নিজস্ব প্রতিবেদক :
অ্যাননটেক্স গ্রুপের নামে প্রায় ৫৩১ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমানসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।
গত ১৫ জানুয়ারি ঢাকার মহানগর সিনিয়র বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন দুদকের কৌঁসুলি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, অভিযোগপত্রভুক্ত ২৬ আসামির মধ্যে জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ড. আবুল বারকাত গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। অপর ২৫ আসামি পলাতক রয়েছে। পলাতক থাকায় আদালত ২৫ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। আসামিদের গ্রেপ্তার করা গেল কি না, সেই সংক্রান্ত প্রতিবেদন আগামী ৪ মার্চ দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পরোয়ানাভুক্ত অন্যরা হলেন- বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান, সাবেক সহকারী পরিচালক মোছাম্মৎ ইসমত আরা বেগম, জনতা ব্যাংকের সাবেক পরিচালক জামাল উদ্দিন আহমেদ, মো. ইমদাদুল হক, নাগিবুল ইসলাম দীপু, আর এম দেবনাথ, মো. আবু নাসের, সঙ্গীতা আহমেদ ও অধ্যাপক নিতাই চন্দ্র নাথ, জনতা ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আবদুছ ছালাম আজাদ, সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক আজমুল হক, সাবেক এ জি এম অজয় কুমার ঘোষ, সাবেক ব্যবস্থাপক (শিল্প ঋণ-১) মো. গোলাম আজম, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহজাহান, এসইও মো. এমদাদুল হক, সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক মো. আবদুল জব্বার, সাবেক ডিএমডি মো. গোলাম ফারুক ও ওমর ফারুক, অ্যাননটেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. ইউনুছ বাদল, সুপ্রভ স্পিনিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন ও পরিচালক মো. আবু তালহা।
গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি আবুল বারকাতসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে অ্যাননটেক্স গ্রুপের নামে ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করেন দুদকের উপপরিচালক নাজমুল হুসাইন।
মামলার নথি অনুযায়ী, আতিউর রহমান ও আবুল বারকাতের যোগসাজশে অ্যাননটেক্স গ্রুপের ২২টি প্রতিষ্ঠানকে এ ঋণ দেওয়া হয়েছিল।
গত বছরের ২০ অক্টোবর আবুল বারকাতসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা ও জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা রেকর্ড তৈরি করে জনতা ব্যাংক থেকে প্রায় ৫৩১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন, যা সুদ-আসলে প্রায় ১ হাজার ১৩০ কোটি ১৯ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 





















