Dhaka বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শৈলকুপায় সড়কের পাশে প্রসব, প্রবাসীর স্ত্রীর হাতে নবজাতককে তুলে দিয়ে উধাও মা

  • প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : ০২:০৫:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৪২ জন দেখেছেন

ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি :

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় সন্তান জন্ম দেওয়ার পর নবজাতককে এক প্রবাসীর স্ত্রীর হাতে তুলে দিয়ে উধাও হয়েছেন এক নারী। এ নিয়ে এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার গাড়াগঞ্জ পুরাতন বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শিশুটিকে বর্তমানে মালয়েশিয়াপ্রবাসী ফজলুর করিমের স্ত্রী আনোয়ারা খাতুন দেখাশোনা করছেন।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) রাতে শিশুটিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সুস্থ থাকায় আনোয়ারার কাছেই হস্তান্তর করা হয়।

আনোয়ারা খাতুন বলেন, আনুমানিক ৩০ বছর বয়সী ওই নারীর প্রসবব্যথা উঠলে সড়কের পাশেই ছেলে শিশুটির জন্ম হয়। জানতে পেরে তিনি মা ও নবজাতককে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন। কিন্তু শিশুটির মা নিজের নাম-পরিচয় বা ঠিকানা কিছুই বলেননি ও পরিবারের কারো সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেননি। শিশুটিকে নিজের সন্তানের মতো করে আমি লালন-পালন করতে চাই।

শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. ফারিয়া তন্নি বলেন, শিশুটির ওজন ২ কেজি ৮০০ গ্রাম হয়েছে। সে এখন সুস্থ আছে।

শৈলকুপা থানার ওসি মাসুম খান বলেন, ওই নারীর খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়াও বিষয়টি উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে অবগত করা হয়েছে।

আবহাওয়া

শৈলকুপায় সড়কের পাশে প্রসব, প্রবাসীর স্ত্রীর হাতে নবজাতককে তুলে দিয়ে উধাও মা

প্রকাশের সময় : ০২:০৫:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি :

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় সন্তান জন্ম দেওয়ার পর নবজাতককে এক প্রবাসীর স্ত্রীর হাতে তুলে দিয়ে উধাও হয়েছেন এক নারী। এ নিয়ে এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার গাড়াগঞ্জ পুরাতন বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শিশুটিকে বর্তমানে মালয়েশিয়াপ্রবাসী ফজলুর করিমের স্ত্রী আনোয়ারা খাতুন দেখাশোনা করছেন।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) রাতে শিশুটিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সুস্থ থাকায় আনোয়ারার কাছেই হস্তান্তর করা হয়।

আনোয়ারা খাতুন বলেন, আনুমানিক ৩০ বছর বয়সী ওই নারীর প্রসবব্যথা উঠলে সড়কের পাশেই ছেলে শিশুটির জন্ম হয়। জানতে পেরে তিনি মা ও নবজাতককে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন। কিন্তু শিশুটির মা নিজের নাম-পরিচয় বা ঠিকানা কিছুই বলেননি ও পরিবারের কারো সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেননি। শিশুটিকে নিজের সন্তানের মতো করে আমি লালন-পালন করতে চাই।

শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. ফারিয়া তন্নি বলেন, শিশুটির ওজন ২ কেজি ৮০০ গ্রাম হয়েছে। সে এখন সুস্থ আছে।

শৈলকুপা থানার ওসি মাসুম খান বলেন, ওই নারীর খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়াও বিষয়টি উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে অবগত করা হয়েছে।