সাইবার সুরক্ষা আইনে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের সুযোগ থাকবে না : তথ্যমন্ত্রী

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০৪:০৫:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৮২ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

সাইবার সুরক্ষা আইন এমনভাবে প্রণয়ন করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে এটি ব্যবহার করে গণমাধ্যম বা কারও কণ্ঠরোধ করার সুযোগ না থাকে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ এর খসড়া পর্যালোচনা জন্য প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদেও তিনি এসব কথা বলেন।

আন্দালিব রহমান জানান, সাইবার সুরক্ষা আইন নিয়ে এখনো খসড়া প্রণয়ন ও আলোচনা চলছে। কিছু শব্দের দ্বৈত অর্থ হতে পারে। তাই কোনো শব্দ বা ধারার ব্যাখ্যার সুযোগ নিয়ে ভবিষ্যতে যাতে আইনটির অপব্যবহার না হয়, সে বিষয়ে তারা সতর্কভাবে কাজ করছেন।

মন্ত্রী বলেন, আমরা গত ১৭-২০ বছরে দেখেছি, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ কিছু আইন সংবাদমাধ্যম বা সংবাদপত্রকে দমিয়ে রাখা কিংবা তাদের ভয় দেখানোর জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। কোনো আইন কোনো একটি উদ্দেশ্যের জন্য তৈরি হয়ে অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হোক আমরা তা চাই না।

আইনটির খসড়া নিয়ে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

তথ্যমন্ত্রী জানান, পরবর্তী পর্যায়েও তাদের সঙ্গে কথা বলা হবে। আইনের কোনো শব্দ বা ধারার ব্যাখ্যার কারণে যেন গণমাধ্যম বা অন্য কারও ওপর নিপীড়ন কিংবা অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি না হয়, সেটিই তাদের অন্যতম লক্ষ্য।

আন্দালিভ রহমান বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জননৈতিকতা নষ্ট করে এমন কর্মকাণ্ড বন্ধ করা এবং অনলাইন পরিবেশকে নিরাপদ রাখা তাদের অন্যতম লক্ষ্য। বিশেষ করে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নামে গালিগালাজ ও অশালীন ভাষার ব্যবহার বেড়েছে। এসব বিষয় কীভাবে আইনের আওতায় আনা যায়, একইসঙ্গে মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতাও কীভাবে সুরক্ষিত রাখা যায় তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

তিনি বলেন, আমরা কীভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জননৈতিকতা নষ্ট করে এমন বিষয়গুলো আইনের মধ্যে আনতে পারি, একই সময়ে কীভাবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে সম্মান করতে পারি দুটির মধ্যে যেন কোনো সংঘাত না হয়, সেটাই আমরা বারবার আলোচনা করছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা আশ্বস্ত করার চেষ্টা করছি, কোনোভাবেই এই আইন কারও কণ্ঠ রোধ বা নিপীড়নের জন্য তৈরি করা হচ্ছে না। অতীতে আমরা যে বিষয়গুলো দেখেছি, সেগুলোর পুনরাবৃত্তি যাতে না হয়, সে বিষয়টি মাথায় রেখেই এখনো খসড়া প্রণয়ন ও আলোচনা চলছে।

আইনের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো কনটেন্ট পেলেই যাচাই না করে শেয়ার করে দেওয়া, মানহানিকর বক্তব্য প্রচার বা পুনরায় প্রচারের মতো বিষয়গুলো নিয়েও মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, যেকোনো কনটেন্ট পেলেই শেয়ার করে দেওয়া, কোনো মানহানিকর বক্তব্য বা মানহানির বিষয় পুনরায় প্রচার করাও যে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে এসব বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে হবে।

আইনের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা তৈরির জন্য একটি কর্মসূচি নেওয়া হবে। সেখানে সংবাদমাধ্যমসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী।

তিনি জানান, আইনটি এমনভাবে প্রণয়ন করাই লক্ষ্য, যাতে ভবিষ্যতে এর অপব্যবহারের কোনো সুযোগ না থাকে এবং একইসঙ্গে মানুষের সম্মানহানি বা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কাও তৈরি না হয়।

এ সময় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, মূলত সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে আমাদের একটা মিটিং ছিল আজ, সকাল ১০টা থেকে। সেখানে আমাদের পাঁচটা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মহোদয়সহ আমাদের সাংবাদিক ভাইয়েরা ছিলেন। সবার সঙ্গে ডিসকাশন হয়েছে। বাট, আমরা এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেইনি। শুধু আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্টে স্পেশালি আমরা এই কনটেন্টগুলো নিয়ে বেশি ওরিড। এই যে মেটা বলেন বা টিকটক বলেন বা আপনার ইউটিউব বলেন, এখানে যে ব্যক্তির চরিত্র হনন হচ্ছে, এটি নিয়ে বেশি উদ্বিগ্ন। আপনারা এরই মধ্যে অনেক কিছু দেখেছেন।

