তথ্যমন্ত্রী যখন গাড়িচালক

সংগৃহীত ছবি

‘চাঁদের গাড়ি’ নামে পরিচিত ছাদহীন গাড়ি চালিয়ে নিজ গ্রাম সুখবিলাস ও নির্বাচনী এলাকায় সর্বসাধারণের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

ঈদুল ফিতরের দিন মঙ্গলবার বিকেলে রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় হাছান মাহমুদ এলাকাবাসীর সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে বের হন। এ সময় উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ ইউনুছ তার চাঁদের গাড়ি নিয়ে উপস্থিত হলে মন্ত্রী নিজেই চালকের আসনে বসেন। নেতাকর্মীদের সঙ্গে করে তিনি মেঠোপথ ধরে পদুয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে যান ও ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সব সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন, তাদের খোঁজখবর নেন।

এলাকা ভ্রমণের শেষদিকে মন্ত্রীর সহধর্মিণী নুরান ফাতিমা ও পরিবারের অন্য সদস্যরাও যোগ দিলে দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয়রা আরো উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন। এ সময় সুখবিলাস গ্রামের হাটের একটি চায়ের দোকানে তাদের নিয়ে চা পান করেন তথ্যমন্ত্রী।

রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবু জাফর, মন্ত্রীর বাল্যবন্ধু অনুপম বড়ুয়া, তাতু বড়ুয়া, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শামসুদ্দোহা সিকদার আরজুসহ এলাকার মানুষ এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।

সুখবিলাস গ্রামের রফিকুল আলম বলেন, রাষ্ট্রের একজন মন্ত্রী হয়েও ড. হাছান মাহমুদ সব সময় এলাকাবাসীর খোঁজখবর রাখেন। প্রতি ঈদে গ্রামে এসে যেভাবে সব সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে মিশে যান, সেটা যেমন এক অনন্য দৃষ্টান্ত, তেমনি আনন্দের।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

জনসাধারণকে সতর্ক থাকার আহ্বান পুলিশ সদর দপ্তরের

তথ্যমন্ত্রী যখন গাড়িচালক

প্রকাশের সময় : ০৪:৪৬:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মে ২০২২

‘চাঁদের গাড়ি’ নামে পরিচিত ছাদহীন গাড়ি চালিয়ে নিজ গ্রাম সুখবিলাস ও নির্বাচনী এলাকায় সর্বসাধারণের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

ঈদুল ফিতরের দিন মঙ্গলবার বিকেলে রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় হাছান মাহমুদ এলাকাবাসীর সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে বের হন। এ সময় উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ ইউনুছ তার চাঁদের গাড়ি নিয়ে উপস্থিত হলে মন্ত্রী নিজেই চালকের আসনে বসেন। নেতাকর্মীদের সঙ্গে করে তিনি মেঠোপথ ধরে পদুয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে যান ও ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সব সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন, তাদের খোঁজখবর নেন।

এলাকা ভ্রমণের শেষদিকে মন্ত্রীর সহধর্মিণী নুরান ফাতিমা ও পরিবারের অন্য সদস্যরাও যোগ দিলে দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয়রা আরো উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন। এ সময় সুখবিলাস গ্রামের হাটের একটি চায়ের দোকানে তাদের নিয়ে চা পান করেন তথ্যমন্ত্রী।

রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবু জাফর, মন্ত্রীর বাল্যবন্ধু অনুপম বড়ুয়া, তাতু বড়ুয়া, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শামসুদ্দোহা সিকদার আরজুসহ এলাকার মানুষ এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।

সুখবিলাস গ্রামের রফিকুল আলম বলেন, রাষ্ট্রের একজন মন্ত্রী হয়েও ড. হাছান মাহমুদ সব সময় এলাকাবাসীর খোঁজখবর রাখেন। প্রতি ঈদে গ্রামে এসে যেভাবে সব সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে মিশে যান, সেটা যেমন এক অনন্য দৃষ্টান্ত, তেমনি আনন্দের।