Dhaka রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেষ ওভারের রোমাঞ্চে জিতল মাশরাফির রূপগঞ্জ

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৭:২৮:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৩
  • ২৬১ জন দেখেছেন

স্পোর্টস ডেস্ক : 

শেষ বলে ১ রান নিলে ম্যাচ ড্র, ২ রান নিলে জয়। কোনোটাই পারেনি জয়ের পথে থাকা ঢাকা লেপার্ডস। অথচ তাদের পক্ষেই ছিল সব। চিরাগ জানির বলে কাভারে খেলছিলেন সোহরাওয়ার্দী শুভ, কিন্তু ভ্যাগে জয় লেখা ছিল না। কাভার থেকে বল কুড়িয়ে পারভেজ হোসেন ইমনের থ্রো’তে শুভ পৌঁছানোর আগেই ভেঙে যায় নন-স্ট্রাইক প্রান্তের উইকেট। রানআউট হন শুভ। উমর আমিনের অপরাজিত সেঞ্চুরিকে ম্লান করে ম্যাচ রোমাঞ্চকর ম্যাচে ১ রনে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। এমন শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচ জিতে মাঠেই বাঁধ ভাঙা উল্লাসে মেতে ওঠে মাশরাফি বিন মুর্তজার দল।

বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল) মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে ২৬৯ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৩২ রানে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় লেপার্ডস। এরপর চতুর্থ উইকেটে পাকিস্তানের উমর আমিন ও সাব্বির হোসেন সিকদার মিলে ১৬৭ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন। সাব্বির ৯১ বলে ৬৪ রান করে আউট হলেও উমর মালিক সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন। তার দারুণ এই ইনিংস শেষ পর্যন্ত কোন কাজেই আসেনি। এক প্রান্ত আগলে থাকলেও অন্য প্রান্তের ব্যাটারদের আসা যাওয়া দেখেছেন শুধু। ইনিংসের শেষ বলে যখন ২ রান প্রয়োজন, তখন নন স্ট্রাইকে ১২৮ রানে অপরাজিত ছিলেন উমর। সোহরাওয়ার্দী (২৫) আউট হতেই ২৬৭ রানে থেমেছে ঢাকা লেপার্ডসের ইনিংস। ১ রানে হেরে যাওয়া ম্যাচে ১৩৩ বলে ৮ চার ও ২ ছক্কায় নিজের ইনিংসটি সাজিয়েছেন ওমর।

লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের বোলারদের মধ্যে মাশরাফি আজ ছিলেন ছন্নছাড়া। ৯ ওভারে ৫৮ রান খরচায় ছিলেন উইকেট শূন্য। চেরাগ জানি ব্যাটিংয়ে ঝড়ো ইনিংসের পর বল হাতেও নিয়েছেন দুটি উইকেট। হয়েছেন ম্যাচ সেরাও। তাছাড়া সোহাগ গাজী ও রাজিবুল ইসলাম নিয়েছেন একটি করে উইকেট।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে মুনিম শাহরিয়ারকে হারায় রূপগঞ্জ। দ্বিতীয় উইকেটে পারভেজ হোসেন ও সাব্বির রহমান রুম্মন মিলে ৫৮ রানের জুটি গড়ে প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল দিয়েছেন। পারভেজ হোসেন ৭০ বলে ৫২ রান করে আউট হলে ভাঙে এই জুটি। সঙ্গীকে হারিয়ে সাব্বির চার নম্বরে নামা ফারদিন হাসানকে নিয়ে জুটি গড়ার চেষ্টা করলেও ৩১ রান যোগ করেছে এই জুটি। ফারদিন ২১ রানে সাজঘরে ফিরেছেন।

কিছুক্ষণ পর সাব্বির নিজেও সাজঘরে ফেরেন আরিফুল জনির ঘূর্ণিতে। তার আগে ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৬৬ বলে ৫৪ রান করেন তিনি। সাব্বির ও পারভেজের হাফ সেঞ্চুরির পর চেরাগ জানির অপরাজিত ৫০ বলে ৫৯ রানের ইনিংসের ওপর দাঁড়িয়েই লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ ৮ উইকেট হারিয়ে ২৬৮ রান সংগ্রহ করেছে। শেষ দিকে সোহাগ গাজী ২৩ বলে ২৬ এবং মুক্তার আলী ১০ বলে ২৫ রানের ইনিংস উপহার দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

ঢাকা লেপার্ডসের বোলারদের মধ্যে মঈন খান ৩৪ রানে নিয়েছেন তিনটি উইকেট। আরিফুল জনি ও উমর আমিন নিয়েছেন দুটি। একটি উইকেট নিয়েছেন সোহরাওয়ার্দী শুভ।

অলরাউন্ডিং পারফরম্যান্স দেখিয়ে ম্যাচসেরা হন চিরাগ। ১০ ম্যাচে ৮ জয়ে ঢাকা লিগে পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছে রূপগঞ্জ। সমান ম্যাচ খেলে মাত্র ১ জয়ে লেপার্ডসের অবস্থান সবাঃর শেষে।

আবহাওয়া

হাম ও হামের উপসর্গে আরো চারজনের মৃত্যু

শেষ ওভারের রোমাঞ্চে জিতল মাশরাফির রূপগঞ্জ

প্রকাশের সময় : ০৭:২৮:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৩

স্পোর্টস ডেস্ক : 

শেষ বলে ১ রান নিলে ম্যাচ ড্র, ২ রান নিলে জয়। কোনোটাই পারেনি জয়ের পথে থাকা ঢাকা লেপার্ডস। অথচ তাদের পক্ষেই ছিল সব। চিরাগ জানির বলে কাভারে খেলছিলেন সোহরাওয়ার্দী শুভ, কিন্তু ভ্যাগে জয় লেখা ছিল না। কাভার থেকে বল কুড়িয়ে পারভেজ হোসেন ইমনের থ্রো’তে শুভ পৌঁছানোর আগেই ভেঙে যায় নন-স্ট্রাইক প্রান্তের উইকেট। রানআউট হন শুভ। উমর আমিনের অপরাজিত সেঞ্চুরিকে ম্লান করে ম্যাচ রোমাঞ্চকর ম্যাচে ১ রনে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। এমন শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচ জিতে মাঠেই বাঁধ ভাঙা উল্লাসে মেতে ওঠে মাশরাফি বিন মুর্তজার দল।

বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল) মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে ২৬৯ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৩২ রানে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় লেপার্ডস। এরপর চতুর্থ উইকেটে পাকিস্তানের উমর আমিন ও সাব্বির হোসেন সিকদার মিলে ১৬৭ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন। সাব্বির ৯১ বলে ৬৪ রান করে আউট হলেও উমর মালিক সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন। তার দারুণ এই ইনিংস শেষ পর্যন্ত কোন কাজেই আসেনি। এক প্রান্ত আগলে থাকলেও অন্য প্রান্তের ব্যাটারদের আসা যাওয়া দেখেছেন শুধু। ইনিংসের শেষ বলে যখন ২ রান প্রয়োজন, তখন নন স্ট্রাইকে ১২৮ রানে অপরাজিত ছিলেন উমর। সোহরাওয়ার্দী (২৫) আউট হতেই ২৬৭ রানে থেমেছে ঢাকা লেপার্ডসের ইনিংস। ১ রানে হেরে যাওয়া ম্যাচে ১৩৩ বলে ৮ চার ও ২ ছক্কায় নিজের ইনিংসটি সাজিয়েছেন ওমর।

লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের বোলারদের মধ্যে মাশরাফি আজ ছিলেন ছন্নছাড়া। ৯ ওভারে ৫৮ রান খরচায় ছিলেন উইকেট শূন্য। চেরাগ জানি ব্যাটিংয়ে ঝড়ো ইনিংসের পর বল হাতেও নিয়েছেন দুটি উইকেট। হয়েছেন ম্যাচ সেরাও। তাছাড়া সোহাগ গাজী ও রাজিবুল ইসলাম নিয়েছেন একটি করে উইকেট।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে মুনিম শাহরিয়ারকে হারায় রূপগঞ্জ। দ্বিতীয় উইকেটে পারভেজ হোসেন ও সাব্বির রহমান রুম্মন মিলে ৫৮ রানের জুটি গড়ে প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল দিয়েছেন। পারভেজ হোসেন ৭০ বলে ৫২ রান করে আউট হলে ভাঙে এই জুটি। সঙ্গীকে হারিয়ে সাব্বির চার নম্বরে নামা ফারদিন হাসানকে নিয়ে জুটি গড়ার চেষ্টা করলেও ৩১ রান যোগ করেছে এই জুটি। ফারদিন ২১ রানে সাজঘরে ফিরেছেন।

কিছুক্ষণ পর সাব্বির নিজেও সাজঘরে ফেরেন আরিফুল জনির ঘূর্ণিতে। তার আগে ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৬৬ বলে ৫৪ রান করেন তিনি। সাব্বির ও পারভেজের হাফ সেঞ্চুরির পর চেরাগ জানির অপরাজিত ৫০ বলে ৫৯ রানের ইনিংসের ওপর দাঁড়িয়েই লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ ৮ উইকেট হারিয়ে ২৬৮ রান সংগ্রহ করেছে। শেষ দিকে সোহাগ গাজী ২৩ বলে ২৬ এবং মুক্তার আলী ১০ বলে ২৫ রানের ইনিংস উপহার দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

ঢাকা লেপার্ডসের বোলারদের মধ্যে মঈন খান ৩৪ রানে নিয়েছেন তিনটি উইকেট। আরিফুল জনি ও উমর আমিন নিয়েছেন দুটি। একটি উইকেট নিয়েছেন সোহরাওয়ার্দী শুভ।

অলরাউন্ডিং পারফরম্যান্স দেখিয়ে ম্যাচসেরা হন চিরাগ। ১০ ম্যাচে ৮ জয়ে ঢাকা লিগে পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছে রূপগঞ্জ। সমান ম্যাচ খেলে মাত্র ১ জয়ে লেপার্ডসের অবস্থান সবাঃর শেষে।