দেশে ডলারের দাম রেকর্ড ১১৭ টাকা

  • প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : ০২:৩৩:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২
  • ২৬৯ জন দেখেছেন

রিজার্ভ থেকে ডলার সরবরাহ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৈদেশিক মুদ্রা অবৈধ লেনদেন প্রতিরোধে চলছে অভিযান। নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার।

তবু দেশের মুদ্রাবাজারে সঙ্কট কাটছে না। বুধবার (১০ আগস্ট) খোলাবাজারে প্রতি ডলার বিক্রি হচ্ছে রেকর্ড ১১৭ টাকায়।

গতকাল মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) কার্ব মাকের্টে প্রতি ডলারের দাম ছিল সর্বোচ্চ ১১৫ টাকা। এর আগে এটিই রেকর্ড ছিল। সবশেষ খবর অনুযায়ী, একদিনের ব্যবধানে মার্কিন মুদ্রার বিনিময় মূল্য বাড়লো ২ থেকে ৩ টাকা।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বিশ্বব্যাপী পণ্যদ্রব্যের দাম বেড়ে গেছে। ফলে বৃদ্ধি পেয়েছে আমদানি ও পরিবহন ব্যয়। এতে দেশে ডলারের সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছে।

রাজধানীর দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা (ব্যাংক জোন), বায়তুল মোকাররম, পল্টন ও গুলশান এলাকার মানি এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকেই সেগুলোতে ডলার কিনতে আসছেন ক্রেতারা। তবে সেই তুলনায় বিক্রেতা নেই।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাহিদার বিপরীতে পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় প্রধান আন্তর্জাতিক মুদ্রার বিনিময় হার বাড়ছে।

ব্যাংক থেকেও ডলার কিনতে গুণতে হচ্ছে বাড়তি মূল্য। প্রতি ডলারের জন্য পরিশোধ করতে হচ্ছে ১০৪ টাকা পর্যন্ত। তবে চিকিৎসা বা জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মিলছে না মার্কিন মুদ্রা। চিকিৎসার ক্ষেত্রে দেয়া হচ্ছে সর্বোচ্চ ৪০০ ডলার পর্যন্ত।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

জনসাধারণকে সতর্ক থাকার আহ্বান পুলিশ সদর দপ্তরের

দেশে ডলারের দাম রেকর্ড ১১৭ টাকা

প্রকাশের সময় : ০২:৩৩:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২

রিজার্ভ থেকে ডলার সরবরাহ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৈদেশিক মুদ্রা অবৈধ লেনদেন প্রতিরোধে চলছে অভিযান। নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার।

তবু দেশের মুদ্রাবাজারে সঙ্কট কাটছে না। বুধবার (১০ আগস্ট) খোলাবাজারে প্রতি ডলার বিক্রি হচ্ছে রেকর্ড ১১৭ টাকায়।

গতকাল মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) কার্ব মাকের্টে প্রতি ডলারের দাম ছিল সর্বোচ্চ ১১৫ টাকা। এর আগে এটিই রেকর্ড ছিল। সবশেষ খবর অনুযায়ী, একদিনের ব্যবধানে মার্কিন মুদ্রার বিনিময় মূল্য বাড়লো ২ থেকে ৩ টাকা।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বিশ্বব্যাপী পণ্যদ্রব্যের দাম বেড়ে গেছে। ফলে বৃদ্ধি পেয়েছে আমদানি ও পরিবহন ব্যয়। এতে দেশে ডলারের সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছে।

রাজধানীর দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা (ব্যাংক জোন), বায়তুল মোকাররম, পল্টন ও গুলশান এলাকার মানি এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকেই সেগুলোতে ডলার কিনতে আসছেন ক্রেতারা। তবে সেই তুলনায় বিক্রেতা নেই।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাহিদার বিপরীতে পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় প্রধান আন্তর্জাতিক মুদ্রার বিনিময় হার বাড়ছে।

ব্যাংক থেকেও ডলার কিনতে গুণতে হচ্ছে বাড়তি মূল্য। প্রতি ডলারের জন্য পরিশোধ করতে হচ্ছে ১০৪ টাকা পর্যন্ত। তবে চিকিৎসা বা জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মিলছে না মার্কিন মুদ্রা। চিকিৎসার ক্ষেত্রে দেয়া হচ্ছে সর্বোচ্চ ৪০০ ডলার পর্যন্ত।