ফকির মাহবুব আনাম বলেন, আমাদের মেইন সাবজেক্ট কিন্তু ওইটাই যে কী করে এই কনটেন্টগুলো বন্ধ করা যায়। আপনারা এরই মধ্যে দেখেছেন সব কনটেন্ট নিয়ে নানা রকমের কথাবার্তা হচ্ছে। আবার এমনও হচ্ছে যে কনটেন্ট দেখে অনেকেরই পারিবারিক অশান্তি হচ্ছে। আবার অনেক পরিবারে সুইসাইডাল আমরা শুনতে পাচ্ছি। তো এই ব্যাপারে কিন্তু আমরা খুব সিরিয়াস, এই কনটেন্টগুরো নিয়ে। কিন্তু প্রিন্টিং মিডিয়ার সঙ্গে আমাদের কোনো এখানে দেয়ার ইজ এ ডিফারেন্স। প্রিন্টিং মিডিয়া ইজ ডিফারেন্স, আবার সাইবার সিকিউরিটি ইজ ডিফারেন্স। সুতরাং আমরা সাইবার সিকিউরিটির আপনার ওটাকে নিয়ে কথা বলছি এবং কী করে এই যে সিরিয়াস কনটেন্টগুলো, যেসব কনটেন্ট আমাদের ক্ষতি করছে, আমাদের সামাজিক ক্ষতি করছে, এটার ওপরে আমরা কথা বলেছি।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বলেন, তবে আমরা আরেকটা মিটিং দিয়েছি, আজ শেষ হয়নি। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় আবার মিটিং দিয়েছি আমরা। এখানে ফার্দার ডিসকাশন করতে হবে। কারণ আমাদের ডিসকাস করা উচিত। কারণ একটা আইন করার আগেই আপনাদের সবার মতামত নিয়েই যেন একটা ভালো আইন করতে পারি, সেটাকে মাথায় রেখেই আমরা কাজ করছি।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

পৃথিবীর কোনো জ্যোতিষ ভাবেনি আ.লীগ পালাইয়া বিদায় নিবে : ধর্মমন্ত্রী

সাইবার সুরক্ষা আইনে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের সুযোগ থাকবে না : তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৪:০৫:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

সাইবার সুরক্ষা আইন এমনভাবে প্রণয়ন করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে এটি ব্যবহার করে গণমাধ্যম বা কারও কণ্ঠরোধ করার সুযোগ না থাকে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ এর খসড়া পর্যালোচনা জন্য প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদেও তিনি এসব কথা বলেন।

আন্দালিব রহমান জানান, সাইবার সুরক্ষা আইন নিয়ে এখনো খসড়া প্রণয়ন ও আলোচনা চলছে। কিছু শব্দের দ্বৈত অর্থ হতে পারে। তাই কোনো শব্দ বা ধারার ব্যাখ্যার সুযোগ নিয়ে ভবিষ্যতে যাতে আইনটির অপব্যবহার না হয়, সে বিষয়ে তারা সতর্কভাবে কাজ করছেন।

মন্ত্রী বলেন, আমরা গত ১৭-২০ বছরে দেখেছি, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ কিছু আইন সংবাদমাধ্যম বা সংবাদপত্রকে দমিয়ে রাখা কিংবা তাদের ভয় দেখানোর জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। কোনো আইন কোনো একটি উদ্দেশ্যের জন্য তৈরি হয়ে অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হোক আমরা তা চাই না।

আইনটির খসড়া নিয়ে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

তথ্যমন্ত্রী জানান, পরবর্তী পর্যায়েও তাদের সঙ্গে কথা বলা হবে। আইনের কোনো শব্দ বা ধারার ব্যাখ্যার কারণে যেন গণমাধ্যম বা অন্য কারও ওপর নিপীড়ন কিংবা অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি না হয়, সেটিই তাদের অন্যতম লক্ষ্য।

আন্দালিভ রহমান বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জননৈতিকতা নষ্ট করে এমন কর্মকাণ্ড বন্ধ করা এবং অনলাইন পরিবেশকে নিরাপদ রাখা তাদের অন্যতম লক্ষ্য। বিশেষ করে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নামে গালিগালাজ ও অশালীন ভাষার ব্যবহার বেড়েছে। এসব বিষয় কীভাবে আইনের আওতায় আনা যায়, একইসঙ্গে মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতাও কীভাবে সুরক্ষিত রাখা যায় তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

তিনি বলেন, আমরা কীভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জননৈতিকতা নষ্ট করে এমন বিষয়গুলো আইনের মধ্যে আনতে পারি, একই সময়ে কীভাবে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে সম্মান করতে পারি দুটির মধ্যে যেন কোনো সংঘাত না হয়, সেটাই আমরা বারবার আলোচনা করছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা আশ্বস্ত করার চেষ্টা করছি, কোনোভাবেই এই আইন কারও কণ্ঠ রোধ বা নিপীড়নের জন্য তৈরি করা হচ্ছে না। অতীতে আমরা যে বিষয়গুলো দেখেছি, সেগুলোর পুনরাবৃত্তি যাতে না হয়, সে বিষয়টি মাথায় রেখেই এখনো খসড়া প্রণয়ন ও আলোচনা চলছে।

আইনের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে জানিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো কনটেন্ট পেলেই যাচাই না করে শেয়ার করে দেওয়া, মানহানিকর বক্তব্য প্রচার বা পুনরায় প্রচারের মতো বিষয়গুলো নিয়েও মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, যেকোনো কনটেন্ট পেলেই শেয়ার করে দেওয়া, কোনো মানহানিকর বক্তব্য বা মানহানির বিষয় পুনরায় প্রচার করাও যে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে এসব বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে হবে।

আইনের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা তৈরির জন্য একটি কর্মসূচি নেওয়া হবে। সেখানে সংবাদমাধ্যমসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী।

তিনি জানান, আইনটি এমনভাবে প্রণয়ন করাই লক্ষ্য, যাতে ভবিষ্যতে এর অপব্যবহারের কোনো সুযোগ না থাকে এবং একইসঙ্গে মানুষের সম্মানহানি বা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কাও তৈরি না হয়।

এ সময় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, মূলত সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে আমাদের একটা মিটিং ছিল আজ, সকাল ১০টা থেকে। সেখানে আমাদের পাঁচটা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মহোদয়সহ আমাদের সাংবাদিক ভাইয়েরা ছিলেন। সবার সঙ্গে ডিসকাশন হয়েছে। বাট, আমরা এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেইনি। শুধু আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্টে স্পেশালি আমরা এই কনটেন্টগুলো নিয়ে বেশি ওরিড। এই যে মেটা বলেন বা টিকটক বলেন বা আপনার ইউটিউব বলেন, এখানে যে ব্যক্তির চরিত্র হনন হচ্ছে, এটি নিয়ে বেশি উদ্বিগ্ন। আপনারা এরই মধ্যে অনেক কিছু দেখেছেন।

ফকির মাহবুব আনাম বলেন, আমাদের মেইন সাবজেক্ট কিন্তু ওইটাই যে কী করে এই কনটেন্টগুলো বন্ধ করা যায়। আপনারা এরই মধ্যে দেখেছেন সব কনটেন্ট নিয়ে নানা রকমের কথাবার্তা হচ্ছে। আবার এমনও হচ্ছে যে কনটেন্ট দেখে অনেকেরই পারিবারিক অশান্তি হচ্ছে। আবার অনেক পরিবারে সুইসাইডাল আমরা শুনতে পাচ্ছি। তো এই ব্যাপারে কিন্তু আমরা খুব সিরিয়াস, এই কনটেন্টগুরো নিয়ে। কিন্তু প্রিন্টিং মিডিয়ার সঙ্গে আমাদের কোনো এখানে দেয়ার ইজ এ ডিফারেন্স। প্রিন্টিং মিডিয়া ইজ ডিফারেন্স, আবার সাইবার সিকিউরিটি ইজ ডিফারেন্স। সুতরাং আমরা সাইবার সিকিউরিটির আপনার ওটাকে নিয়ে কথা বলছি এবং কী করে এই যে সিরিয়াস কনটেন্টগুলো, যেসব কনটেন্ট আমাদের ক্ষতি করছে, আমাদের সামাজিক ক্ষতি করছে, এটার ওপরে আমরা কথা বলেছি।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বলেন, তবে আমরা আরেকটা মিটিং দিয়েছি, আজ শেষ হয়নি। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টায় আবার মিটিং দিয়েছি আমরা। এখানে ফার্দার ডিসকাশন করতে হবে। কারণ আমাদের ডিসকাস করা উচিত। কারণ একটা আইন করার আগেই আপনাদের সবার মতামত নিয়েই যেন একটা ভালো আইন করতে পারি, সেটাকে মাথায় রেখেই আমরা কাজ করছি।