Dhaka শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভয়াবহ ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০৪:৪২:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৭৭ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভয়াবহ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ৫৪ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের (ইএমএসসি) তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৪।

সংস্থাটি জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল খুলনা জেলা শহর থেকে ৪৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং সাতক্ষীরা থেকে ১৮ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে। এর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৫ কিলোমিটার।

রাজধানী ঢাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা এবং পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের কিছু এলাকাতেও (যেমন বারাসাত) এই ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে এই ভূমিকম্পে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

গত বছরের ২১ নভেম্বর দেশে তীব্র ঝাঁকুনি অনুভূত হয়। তখন হতাহতসহ ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছিল। এরপর থেকে ঘনঘন কেঁপে উঠছে দেশ। বিশেষজ্ঞরা এটাকে বড় দুর্যোগের পূর্বাভাস হিসেবে সতর্ক করেছেন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার শহর তাকি থেকে ২৬ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে। এর গভীরতা ছিল ৯ দশমিক ৮ কিলোমিটার।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ রোবায়েত কবীর আজকের পত্রিকাকে জানিয়েছেন, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল খুলনার দিকে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের বার্তায় বলা হয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল বাংলাদেশেই, সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নে। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৪। বেলা ১টা ৫২ মিনিট ২৯ সেকেন্ডে সৃষ্ট এই ভূমিকম্পের অবস্থান ছিল আগারগাঁও ভূমিকম্প পরিমাপ কেন্দ্র থেকে ১৮৮ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

বন্ধ করে দেওয়া বিমানবন্দরগুলো আগে চালু করা হবে : বিমান প্রতিমন্ত্রী

ভয়াবহ ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ

প্রকাশের সময় : ০৪:৪২:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভয়াবহ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ৫৪ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের (ইএমএসসি) তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৪।

সংস্থাটি জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল খুলনা জেলা শহর থেকে ৪৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং সাতক্ষীরা থেকে ১৮ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে। এর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৫ কিলোমিটার।

রাজধানী ঢাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা এবং পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের কিছু এলাকাতেও (যেমন বারাসাত) এই ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে এই ভূমিকম্পে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

গত বছরের ২১ নভেম্বর দেশে তীব্র ঝাঁকুনি অনুভূত হয়। তখন হতাহতসহ ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছিল। এরপর থেকে ঘনঘন কেঁপে উঠছে দেশ। বিশেষজ্ঞরা এটাকে বড় দুর্যোগের পূর্বাভাস হিসেবে সতর্ক করেছেন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার শহর তাকি থেকে ২৬ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে। এর গভীরতা ছিল ৯ দশমিক ৮ কিলোমিটার।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ রোবায়েত কবীর আজকের পত্রিকাকে জানিয়েছেন, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল খুলনার দিকে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের বার্তায় বলা হয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল বাংলাদেশেই, সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নে। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৪। বেলা ১টা ৫২ মিনিট ২৯ সেকেন্ডে সৃষ্ট এই ভূমিকম্পের অবস্থান ছিল আগারগাঁও ভূমিকম্প পরিমাপ কেন্দ্র থেকে ১৮৮ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে।