Dhaka শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ১৫ দিনের কর্মসূচি দিলো জামায়াতসহ ১১ দল

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০২:১৭:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ২২১ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

জুলাই সনদ অনুযায়ী সংস্কারের জন্য গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত ১৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা ১১টি রাজনৈতিক দল।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) মগবাজার আল ফালাহ মিলনায়তনে ১১ দল আয়োজিত চলমান আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। কর্মসূচি ঘোষণা করেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানিয়ে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, এই ধাপের কর্মসূচি শেষে পরবর্তী ধাপে দেশের প্রতিটি সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় শহরে ১১ দলের উদ্যোগে বিশাল সমাবেশ হবে। সমাবেশসহ কর্মসূচির দিনক্ষণ পরবর্তী সময়ে ১১ দলের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকে ঠিক হবে। এরপর ১১ দল রাজধানীতে বিশাল সমাবেশ করবে। সেই সমাবেশ থেকে তার পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকার গণরায় মানছে না। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নই ১১ দলের আন্দোলনের প্রধান লক্ষ্য। জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দিয়ে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা ছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই। সে পর্যন্ত ১১ দল দফায় দফায় কর্মসূচি দেবে।

তিনি বলেন, আগামী ১৮ এপ্রিল ১১ দলের উদ্যোগে ঢাকায় গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ২৫ এপ্রিল ঢাকা ছাড়া বাকি সব বিভাগীয় শহরে গণমিছিল হবে। আগামী ২ মে সারাদেশে প্রতিটি জেলা শহরে গণমিছিল হবে।

কর্মসূচির আওতায় আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত প্রতিদিন গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহরে লিফলেট বিতরণ ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান তিনি।

গোলাম পরওয়ার জানান, ২ মে’র পর থেকে বিভাগীয় শহরে সমাবেশ হবে। ১২টি সিটি করপোরেশনে বিক্ষোভ সমাবেশ হবে। এসব সমাবেশে ১১ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন। এই রাউন্ড শেষ হওয়ার পর রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ হবে, সেটির তারিখ পরবর্তী সময়ে জানানো হবে।

এর আগে বেলা ১১টায় আল ফালাহ মিলনায়তনে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতৃত্বের এক বৈঠক শুরু হয়। চলমান আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণের লক্ষ্যে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত আমির শফিকুর রহমান।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান (ইরান), জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মুস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুসা বিন ইযহার প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দীন আহমদ, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুসা বিন ইযহার।

আবহাওয়া

বিগত দুই সরকার যথাসময়ে হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে : প্রধানমন্ত্রী

গণভোটের রায় বাস্তবায়নে ১৫ দিনের কর্মসূচি দিলো জামায়াতসহ ১১ দল

প্রকাশের সময় : ০২:১৭:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

জুলাই সনদ অনুযায়ী সংস্কারের জন্য গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত ১৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা ১১টি রাজনৈতিক দল।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) মগবাজার আল ফালাহ মিলনায়তনে ১১ দল আয়োজিত চলমান আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। কর্মসূচি ঘোষণা করেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানিয়ে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, এই ধাপের কর্মসূচি শেষে পরবর্তী ধাপে দেশের প্রতিটি সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় শহরে ১১ দলের উদ্যোগে বিশাল সমাবেশ হবে। সমাবেশসহ কর্মসূচির দিনক্ষণ পরবর্তী সময়ে ১১ দলের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকে ঠিক হবে। এরপর ১১ দল রাজধানীতে বিশাল সমাবেশ করবে। সেই সমাবেশ থেকে তার পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকার গণরায় মানছে না। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নই ১১ দলের আন্দোলনের প্রধান লক্ষ্য। জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দিয়ে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা ছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই। সে পর্যন্ত ১১ দল দফায় দফায় কর্মসূচি দেবে।

তিনি বলেন, আগামী ১৮ এপ্রিল ১১ দলের উদ্যোগে ঢাকায় গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ২৫ এপ্রিল ঢাকা ছাড়া বাকি সব বিভাগীয় শহরে গণমিছিল হবে। আগামী ২ মে সারাদেশে প্রতিটি জেলা শহরে গণমিছিল হবে।

কর্মসূচির আওতায় আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত প্রতিদিন গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহরে লিফলেট বিতরণ ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান তিনি।

গোলাম পরওয়ার জানান, ২ মে’র পর থেকে বিভাগীয় শহরে সমাবেশ হবে। ১২টি সিটি করপোরেশনে বিক্ষোভ সমাবেশ হবে। এসব সমাবেশে ১১ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন। এই রাউন্ড শেষ হওয়ার পর রাজধানীতে ১১ দলের সমাবেশ হবে, সেটির তারিখ পরবর্তী সময়ে জানানো হবে।

এর আগে বেলা ১১টায় আল ফালাহ মিলনায়তনে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতৃত্বের এক বৈঠক শুরু হয়। চলমান আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণের লক্ষ্যে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত আমির শফিকুর রহমান।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান (ইরান), জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মুস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুসা বিন ইযহার প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দীন আহমদ, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুসা বিন ইযহার।