Dhaka সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দাপুটে জয়ে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৪৫:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৮০ জন দেখেছেন

স্পোর্টস ডেস্ক :

নাহিদ রানার আগুন ঝড়ানো বোলিংয়ে নিউজিল্যান্ডকে দুইশর আগেই আটকে রেখেছিল বাংলাদেশ। পরে জবাব দিতে নেমে শুরুতে দুই উইকেট হারালেও ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ব্যাটিং করলেন দুর্দান্ত। দুই মিলিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে দাপুটে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।

সোমবার (২০ এপ্রিল) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ জিতেছে ৬ উইকেট আর ৮৭ বল হাতে রেখে। আগে ব্যাটিং করে নিউজিল্যান্ড গুটিয়ে গিয়েছিল ১৯৮ রানে। পরে ৩৫.২ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য ১৯৯ রান তুলে ফেলে বাংলাদেশ।

এই জয়ে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে সমতায় ফিরল বাংলাদেশ। সিরিজের প্রথম ম্যাচ জিতেছিল নিউজিল্যান্ড। ফলে বাংলাদেশ জেতাতে সিরিজে এখন ১-১ ব্যবধানের সমতা।

১৯৯ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সাইফ হাসান ফেরেন শুরুতেই। ৮ রান করে নাথান স্মিথের বলে বোল্ড হয়ে যান এই ওপেনার। ওয়ান ডাউনে নেমে সুবিধা করতে পারেননি সৌম্য সরকারও।

মিরপুরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সবশেষ ওয়ানডেতে ৯১ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। এরপর টিম কম্বিনেশনের কারণে বাদ পড়েন সৌম্য। যেটি নিয়ে অনেক আলোচনাও হয়েছে।

অবশেষে প্রায় ছয় মাস পর একাদশে ফিরেছেন সৌম্য। ফেরাটা হয়নি মনের মতো। ৮ রান করে দ্বিতীয় স্লিপে সহজ ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই বাঁহাতি।

এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত আর তানজিদ হাসান তামিম মিলে গড়েন ১১০ বলে গড়েন ১২০ রানের মারকুটে জুটি। সেঞ্চুরির সুযোগ ছিল তামিমের। খেলছিলেনও বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে। যে বলে আউট হয়েছেন তার আগের বলেই হাঁকান ছক্কা। কিন্তু অতিআত্মবিশ্বাসী হতে গিয়ে পরের বলেই একইরকম ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তামিম।

৫৮ বলে ৭৬ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ১০টি চার আর ৪টি ছক্কা হাঁকান তামিম। এরপর লিটন দাস (৭) বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি। লেনক্সের ঘূর্ণিতে বল আকাশে তুলে দেন তিনি।

এরপর ফিফটি হাঁকান শান্ত। তবে পায়ে টান লাগায় হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেই মাঠ ছেড়ে উঠে যান তিনি। ৭১ বলে ৫ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় ৫০ রানে অপরাজিত থাকেন শান্ত।

বাকি পথটুকু অনায়াসে পাড়ি দিয়েছেন তাওহীদ হৃদয় আর মেহেদী হাসান মিরাজ। হৃদয় ৩০ আর মিরাজ ৮ রানে অপরাজিত থেকে বিজয়ীর বেশে মাঠ ছাড়েন।

এর আগে টস জিতে ব্যাটিং নিয়ে সুবিধা করতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে ২৮ রান দিয়ে ২ উইকেট নেয় বাংলাদেশ। দুটি উইকেটই নেন নাহিদ। প্রথম চার ওভারে একটি করে মেডেন দেন তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম। এই সময়ে নিউজিল্যান্ডের স্কোরবোর্ডে ছিল মাত্র ৩ রান।

পঞ্চম ওভারে তাসকিনের পঞ্চম বলে নিক কেলি ইনিংসের প্রথম বাউন্ডারি হাঁকান। পরের বলে আরেকটি। শরিফুলও পরের ওভারের প্রথম বলে চার দেন। টানা তিন বলে চার মারলেও কিউইদের রানের গতি বাড়েনি।

