করতে চাই। যেকোনো দেশে সশস্ত্র বাহিনী যে কারণে গঠিত হয়, আমরা সেই উদ্দেশ্যই পূর্ণ করতে চাই এবং আমরা যেন সকলে দেশের জন্য কাজ করতে পারি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. একেএম শামছুল ইসলাম, পিএসসি. জি, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন ও প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সালাম গ্রহণ করেন।

এর আগে, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সকালে রাজধানীর পুরাতন বিমানবন্দরের জাতীয় প্যারেড স্কয়ারের কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এদিন সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটের দিকে তিনি প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং তিন বাহিনীর প্রধানরা তাকে স্বাগত জানান।

দীর্ঘ দেড়যুগ পর আবারও ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে ফিরেছে ঐতিহ্যবাহী কুচকাওয়াজ। এদিন জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর অংশগ্রহণে স্থল ও আকাশে প্রদর্শিত হয় দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা। প্যারেডে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনীর পাশাপাশি বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন। ঘোড়ায় চড়ে প্যারেড কমান্ডারের প্রবেশের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মূল কুচকাওয়াজ।

এবারের কুচকাওয়াজে সাজোয়া, আর্টিলারি, সিগনালস, ইস্ট বেঙ্গল, এয়ার ডিফেন্স, সার্ভিসেস, প্যারা কমান্ডো, নৌবাহিনী ও আধুনিকায়িত ইনফ্যান্ট্রি কন্টিনজেন্ট অংশগ্রহণ করে। পাশাপাশি আকাশপথে প্যারাট্রুপাররা জাতীয় পতাকা নিয়ে অবতরণ করেন। সেই সঙ্গে বিমান বাহিনী বিভিন্ন কৌশলগত প্রদর্শনী তুলে ধরে।

আবহাওয়া

৫৫ বছরে দেশের মানুষ স্বাধীনতার প্রকৃত স্বাদ পায়নি : চরমোনাই পীর

সশস্ত্র বাহিনী যে উদ্দেশ্যে গঠিত হয়, সেটাই পূরণ করতে চাই : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৭:০০:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

যেকোনো দেশে সশস্ত্র বাহিনী যে কারণে গঠিত হয়, দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করার মাধ্যমে সেই আসল উদ্দেশ্যই পূরণ করতে চান বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে আগারগাঁওয়ের পুরাতন বিমানবন্দরের জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপকালে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি সশস্ত্র বাহিনীর ফ্যামিলির সন্তান। আমাদের দায়িত্ব রয়েছে যারা দায়িত্বে আছেন তাদের প্রতি। এ সশস্ত্র বাহিনীকে আমরা আরও শক্তিশালী করতে চাই। যেকোনো দেশে সশস্ত্র বাহিনী যে কারণে গঠিত হয়, আমরা সেই উদ্দেশ্যই পূর্ণ করতে চাই এবং আমরা যেন সকলে দেশের জন্য কাজ করতে পারি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. একেএম শামছুল ইসলাম, পিএসসি. জি, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন ও প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সালাম গ্রহণ করেন।

এর আগে, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সকালে রাজধানীর পুরাতন বিমানবন্দরের জাতীয় প্যারেড স্কয়ারের কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এদিন সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটের দিকে তিনি প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং তিন বাহিনীর প্রধানরা তাকে স্বাগত জানান।

দীর্ঘ দেড়যুগ পর আবারও ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে ফিরেছে ঐতিহ্যবাহী কুচকাওয়াজ। এদিন জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর অংশগ্রহণে স্থল ও আকাশে প্রদর্শিত হয় দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা। প্যারেডে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনীর পাশাপাশি বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন। ঘোড়ায় চড়ে প্যারেড কমান্ডারের প্রবেশের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মূল কুচকাওয়াজ।

এবারের কুচকাওয়াজে সাজোয়া, আর্টিলারি, সিগনালস, ইস্ট বেঙ্গল, এয়ার ডিফেন্স, সার্ভিসেস, প্যারা কমান্ডো, নৌবাহিনী ও আধুনিকায়িত ইনফ্যান্ট্রি কন্টিনজেন্ট অংশগ্রহণ করে। পাশাপাশি আকাশপথে প্যারাট্রুপাররা জাতীয় পতাকা নিয়ে অবতরণ করেন। সেই সঙ্গে বিমান বাহিনী বিভিন্ন কৌশলগত প্রদর্শনী তুলে ধরে।