দেশে জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা মামলায় দ্রুততম সময়ে বিচার সম্পন্ন ও রায় আসায় পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা প্রশংসিত। তারা অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে তদন্ত সম্পন্ন করায় এই আলোচিত মামলাটি প্রমাণ করা কঠিন ছিল না। এভাবেই আমরা জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই।

রোববার (৭ জুন) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে এই ধরনের আরও কয়েকটি ঘটনায় দ্রুত ও কার্যকর ভূমিকা রাখার জন্য পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করা হবে।

রাজধানী পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার বহুল আলোচিত মামলার ডেথ রেফারেন্স শুনানি আইনানুগভাবে দ্রুত এগিয়ে নিতে সরকার সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে বলে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরাও বিষয়টি মাননীয় সুপ্রিম কোর্টের নজরে আনব এবং অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসকে বলব, যাতে ওই শিশুর হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স শুনানি আইনানুগভাবে কিছুটা এগিয়ে আনা যায়।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সরকারের নীতি হলো ভালো কাজের জন্য পুলিশকে পুরস্কৃত করা এবং ব্যর্থতার জন্য তিরস্কার করা। তবে এই মামলার তদন্ত ও বিচার সহায়ক কার্যক্রমে পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা প্রশংসার দাবিদার।

তিনি বলেন, শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার নৃশংস ঘটনায় সারা দেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছিল। জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী আমরা অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যে ডিএনএ পরীক্ষা সম্পন্ন, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন সংগ্রহ এবং চার্জশিট আদালতে দাখিল করতে সক্ষম হয়েছি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিচার করেছেন আদালত। ঈদের ছুটির মধ্যেও আদালত দায়িত্বশীলতার সঙ্গে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।

তিনি বলেন, আদালত তাঁদের ছুটি বাতিল করে কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই তাঁরা এটি করেছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিচারপ্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অবিচার না হয়, সে জন্য রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর পাশাপাশি আসামিপক্ষের জন্যও আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছিল। এ ছাড়া চিকিৎসক, পুলিশ সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সাক্ষ্য দিয়েছেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এই মামলায় দুই আসামির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, ডিএনএ পরীক্ষা এবং ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন রয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে মামলাটি প্রমাণ করা খুব বেশি কঠিন ছিল না। আমরা অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি এবং আদালত ন্যায়বিচার করেছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিচারিক ইতিহাস এবং পুলিশের গ্রেপ্তার ও তদন্ত কার্যক্রমের ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক। এভাবেই আমরা জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই।

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে দীর্ঘ সময় লাগার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মৃত্যুদণ্ডের রায় হলে সেটি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে শুনানি হতে হয়। সাধারণত পুরোনো মামলার শুনানি আগে এবং নতুন মামলার শুনানি পরে হয়। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমও দেখা গেছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, আমরাও বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের নজরে আনব এবং অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসকে অনুরোধ করব, যাতে শিশু হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স শুনানিটি আইনানুগভাবে কিছুটা অগ্রাধিকার পায়।

তিনি বলেন, ডেথ রেফারেন্স শুনানির পর যদি মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে, তাহলে তা কার্যকরের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বিলম্ব হবে না।

এ সময় পুলিশ বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মামলাটির তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা প্রশংসনীয়। বাহিনীর সদস্যদের মনোবল বাড়াতে ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কৃত করার বিষয়ও বিবেচনা করা হচ্ছে।

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে সোমবার (৮ জুন) থেকে শুরু হচ্ছে চার দিনব্যাপী বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠক। এই বৈঠকে বাংলাদেশ সীমান্তে অবৈধ পুশ ইনসহ সব গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে আলোচনা করবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই বৈঠকে সীমান্ত পরিস্থিতি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা এবং বিশেষ করে অবৈধ পুশ ইনের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরা হবে। তিনি জানান, বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠক নিয়মিতভাবে একবার বাংলাদেশে এবং পরেরবার ভারতে অনুষ্ঠিত হয়। এবার বৈঠকের আয়োজন ভারতেই হচ্ছে। কারণ, এটি তাদের পালা।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সেখানে সব বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। আমরা কূটনৈতিক চ্যানেলে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করছি এবং আমাদের সীমান্তরক্ষী বাহিনী সতর্ক রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, সরকার সব ধরনের অবৈধ পুশ ইনের চেষ্টা প্রতিহত করতে প্রস্তুত। তবে এসব সমস্যা প্রাথমিকভাবে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা উচিত।

তিনি বলেন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ চলমান রয়েছে এবং আসন্ন বৈঠকেও এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

মাদক ও জুয়াবিরোধী অভিযান প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধীরা যেন আইনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে সহজে জামিন নিতে না পারে, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সরকার মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

