Dhaka মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোবিন্দগঞ্জে চা দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি :

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় মহিদুল ইসলাম (আলস) সরদার (৪৮) নামের এক চা-দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যাকাণ্ডের পর তাঁর বাড়ির পাশের একটি ভিটায় মরদেহ ফেলে রাখা হয়।

বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত মহিদুল ইসলাম ওই গ্রামের নজির সরদারের ছেলে। মহিদুল স্থানীয় শিবপুর বাজারে চায়ের দোকান করতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দিবাগত গভীর রাতে মহিদুল ইসলামের মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে তাঁকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। দীর্ঘ সময় বাড়িতে তাঁকে না পেয়ে স্বজনেরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির পাশের একটি ভিটায় মহিদুলের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি পুলিশকে জানান। মরদেহের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

খবর পেয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানা-পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল আহমেদ বলেন, এটি একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড। হত্যার পেছনের কারণ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তে তদন্ত শুরু হয়েছে। দ্রুত অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা হবে।

আবহাওয়া

গোবিন্দগঞ্জে চা দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশের সময় : ০১:৩৫:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি :

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় মহিদুল ইসলাম (আলস) সরদার (৪৮) নামের এক চা-দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যাকাণ্ডের পর তাঁর বাড়ির পাশের একটি ভিটায় মরদেহ ফেলে রাখা হয়।

বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত মহিদুল ইসলাম ওই গ্রামের নজির সরদারের ছেলে। মহিদুল স্থানীয় শিবপুর বাজারে চায়ের দোকান করতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দিবাগত গভীর রাতে মহিদুল ইসলামের মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে তাঁকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। দীর্ঘ সময় বাড়িতে তাঁকে না পেয়ে স্বজনেরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির পাশের একটি ভিটায় মহিদুলের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা বিষয়টি পুলিশকে জানান। মরদেহের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

খবর পেয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানা-পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল আহমেদ বলেন, এটি একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড। হত্যার পেছনের কারণ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তে তদন্ত শুরু হয়েছে। দ্রুত অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা হবে।