Dhaka মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিগত সরকার বিদ্যুৎ খাতে দেশীয় সম্পদ ধ্বংস করেছে : বিদ্যুৎমন্ত্রী

দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি : 

বিগত সরকার দেশের নিজস্ব সম্পদ অবেহালেয় ফেলে রেখে লুটপাট ও বিদেশ থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ব্যবস্থা করে দেশীয় সম্পদ ধংস করেছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে দিনাজপুর বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি মিলনায়তনে স্থানীয় সংসদ সদস্য, কয়লা খনি, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং মধ্যপাড়া পাথর খনির কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, গত ১৭ বছরে ‘ফ্যাসিস্ট সরকার’ দেশীয় সম্পদকে অবহেলা করে বিদেশি জ্বালানি আমদানিনির্ভর ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল। এতে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি এবং মধ্যপাড়া পাথরখনি জনকল্যাণে যথাযথ গুরুত্ব পায়নি।

বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি খাত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খাত হলেও বিগত সরকার এ খাতকে ধ্বংস করেছে। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নির্দেশনায় দেশীয় সম্পদ কাজে লাগিয়ে জনগণের কল্যাণে কাজ করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর।

তিনি বলেন, আমরা গত নির্বাচনে নির্বাচিত হয়েছি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মনে করেন, আমরা জনগণের সরকার। জনগণের যে সম্পদ আছে, সে সম্পদ আহরণ করতে চাই। দেশের উন্নতির জন্য সবার আগে দরকার জ্বালানি। আমাদের নিজেদের জ্বালানি থাকতে আমরা বিদেশ থেকে কেন আমদানি করব। সেজন্য আমরা বসেছিলাম, কীভাবে সবাইকে সন্তুষ্ট করে, সবাইকে একত্রিত করে নিজের দেশের জ্বালানি আহরণ করতে পারি; যা দেশের উন্নয়নে ব্যবহার করতে পারি।

বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই দেশের সম্পদ দেশের মানুষের উপকারে আসুক। দেশ এগিয়ে যাক। বিএনপি জনগণের সরকার হিসেবে দেশীয় সম্পদ আহরণ করে উন্নয়নে কাজে লাগাতে চায়।

কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্র ব্যবহারের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এ ব্যাপারে আমরা আলোচনা করেছি, একটি সিদ্ধান্ত হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বড়পুকুরিয়ার তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কেন পুরোপুরি উৎপাদনে যেতে পারছে না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করছি তিনটি একসঙ্গে চালানোর জন্য।

এর আগে মন্ত্রী বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং মধ্যপাড়া পাথর খনির কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক সভা করেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জাতীয় সংসদের হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া, সংসদ সদস্য সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক, সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এবং সংসদ সদস্য এ জেড এম রেজওয়ানুল হক।

সভা শেষে মন্ত্রী বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও মধ্যপাড়া পাথর খনি ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

বিগত সরকার বিদ্যুৎ খাতে দেশীয় সম্পদ ধ্বংস করেছে : বিদ্যুৎমন্ত্রী

বিগত সরকার বিদ্যুৎ খাতে দেশীয় সম্পদ ধ্বংস করেছে : বিদ্যুৎমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৯:১৭:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি : 

বিগত সরকার দেশের নিজস্ব সম্পদ অবেহালেয় ফেলে রেখে লুটপাট ও বিদেশ থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ব্যবস্থা করে দেশীয় সম্পদ ধংস করেছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে দিনাজপুর বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি মিলনায়তনে স্থানীয় সংসদ সদস্য, কয়লা খনি, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং মধ্যপাড়া পাথর খনির কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, গত ১৭ বছরে ‘ফ্যাসিস্ট সরকার’ দেশীয় সম্পদকে অবহেলা করে বিদেশি জ্বালানি আমদানিনির্ভর ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল। এতে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি এবং মধ্যপাড়া পাথরখনি জনকল্যাণে যথাযথ গুরুত্ব পায়নি।

বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি খাত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খাত হলেও বিগত সরকার এ খাতকে ধ্বংস করেছে। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নির্দেশনায় দেশীয় সম্পদ কাজে লাগিয়ে জনগণের কল্যাণে কাজ করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর।

তিনি বলেন, আমরা গত নির্বাচনে নির্বাচিত হয়েছি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মনে করেন, আমরা জনগণের সরকার। জনগণের যে সম্পদ আছে, সে সম্পদ আহরণ করতে চাই। দেশের উন্নতির জন্য সবার আগে দরকার জ্বালানি। আমাদের নিজেদের জ্বালানি থাকতে আমরা বিদেশ থেকে কেন আমদানি করব। সেজন্য আমরা বসেছিলাম, কীভাবে সবাইকে সন্তুষ্ট করে, সবাইকে একত্রিত করে নিজের দেশের জ্বালানি আহরণ করতে পারি; যা দেশের উন্নয়নে ব্যবহার করতে পারি।

বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই দেশের সম্পদ দেশের মানুষের উপকারে আসুক। দেশ এগিয়ে যাক। বিএনপি জনগণের সরকার হিসেবে দেশীয় সম্পদ আহরণ করে উন্নয়নে কাজে লাগাতে চায়।

কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্র ব্যবহারের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এ ব্যাপারে আমরা আলোচনা করেছি, একটি সিদ্ধান্ত হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বড়পুকুরিয়ার তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কেন পুরোপুরি উৎপাদনে যেতে পারছে না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করছি তিনটি একসঙ্গে চালানোর জন্য।

এর আগে মন্ত্রী বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং মধ্যপাড়া পাথর খনির কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক সভা করেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জাতীয় সংসদের হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া, সংসদ সদস্য সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক, সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম এবং সংসদ সদস্য এ জেড এম রেজওয়ানুল হক।

সভা শেষে মন্ত্রী বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও মধ্যপাড়া পাথর খনি ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।