দেশে জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৭:৩৬:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা মামলায় দ্রুততম সময়ে বিচার সম্পন্ন ও রায় আসায় পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা প্রশংসিত। তারা অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে তদন্ত সম্পন্ন করায় এই আলোচিত মামলাটি প্রমাণ করা কঠিন ছিল না। এভাবেই আমরা জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই।

রোববার (৭ জুন) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে এই ধরনের আরও কয়েকটি ঘটনায় দ্রুত ও কার্যকর ভূমিকা রাখার জন্য পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করা হবে।

রাজধানী পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার বহুল আলোচিত মামলার ডেথ রেফারেন্স শুনানি আইনানুগভাবে দ্রুত এগিয়ে নিতে সরকার সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে বলে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরাও বিষয়টি মাননীয় সুপ্রিম কোর্টের নজরে আনব এবং অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসকে বলব, যাতে ওই শিশুর হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স শুনানি আইনানুগভাবে কিছুটা এগিয়ে আনা যায়।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সরকারের নীতি হলো ভালো কাজের জন্য পুলিশকে পুরস্কৃত করা এবং ব্যর্থতার জন্য তিরস্কার করা। তবে এই মামলার তদন্ত ও বিচার সহায়ক কার্যক্রমে পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা প্রশংসার দাবিদার।

তিনি বলেন, শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার নৃশংস ঘটনায় সারা দেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছিল। জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী আমরা অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যে ডিএনএ পরীক্ষা সম্পন্ন, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন সংগ্রহ এবং চার্জশিট আদালতে দাখিল করতে সক্ষম হয়েছি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিচার করেছেন আদালত। ঈদের ছুটির মধ্যেও আদালত দায়িত্বশীলতার সঙ্গে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন।

তিনি বলেন, আদালত তাঁদের ছুটি বাতিল করে কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই তাঁরা এটি করেছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিচারপ্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অবিচার না হয়, সে জন্য রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর পাশাপাশি আসামিপক্ষের জন্যও আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছিল। এ ছাড়া চিকিৎসক, পুলিশ সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সাক্ষ্য দিয়েছেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এই মামলায় দুই আসামির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, ডিএনএ পরীক্ষা এবং ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন রয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে মামলাটি প্রমাণ করা খুব বেশি কঠিন ছিল না। আমরা অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি এবং আদালত ন্যায়বিচার করেছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিচারিক ইতিহাস এবং পুলিশের গ্রেপ্তার ও তদন্ত কার্যক্রমের ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক। এভাবেই আমরা জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই।

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে দীর্ঘ সময় লাগার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মৃত্যুদণ্ডের রায় হলে সেটি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে শুনানি হতে হয়। সাধারণত পুরোনো মামলার শুনানি আগে এবং নতুন মামলার শুনানি পরে হয়। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমও দেখা গেছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, আমরাও বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের নজরে আনব এবং অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসকে অনুরোধ করব, যাতে শিশু হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স শুনানিটি আইনানুগভাবে কিছুটা অগ্রাধিকার পায়।

তিনি বলেন, ডেথ রেফারেন্স শুনানির পর যদি মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে, তাহলে তা কার্যকরের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বিলম্ব হবে না।

এ সময় পুলিশ বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মামলাটির তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা প্রশংসনীয়। বাহিনীর সদস্যদের মনোবল বাড়াতে ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কৃত করার বিষয়ও বিবেচনা করা হচ্ছে।

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে সোমবার (৮ জুন) থেকে শুরু হচ্ছে চার দিনব্যাপী বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠক। এই বৈঠকে বাংলাদেশ সীমান্তে অবৈধ পুশ ইনসহ সব গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে আলোচনা করবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই বৈঠকে সীমান্ত পরিস্থিতি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা এবং বিশেষ করে অবৈধ পুশ ইনের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরা হবে। তিনি জানান, বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠক নিয়মিতভাবে একবার বাংলাদেশে এবং পরেরবার ভারতে অনুষ্ঠিত হয়। এবার বৈঠকের আয়োজন ভারতেই হচ্ছে। কারণ, এটি তাদের পালা।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সেখানে সব বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। আমরা কূটনৈতিক চ্যানেলে বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করছি এবং আমাদের সীমান্তরক্ষী বাহিনী সতর্ক রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, সরকার সব ধরনের অবৈধ পুশ ইনের চেষ্টা প্রতিহত করতে প্রস্তুত। তবে এসব সমস্যা প্রাথমিকভাবে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা উচিত।

তিনি বলেন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ চলমান রয়েছে এবং আসন্ন বৈঠকেও এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

মাদক ও জুয়াবিরোধী অভিযান প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধীরা যেন আইনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে সহজে জামিন নিতে না পারে, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সরকার মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে।