Dhaka শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বড় ধরনের রিজার্ভ সংকট হলে ঢাকার পাশে থাকবে বেইজিং : চীনা রাষ্ট্রদূত

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

রাখাইনে চলমান সহিংসতার অবসান চায় চীন। দ্রুতই অস্ত্র বিরতির প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। এছাড়া তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে বড় ধরনের রিজার্ভ সংকট হলে, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ঢাকার পাশে থাকবে বেইজিং।

রোববার (২৮ জানুয়ারি) সকালে মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এ কথা বলেন চীনা রাষ্ট্রদূত।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অস্থিরতা আছে। এর প্রভাব পড়ছে বিভিন্ন দেশে। বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার বিজার্ভ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কোনো সংকট তৈরি হলে, চীন সেখান থেকে উত্তরণে সহযোগিতা করবে। এক্ষেত্রে ঢাকাকে অগ্রাধিকার প্রদান করবে ঢাকা।

চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা মিয়ানমারের রাখাইনে অস্ত্র বিরতির জন্য কাজ করছি। যেন সেখানে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পথ যেন সুগম হয়। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীন একযোগে কাজ করছে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বেইজিং আশা করে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার যেন যুক্ত থাকে।

এক প্রশ্নের উত্তর চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নে চীন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশ সরকারের দিক থেকে প্রস্তাব পেলে আমরা এ প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবো।

চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করতে আগ্রহী চীন। ইতোমধ্যেই নব নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং ও প্রধানমন্ত্রী লি কেয়াং অভিনন্দন জানিয়েছেন।

আগামীতে দুই দেশের সম্পর্ক গভীর হবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

কেরাণীগঞ্জে অটোরিকশাচালককে হত্যার দায়ে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

বড় ধরনের রিজার্ভ সংকট হলে ঢাকার পাশে থাকবে বেইজিং : চীনা রাষ্ট্রদূত

প্রকাশের সময় : ০৪:০৩:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

রাখাইনে চলমান সহিংসতার অবসান চায় চীন। দ্রুতই অস্ত্র বিরতির প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। এছাড়া তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে বড় ধরনের রিজার্ভ সংকট হলে, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ঢাকার পাশে থাকবে বেইজিং।

রোববার (২৮ জানুয়ারি) সকালে মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এ কথা বলেন চীনা রাষ্ট্রদূত।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অস্থিরতা আছে। এর প্রভাব পড়ছে বিভিন্ন দেশে। বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার বিজার্ভ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কোনো সংকট তৈরি হলে, চীন সেখান থেকে উত্তরণে সহযোগিতা করবে। এক্ষেত্রে ঢাকাকে অগ্রাধিকার প্রদান করবে ঢাকা।

চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা মিয়ানমারের রাখাইনে অস্ত্র বিরতির জন্য কাজ করছি। যেন সেখানে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পথ যেন সুগম হয়। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীন একযোগে কাজ করছে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বেইজিং আশা করে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার যেন যুক্ত থাকে।

এক প্রশ্নের উত্তর চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নে চীন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশ সরকারের দিক থেকে প্রস্তাব পেলে আমরা এ প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবো।

চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করতে আগ্রহী চীন। ইতোমধ্যেই নব নির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং ও প্রধানমন্ত্রী লি কেয়াং অভিনন্দন জানিয়েছেন।

আগামীতে দুই দেশের সম্পর্ক গভীর হবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।