বাংলাদেশে ১০টা বাটপার এক জায়গায় হলে ব্যাংক করে : তৈমূর খন্দকার

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি : 

জ্যেষ্ঠ আইনজীবী তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, ব্রিটিশরা যখন চারজন লোক এক জায়গায় হয়, তখন তারা একটা ক্লাব করে। আর বাংলাদেশে আমার মনে হয়, ১০টা বাটপার এক জায়গায় হলে একটা ব্যাংক করে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) নারায়ণগঞ্জ শহরের মাসদাইর এলাকার বেগম রোকেয়া খন্দকার পৌর উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এক ব্যাংকের ঋণখেলাপি অন্য ব্যাংকের পরিচালক। আইনগুলো এমন করা হচ্ছে নির্দিষ্ট কোনো পরিবারের লোক ছাড়া ব্যাংক করতে পারবে না। যে কারণে অনেকগুলো (ব্যাংক) দেউলিয়া হয়ে গেছে।

আইনজীবী তৈমূর খন্দকার বলেন, ব্যাংকের টাকা এখন নিরাপদ নয়। আগের মানুষের আস্থার জায়গা ছিল ব্যাংক। বর্তমান অর্থমন্ত্রী বলেছেন, দেশের ২০টি দেউলিয়া কোম্পানির কাছে প্রায় ৭০০ লক্ষকোটি টাকা জনগণের পাওনা। বিদেশে এই টাকাটা মানি লন্ডারিং হয়ে গেছে। ২০টি কোম্পানির মধ্যে ১১টিই এস আলমের কোম্পানি। এই এস আলমরা ব্যাংক লুট করেছে।

তিনি বলেন, এখন এস আলম নেই, কিন্তু তারা যে ফিরে আসবে না—এটার নিশ্চয়তা নেই। এস আলমের কর্মচারী হলো দেশের রাষ্ট্রপতি। সে হিসেবে স্কুলের টাকা ব্যাংকে না রেখে সম্পদ বৃদ্ধি করেন। এই সম্পদ একসময় কাজে আসবে।

আবহাওয়া

মোটরসাইকেলে কক্সবাজার ঘুরতে যাওয়ার পথে দুই বন্ধু নিহত

বাংলাদেশে ১০টা বাটপার এক জায়গায় হলে ব্যাংক করে : তৈমূর খন্দকার

প্রকাশের সময় : ০৬:৫৮:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি : 

জ্যেষ্ঠ আইনজীবী তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, ব্রিটিশরা যখন চারজন লোক এক জায়গায় হয়, তখন তারা একটা ক্লাব করে। আর বাংলাদেশে আমার মনে হয়, ১০টা বাটপার এক জায়গায় হলে একটা ব্যাংক করে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) নারায়ণগঞ্জ শহরের মাসদাইর এলাকার বেগম রোকেয়া খন্দকার পৌর উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এক ব্যাংকের ঋণখেলাপি অন্য ব্যাংকের পরিচালক। আইনগুলো এমন করা হচ্ছে নির্দিষ্ট কোনো পরিবারের লোক ছাড়া ব্যাংক করতে পারবে না। যে কারণে অনেকগুলো (ব্যাংক) দেউলিয়া হয়ে গেছে।

আইনজীবী তৈমূর খন্দকার বলেন, ব্যাংকের টাকা এখন নিরাপদ নয়। আগের মানুষের আস্থার জায়গা ছিল ব্যাংক। বর্তমান অর্থমন্ত্রী বলেছেন, দেশের ২০টি দেউলিয়া কোম্পানির কাছে প্রায় ৭০০ লক্ষকোটি টাকা জনগণের পাওনা। বিদেশে এই টাকাটা মানি লন্ডারিং হয়ে গেছে। ২০টি কোম্পানির মধ্যে ১১টিই এস আলমের কোম্পানি। এই এস আলমরা ব্যাংক লুট করেছে।

তিনি বলেন, এখন এস আলম নেই, কিন্তু তারা যে ফিরে আসবে না—এটার নিশ্চয়তা নেই। এস আলমের কর্মচারী হলো দেশের রাষ্ট্রপতি। সে হিসেবে স্কুলের টাকা ব্যাংকে না রেখে সম্পদ বৃদ্ধি করেন। এই সম্পদ একসময় কাজে আসবে।