Dhaka রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাস ও লঞ্চ ভাড়া নির্ধারণ কমিটি পুনর্গঠন চায় যাত্রী কল্যাণ সমিতি

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বাস ও লঞ্চ ভাড়া নির্ধারণ কমিটি পুনর্গঠনের দাবিতে রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার একযুগেরও বেশি সময় ধরে সড়ক ও নৌ যোগাযোগ খাতে বেসরকারি বাস ও লঞ্চ মালিক এবং শ্রমিক সংগঠনের মাফিয়া নেতাদের সঙ্গে নিয়ে ভাড়া নির্ধারণ, সুযোগ-সুবিধা নির্ধারণ, নীতি ও কৌশল নির্ধারণের যাবতীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে এ খাতে যাত্রী দুভোর্গ এখন চরমে।

সেখানে বলা হয়, গণমানুষের দল বিএনপি সরকার গঠনের পর এখনো বিগত সরকারের পদাঙ্ক অনুসরণ করে আসছে। এতে জনগণের মাঝে চরম হতাশা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে ১৫ শতাংশ বা লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

অতীতে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, সড়ক ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে ভাড়া নির্ধারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ বা বিশেষজ্ঞ কোনো ব্যক্তি বা প্যানেল ছিল না, এখনো নেই। এ পরিস্থিতিতে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ফেডারেশনের প্রভাবশালী নেতারা তাদের মর্জি মতো ভাড়া তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে এনে প্রদশর্নের মধ্য দিয়ে একচেটিয়া প্রভাব বিস্তার করে অতিরিক্ত ভাড়া লুফে নেন। এতে জনস্বার্থ তথা যাত্রীস্বার্থ চরমভাবে লঙ্ঘিত হয়। সাধারণ মানুষের যাতায়াতের দুর্ভোগ বাড়ে।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, আমরা আশাকরি গণমানুষের দল হিসেবে বিএনপি সরকার অতীতের ফ্যাসিস্ট সরকারের নীতি ও কৌশল পরিহার করে জনস্বার্থ প্রাধিকার দিয়ে বাস ও লঞ্চ ভাড়া নির্ধারণে আন্তর্জাতিক ক্রেতা-ভোক্তা অধিকার আইন অনুসরণ করে বাস ও লঞ্চ মালিক সমিতির সংখ্যানুপাতে যাত্রী ও ভোক্তা সংগঠনের প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করে বাস ও লঞ্চ নির্ধারণ কমিটি পুনর্গঠনপূর্বক ভাড়া পুনর্র্নিধারণের উদ্যোগ নেবে এবং যাত্রীদের স্বার্থ সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেবে।

আবহাওয়া

হাম ও হামের উপসর্গে আরো চারজনের মৃত্যু

বাস ও লঞ্চ ভাড়া নির্ধারণ কমিটি পুনর্গঠন চায় যাত্রী কল্যাণ সমিতি

প্রকাশের সময় : ০৪:০৮:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

বাস ও লঞ্চ ভাড়া নির্ধারণ কমিটি পুনর্গঠনের দাবিতে রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার একযুগেরও বেশি সময় ধরে সড়ক ও নৌ যোগাযোগ খাতে বেসরকারি বাস ও লঞ্চ মালিক এবং শ্রমিক সংগঠনের মাফিয়া নেতাদের সঙ্গে নিয়ে ভাড়া নির্ধারণ, সুযোগ-সুবিধা নির্ধারণ, নীতি ও কৌশল নির্ধারণের যাবতীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে এ খাতে যাত্রী দুভোর্গ এখন চরমে।

সেখানে বলা হয়, গণমানুষের দল বিএনপি সরকার গঠনের পর এখনো বিগত সরকারের পদাঙ্ক অনুসরণ করে আসছে। এতে জনগণের মাঝে চরম হতাশা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এমন প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে ১৫ শতাংশ বা লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

অতীতে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, সড়ক ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে ভাড়া নির্ধারণের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞ বা বিশেষজ্ঞ কোনো ব্যক্তি বা প্যানেল ছিল না, এখনো নেই। এ পরিস্থিতিতে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ফেডারেশনের প্রভাবশালী নেতারা তাদের মর্জি মতো ভাড়া তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে এনে প্রদশর্নের মধ্য দিয়ে একচেটিয়া প্রভাব বিস্তার করে অতিরিক্ত ভাড়া লুফে নেন। এতে জনস্বার্থ তথা যাত্রীস্বার্থ চরমভাবে লঙ্ঘিত হয়। সাধারণ মানুষের যাতায়াতের দুর্ভোগ বাড়ে।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, আমরা আশাকরি গণমানুষের দল হিসেবে বিএনপি সরকার অতীতের ফ্যাসিস্ট সরকারের নীতি ও কৌশল পরিহার করে জনস্বার্থ প্রাধিকার দিয়ে বাস ও লঞ্চ ভাড়া নির্ধারণে আন্তর্জাতিক ক্রেতা-ভোক্তা অধিকার আইন অনুসরণ করে বাস ও লঞ্চ মালিক সমিতির সংখ্যানুপাতে যাত্রী ও ভোক্তা সংগঠনের প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করে বাস ও লঞ্চ নির্ধারণ কমিটি পুনর্গঠনপূর্বক ভাড়া পুনর্র্নিধারণের উদ্যোগ নেবে এবং যাত্রীদের স্বার্থ সংরক্ষণের ব্যবস্থা নেবে।