অষ্টম ওভারে বল হাতে নিয়েই নাহিদ সাফল্য পান। হেনরি নিকোলসকে ১৩ রানে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন বাংলাদেশি পেসার। পরের ওভারেও প্রথম বলে তিনি উইল ইয়াংকে (৭) সৌম্য সরকারের ক্যাচ বানান। দলীয় ২৫ ও ২৮ রানে দুটি উইকেট হারায় কিউইরা। প্রথম দুই ওভারে নাহিদ ১ রান দিয়ে এক মেডেনে দুই উইকেট তুলে নেন।

পরে সৌম্য সরকার তুলে নেন প্রতিপক্ষ অধিনায়ক টম ল্যাথামের উইকেট। ৫২ রানে ৩ উইকেট হারানো নিউজিল্যান্ড কেলির ব্যাটে শক্ত ভিত গড়ার চেষ্টা করে। তার সঙ্গে ল্যাথামের জুটি ২৪ রানের বেশি হয়নি। সৌম্য কিউই অধিনায়ককে লিটন দাসের ক্যাচ বানান। নিচু ক্যাচ নেন বাংলাদেশি কিপার। থার্ড আম্পায়ারের রায়ে মাঠ ছাড়তে হয় ল্যাথামকে। ৩৫ বলে ১৪ রান করেন তিনি।

৫২ রানে ৩ উইকেট পড়ার পর নিউজিল্যান্ডের ওপেনার নিক কেলি ও মুহাম্মদ আব্বাস ৫৬ রানের জুটি গড়েন। ২৭তম ওভারের শেষ বলে ফিফটি করেন কেলি। প্রথম ওয়ানডে হাফ সেঞ্চুরি করতে নিউজিল্যান্ড ব্যাটার ৬৬ বলে ৯ চার মারেন।

আব্বাসকে ১৯ রানে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন নাহিদ। উড়ন্ত ক্যাচে তাকে ফেরান লিটন। কেলি সেঞ্চুরির বেশ কাছে গিয়েও ব্যর্থ হন। শরিফুল ইসলাম তাকে ৮৩ রানে তাওহীদ হৃদয়ের ক্যাচ বানান। কিউই ওপেনারের ১০২ বলের ইনিংসে ছিল ১৪ চার।

সেট ব্যাটার আউট হওয়ার পর ভেঙে পড়ে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইন। জশ ক্লার্কসনকে আউট করেন রিশাদ হোসেন। আগের ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় ডিন ফক্সক্রফট ১৫ রান করে নাহিদের শিকার হন। ব্লেয়ার টিকনারকে বদলি ফিল্ডার আফিফ হোসেনের ক্যাচ বানান শরিফুল।

নিজের শেষ ওভারে নাহিদ পঞ্চম উইকেট তুলে নেন। জেইডেন লেনক্স খালি হাতে ফেরেন বাংলাদেশি পেসারের ইয়র্কারে বোল্ড হয়ে। গত ১১ মার্চ পাকিস্তানের বিপক্ষে মিরপুরে ২৪ রান খরচায় পাঁচ উইকেট নেন নাহিদ। এক মাসের একটু বেশি সময় পর ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফাইফার পেলেন ডানহাতি এই পেসার। ২৩ বছর বয়সী বোলার বোলিং শেষ করেছেন ৩২ রানে পাঁচ উইকেট নিয়ে।

১৮৩ রানে ৯ উইকেট তোলার পর নিউজিল্যান্ডকে দুইশর মধ্যে আটকানোর সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। কাভারে নাথান স্মিথের কঠিন ক্যাচ নিতে না পারার প্রায়শ্চিত্ত কিছুক্ষণ পরই করেন তাওহীদ হৃদয়। তাসকিন আহমেদের বলে উইলিয়াম ও’রোর্কের ক্যাচ নেন তিনি। ৪৮.৪ ওভারে অলআউট হয় নিউজিল্যান্ড।

বাংলাদেশের হয়ে ১০ ওভারে ৩২ রান খরচায় সর্বোচ্চ ৫ উইকেট পেয়েছেন নাহিদ রানা। দুটি করে নিয়েছেন শরিফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদ। একটি করে উইকেট সৌম্য সরকার ও রিশাদ হোসেনের।

