Dhaka বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউএস-বাংলার মধ্যপ্রাচ্যের সব রুটে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

মধ্যপ্রাচ্যে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সৃষ্ট যুদ্ধাবস্থা ও বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞার কারণে বিশ্বের আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনসের ফ্লাইট চলাচলে বাধাগ্রস্ত হয়। এ কারণে দেশের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি উড়োজাহাজ সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ফ্লাইট সূচিতেও সাময়িক ব্যাঘাত ঘটে। বর্তমানে পরিস্থিতির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা প্রদানকারী ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সব রুটে আবারও স্বাভাবিক ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করেছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) মো. কামরুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

বর্তমানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস মধ্যপ্রাচ্যের দুবাই, শারজাহ, আবুধাবি, মাসকাট, দোহা, রিয়াদ ও জেদ্দা রুটে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক আরও জানান, সর্বশেষ সংযোজন হিসেবে ২৩ এপ্রিল থেকে ঢাকা-দোহা রুটে ফ্লাইট পুনরায় চালু হচ্ছে। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে দোহার উদ্দেশে ফ্লাইট ছেড়ে যাবে এবং একই দিন স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৩০ মিনিটে দোহা থেকে ঢাকার উদ্দেশে ফ্লাইট ফিরবে।

ঢাকা-মাসকাট রুটে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালিত হলেও মাসকাট থেকে ফ্লাইটটি চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকায় অবতরণ করছে। এ ছাড়া ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে প্রতিদিন দুবাই ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে। আবুধাবি রুটে সপ্তাহে ছয় দিন (বৃহস্পতিবার ব্যতীত) এবং শারজাহ রুটে সপ্তাহে চার দিন ফ্লাইট পরিচালনা করছে ইউএস-বাংলা।

সৌদি আরবের রিয়াদ রুটে সপ্তাহে পাঁচ দিন এবং জেদ্দা রুটে সপ্তাহে তিন দিন ফ্লাইট পরিচালনা করছে এয়ারলাইনসটি, যা প্রবাসী বাংলাদেশিদের যাতায়াতকে আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করছে।

মধ্যপ্রাচ্যের অধিকাংশ রুটে বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এবং রিয়াদ ও জেদ্দা রুটে এয়ারবাস ৩৩০-৩০০ উড়োজাহাজ দিয়ে ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বহরে ৩টি এয়ারবাস ৩৩০-৩০০, ৯টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০সহ মোট ২৫টি উড়োজাহাজ রয়েছে।

বর্তমান রুটগুলোর পাশাপাশি শিগগিরই মদিনা ও দাম্মাম রুটে ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের।

আবহাওয়া

ইউএস-বাংলার মধ্যপ্রাচ্যের সব রুটে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক

প্রকাশের সময় : ০২:১৪:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

মধ্যপ্রাচ্যে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সৃষ্ট যুদ্ধাবস্থা ও বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞার কারণে বিশ্বের আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনসের ফ্লাইট চলাচলে বাধাগ্রস্ত হয়। এ কারণে দেশের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি উড়োজাহাজ সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ফ্লাইট সূচিতেও সাময়িক ব্যাঘাত ঘটে। বর্তমানে পরিস্থিতির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা প্রদানকারী ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সব রুটে আবারও স্বাভাবিক ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করেছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) মো. কামরুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

বর্তমানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস মধ্যপ্রাচ্যের দুবাই, শারজাহ, আবুধাবি, মাসকাট, দোহা, রিয়াদ ও জেদ্দা রুটে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক আরও জানান, সর্বশেষ সংযোজন হিসেবে ২৩ এপ্রিল থেকে ঢাকা-দোহা রুটে ফ্লাইট পুনরায় চালু হচ্ছে। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে দোহার উদ্দেশে ফ্লাইট ছেড়ে যাবে এবং একই দিন স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৩০ মিনিটে দোহা থেকে ঢাকার উদ্দেশে ফ্লাইট ফিরবে।

ঢাকা-মাসকাট রুটে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালিত হলেও মাসকাট থেকে ফ্লাইটটি চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকায় অবতরণ করছে। এ ছাড়া ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে প্রতিদিন দুবাই ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে। আবুধাবি রুটে সপ্তাহে ছয় দিন (বৃহস্পতিবার ব্যতীত) এবং শারজাহ রুটে সপ্তাহে চার দিন ফ্লাইট পরিচালনা করছে ইউএস-বাংলা।

সৌদি আরবের রিয়াদ রুটে সপ্তাহে পাঁচ দিন এবং জেদ্দা রুটে সপ্তাহে তিন দিন ফ্লাইট পরিচালনা করছে এয়ারলাইনসটি, যা প্রবাসী বাংলাদেশিদের যাতায়াতকে আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করছে।

মধ্যপ্রাচ্যের অধিকাংশ রুটে বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এবং রিয়াদ ও জেদ্দা রুটে এয়ারবাস ৩৩০-৩০০ উড়োজাহাজ দিয়ে ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বহরে ৩টি এয়ারবাস ৩৩০-৩০০, ৯টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০সহ মোট ২৫টি উড়োজাহাজ রয়েছে।

বর্তমান রুটগুলোর পাশাপাশি শিগগিরই মদিনা ও দাম্মাম রুটে ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের।