মূল্যস্ফীতির হিসাব গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হবে : ড. দেবপ্রিয়

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০৪:১০:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ২৭৮ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

হাসিনা সরকারের আমলে চাপে পড়ে ইচ্ছা থাকলেও সঠিক তথ্য-উপাত্ত দিয়ে অর্থ ব্যয়ের প্রাক্কলন করতে পারেননি আমলারা। এ কারণেই এসব প্রাক্কলনের ভিত বেশ দুর্বল। এমন তথ্য জানিয়েছে শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি। কমিটি প্রধান ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, খতিয়ে দেখা হবে কোন ভিত্তিতে দেয়া হতো জাতীয় আয় ও মূল্যস্ফীতির হিসাব।

মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের পরিকল্পনা কমিশনের নাজিয়া সালমা সম্মেলনকক্ষে বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

দেবপ্রিয় বলেন, এমনভাবে কাজ করছে শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি যেন তাদের প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত ব্যবহার করা যায় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ও বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা সাজাতে। পরিকল্পনা পর্যায় পার করে লেখার দিকে অগ্রসর হচ্ছে শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি।

তিনি বলেন, যারা ভয়ে বা চাপে এতদিন সঠিক তথ্য দিতে পারেননি তাদের বলা হয়েছে এখন সময় এসেছে সেটি কাজে লাগান। জিডিপি, জাতীয় আয়, মূল্যস্ফীতি এবং এডিপির প্রাক্কলন করা হয় এগুলোর বস্তুগত ভিত্তিগত অত্যন্ত দুর্বল। এগুলো কীভাবে হয় এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হবে। এজন্য আমরা আলাদাভাবে বিবিএসের সঙ্গে বসবো।

ড. দেবপ্রিয় বলেন, আমরা সব ধরনের চুক্তি, জ্বালানিসহ বিভিন্ন বিষয়ে যেসব চুক্তি হয়েছে সেগুলোর মূল চুক্তির কাগজ চাওয়া হবে এবং খতিয়ে দেখা হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের তৃতীয় সভা হবে। আমরা তথ্য-উপাত্ত পেয়েছি। এখন লেখার কাজ কীভাবে শুরু হবে সেটি নিয়ে আলোচনা হবে। আমরা যে উন্মুক্ত তথ্য-উপাত্ত চেয়েছিলাম এতে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। দ্রুত ঢাকার বাইরে টাউনহল বৈঠক করা হবে। আমরা কী পেয়েছি সেই ভেতরের জিনিস এখন বলার সময় নয়, সময় এলে বলা হবে।

বৈঠকে সরকারের তথ্য তৈরি, পরিবেশন এবং প্রাক্কলন যারা করেন এমন ২৪টি সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

এ সময় শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির সদস্য ড. মোস্তাফিজুর রহমান, ড. সেলিম রায়হানসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। সংস্থাগুলোর মধ্যে বিবিএস, বিআইডিএস, এনবিআর, বিডা, বেজা, বিসিক, কৃষি মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা ছিলেন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

যখন ‘খারাপ মানুষ’ হিসেবে আখ্যা দেয়, তখন সত্যিই খুব কষ্ট হয় : প্রভা

মূল্যস্ফীতির হিসাব গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হবে : ড. দেবপ্রিয়

প্রকাশের সময় : ০৪:১০:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

হাসিনা সরকারের আমলে চাপে পড়ে ইচ্ছা থাকলেও সঠিক তথ্য-উপাত্ত দিয়ে অর্থ ব্যয়ের প্রাক্কলন করতে পারেননি আমলারা। এ কারণেই এসব প্রাক্কলনের ভিত বেশ দুর্বল। এমন তথ্য জানিয়েছে শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি। কমিটি প্রধান ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, খতিয়ে দেখা হবে কোন ভিত্তিতে দেয়া হতো জাতীয় আয় ও মূল্যস্ফীতির হিসাব।

মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের পরিকল্পনা কমিশনের নাজিয়া সালমা সম্মেলনকক্ষে বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

দেবপ্রিয় বলেন, এমনভাবে কাজ করছে শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি যেন তাদের প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত ব্যবহার করা যায় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ও বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা সাজাতে। পরিকল্পনা পর্যায় পার করে লেখার দিকে অগ্রসর হচ্ছে শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি।

তিনি বলেন, যারা ভয়ে বা চাপে এতদিন সঠিক তথ্য দিতে পারেননি তাদের বলা হয়েছে এখন সময় এসেছে সেটি কাজে লাগান। জিডিপি, জাতীয় আয়, মূল্যস্ফীতি এবং এডিপির প্রাক্কলন করা হয় এগুলোর বস্তুগত ভিত্তিগত অত্যন্ত দুর্বল। এগুলো কীভাবে হয় এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হবে। এজন্য আমরা আলাদাভাবে বিবিএসের সঙ্গে বসবো।

ড. দেবপ্রিয় বলেন, আমরা সব ধরনের চুক্তি, জ্বালানিসহ বিভিন্ন বিষয়ে যেসব চুক্তি হয়েছে সেগুলোর মূল চুক্তির কাগজ চাওয়া হবে এবং খতিয়ে দেখা হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের তৃতীয় সভা হবে। আমরা তথ্য-উপাত্ত পেয়েছি। এখন লেখার কাজ কীভাবে শুরু হবে সেটি নিয়ে আলোচনা হবে। আমরা যে উন্মুক্ত তথ্য-উপাত্ত চেয়েছিলাম এতে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। দ্রুত ঢাকার বাইরে টাউনহল বৈঠক করা হবে। আমরা কী পেয়েছি সেই ভেতরের জিনিস এখন বলার সময় নয়, সময় এলে বলা হবে।

বৈঠকে সরকারের তথ্য তৈরি, পরিবেশন এবং প্রাক্কলন যারা করেন এমন ২৪টি সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

এ সময় শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির সদস্য ড. মোস্তাফিজুর রহমান, ড. সেলিম রায়হানসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। সংস্থাগুলোর মধ্যে বিবিএস, বিআইডিএস, এনবিআর, বিডা, বেজা, বিসিক, কৃষি মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা ছিলেন।