আবহাওয়া

দাপুটে জয়ে সিরিজে ফিরল বাংলাদেশ

প্রকাশের সময় : ০৭:৪৫:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

স্পোর্টস ডেস্ক :

নাহিদ রানার আগুন ঝড়ানো বোলিংয়ে নিউজিল্যান্ডকে দুইশর আগেই আটকে রেখেছিল বাংলাদেশ। পরে জবাব দিতে নেমে শুরুতে দুই উইকেট হারালেও ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ব্যাটিং করলেন দুর্দান্ত। দুই মিলিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে দাপুটে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।

সোমবার (২০ এপ্রিল) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ জিতেছে ৬ উইকেট আর ৮৭ বল হাতে রেখে। আগে ব্যাটিং করে নিউজিল্যান্ড গুটিয়ে গিয়েছিল ১৯৮ রানে। পরে ৩৫.২ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য ১৯৯ রান তুলে ফেলে বাংলাদেশ।

এই জয়ে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে সমতায় ফিরল বাংলাদেশ। সিরিজের প্রথম ম্যাচ জিতেছিল নিউজিল্যান্ড। ফলে বাংলাদেশ জেতাতে সিরিজে এখন ১-১ ব্যবধানের সমতা।

১৯৯ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সাইফ হাসান ফেরেন শুরুতেই। ৮ রান করে নাথান স্মিথের বলে বোল্ড হয়ে যান এই ওপেনার। ওয়ান ডাউনে নেমে সুবিধা করতে পারেননি সৌম্য সরকারও।

মিরপুরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সবশেষ ওয়ানডেতে ৯১ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। এরপর টিম কম্বিনেশনের কারণে বাদ পড়েন সৌম্য। যেটি নিয়ে অনেক আলোচনাও হয়েছে।

অবশেষে প্রায় ছয় মাস পর একাদশে ফিরেছেন সৌম্য। ফেরাটা হয়নি মনের মতো। ৮ রান করে দ্বিতীয় স্লিপে সহজ ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই বাঁহাতি।

এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত আর তানজিদ হাসান তামিম মিলে গড়েন ১১০ বলে গড়েন ১২০ রানের মারকুটে জুটি। সেঞ্চুরির সুযোগ ছিল তামিমের। খেলছিলেনও বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে। যে বলে আউট হয়েছেন তার আগের বলেই হাঁকান ছক্কা। কিন্তু অতিআত্মবিশ্বাসী হতে গিয়ে পরের বলেই একইরকম ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তামিম।

৫৮ বলে ৭৬ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ১০টি চার আর ৪টি ছক্কা হাঁকান তামিম। এরপর লিটন দাস (৭) বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি। লেনক্সের ঘূর্ণিতে বল আকাশে তুলে দেন তিনি।

এরপর ফিফটি হাঁকান শান্ত। তবে পায়ে টান লাগায় হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেই মাঠ ছেড়ে উঠে যান তিনি। ৭১ বলে ৫ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় ৫০ রানে অপরাজিত থাকেন শান্ত।

বাকি পথটুকু অনায়াসে পাড়ি দিয়েছেন তাওহীদ হৃদয় আর মেহেদী হাসান মিরাজ। হৃদয় ৩০ আর মিরাজ ৮ রানে অপরাজিত থেকে বিজয়ীর বেশে মাঠ ছাড়েন।

এর আগে টস জিতে ব্যাটিং নিয়ে সুবিধা করতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে ২৮ রান দিয়ে ২ উইকেট নেয় বাংলাদেশ। দুটি উইকেটই নেন নাহিদ। প্রথম চার ওভারে একটি করে মেডেন দেন তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম। এই সময়ে নিউজিল্যান্ডের স্কোরবোর্ডে ছিল মাত্র ৩ রান।

পঞ্চম ওভারে তাসকিনের পঞ্চম বলে নিক কেলি ইনিংসের প্রথম বাউন্ডারি হাঁকান। পরের বলে আরেকটি। শরিফুলও পরের ওভারের প্রথম বলে চার দেন। টানা তিন বলে চার মারলেও কিউইদের রানের গতি বাড়েনি।

অষ্টম ওভারে বল হাতে নিয়েই নাহিদ সাফল্য পান। হেনরি নিকোলসকে ১৩ রানে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন বাংলাদেশি পেসার। পরের ওভারেও প্রথম বলে তিনি উইল ইয়াংকে (৭) সৌম্য সরকারের ক্যাচ বানান। দলীয় ২৫ ও ২৮ রানে দুটি উইকেট হারায় কিউইরা। প্রথম দুই ওভারে নাহিদ ১ রান দিয়ে এক মেডেনে দুই উইকেট তুলে নেন।

পরে সৌম্য সরকার তুলে নেন প্রতিপক্ষ অধিনায়ক টম ল্যাথামের উইকেট। ৫২ রানে ৩ উইকেট হারানো নিউজিল্যান্ড কেলির ব্যাটে শক্ত ভিত গড়ার চেষ্টা করে। তার সঙ্গে ল্যাথামের জুটি ২৪ রানের বেশি হয়নি। সৌম্য কিউই অধিনায়ককে লিটন দাসের ক্যাচ বানান। নিচু ক্যাচ নেন বাংলাদেশি কিপার। থার্ড আম্পায়ারের রায়ে মাঠ ছাড়তে হয় ল্যাথামকে। ৩৫ বলে ১৪ রান করেন তিনি।

৫২ রানে ৩ উইকেট পড়ার পর নিউজিল্যান্ডের ওপেনার নিক কেলি ও মুহাম্মদ আব্বাস ৫৬ রানের জুটি গড়েন। ২৭তম ওভারের শেষ বলে ফিফটি করেন কেলি। প্রথম ওয়ানডে হাফ সেঞ্চুরি করতে নিউজিল্যান্ড ব্যাটার ৬৬ বলে ৯ চার মারেন।

আব্বাসকে ১৯ রানে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন নাহিদ। উড়ন্ত ক্যাচে তাকে ফেরান লিটন। কেলি সেঞ্চুরির বেশ কাছে গিয়েও ব্যর্থ হন। শরিফুল ইসলাম তাকে ৮৩ রানে তাওহীদ হৃদয়ের ক্যাচ বানান। কিউই ওপেনারের ১০২ বলের ইনিংসে ছিল ১৪ চার।

সেট ব্যাটার আউট হওয়ার পর ভেঙে পড়ে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইন। জশ ক্লার্কসনকে আউট করেন রিশাদ হোসেন। আগের ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় ডিন ফক্সক্রফট ১৫ রান করে নাহিদের শিকার হন। ব্লেয়ার টিকনারকে বদলি ফিল্ডার আফিফ হোসেনের ক্যাচ বানান শরিফুল।

নিজের শেষ ওভারে নাহিদ পঞ্চম উইকেট তুলে নেন। জেইডেন লেনক্স খালি হাতে ফেরেন বাংলাদেশি পেসারের ইয়র্কারে বোল্ড হয়ে। গত ১১ মার্চ পাকিস্তানের বিপক্ষে মিরপুরে ২৪ রান খরচায় পাঁচ উইকেট নেন নাহিদ। এক মাসের একটু বেশি সময় পর ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফাইফার পেলেন ডানহাতি এই পেসার। ২৩ বছর বয়সী বোলার বোলিং শেষ করেছেন ৩২ রানে পাঁচ উইকেট নিয়ে।

১৮৩ রানে ৯ উইকেট তোলার পর নিউজিল্যান্ডকে দুইশর মধ্যে আটকানোর সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। কাভারে নাথান স্মিথের কঠিন ক্যাচ নিতে না পারার প্রায়শ্চিত্ত কিছুক্ষণ পরই করেন তাওহীদ হৃদয়। তাসকিন আহমেদের বলে উইলিয়াম ও’রোর্কের ক্যাচ নেন তিনি। ৪৮.৪ ওভারে অলআউট হয় নিউজিল্যান্ড।

বাংলাদেশের হয়ে ১০ ওভারে ৩২ রান খরচায় সর্বোচ্চ ৫ উইকেট পেয়েছেন নাহিদ রানা। দুটি করে নিয়েছেন শরিফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদ। একটি করে উইকেট সৌম্য সরকার ও রিশাদ হোসেনের।