ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হবে ২০২২ সালেই

বক্তব্য রাখছেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন

রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, ২০২২ সালেই ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হবে। তিনি বলেন, কক্সবাজার-দোহাজারী রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

যেসব অংশে জটিলতা রয়েছে তাও দ্রুত শেষ করে ক্ষতিপূরণ হস্তান্তর সম্পন্ন করা হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন : স্বাভাবিক হচ্ছে রেল যোগাযোগ : চলবে ২১৮টি ট্রেন

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হিলটপ সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে দোহাজারী-কক্সবাজার ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, পুরোদমে কাজ চালিয়ে ২০২২ সালের জুন মাসেই সম্পন্ন হবে দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ নির্মাণ কাজ।

রেলপথ মন্ত্রী আরো বলেন, দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ নির্মাণ শেষ হলে পাল্টে যাবে কক্সবাজারের চিত্র। যোগাযোগ ব্যবস্থায় আসবে আমূল পরিবর্তন। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে যুগান্তকারী বিপ্লব ঘটবে। পর্যটক বৃদ্ধির পাশাপাশি যাতায়াত সুবিধা ভোগ করতে পারবে সাধারণ মানুষও।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

নদীভাঙন কবলিত কান্দারবাড়ি পরিদর্শনে এমপি আব্দুস সালাম আজাদ

ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হবে ২০২২ সালেই

প্রকাশের সময় : ০৬:১৮:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২০

রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, ২০২২ সালেই ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হবে। তিনি বলেন, কক্সবাজার-দোহাজারী রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণ প্রদানের প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

যেসব অংশে জটিলতা রয়েছে তাও দ্রুত শেষ করে ক্ষতিপূরণ হস্তান্তর সম্পন্ন করা হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন : স্বাভাবিক হচ্ছে রেল যোগাযোগ : চলবে ২১৮টি ট্রেন

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হিলটপ সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে দোহাজারী-কক্সবাজার ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, পুরোদমে কাজ চালিয়ে ২০২২ সালের জুন মাসেই সম্পন্ন হবে দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ নির্মাণ কাজ।

রেলপথ মন্ত্রী আরো বলেন, দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ নির্মাণ শেষ হলে পাল্টে যাবে কক্সবাজারের চিত্র। যোগাযোগ ব্যবস্থায় আসবে আমূল পরিবর্তন। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে যুগান্তকারী বিপ্লব ঘটবে। পর্যটক বৃদ্ধির পাশাপাশি যাতায়াত সুবিধা ভোগ করতে পারবে সাধারণ মানুষও।