৭০ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০৫:১৭:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৮১ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

সরকার সংবিধানের বহুল আলোচিত ৭০ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, সংশোধিত বিধান অনুযায়ীই ভবিষ্যতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর পর দেশে সাংবিধানিকভাবে একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের নির্বাচনে বিরোধী দলের প্রার্থীও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য এ ধরনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকা উচিত এবং এ ধরনের নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের জনগণ প্রত্যাশিত গণতান্ত্রিক চর্চার বাস্তব প্রতিফলন দেখতে পাবে।

সংবিধান সংশোধন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে গঠিত কমিটিতে এখনো বিরোধী দল অংশ নেয়নি। তবে সরকার সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনার বিষয়টি প্রক্রিয়ার মধ্যে রেখেছে এবং ভবিষ্যতে তা বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি স্পষ্ট করে উল্লেখ করেন যে, পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংশোধিত ৭০ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ীই অনুষ্ঠিত হবে।

বর্তমান সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো সংসদ সদস্য দলীয় সিদ্ধান্তের বিপক্ষে ভোট দিলে তার সংসদীয় আসন শূন্য হয়ে যায়। এই বিধানকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক বিতর্ক চলে আসছে এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে এ অনুচ্ছেদ নিয়ে নতুন করে আলোচনার ঝড় উঠেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ৭০ অনুচ্ছেদে সম্ভাব্য পরিবর্তন সংসদ সদস্যদের ভোটাধিকার প্রয়োগে অধিক স্বাধীনতা এনে দিতে পারে, যা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অনেকবার রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এবার দুই পক্ষের প্রার্থী থাকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্য দিয়ে নির্বাচন হচ্ছে। গণতান্ত্রিক চর্চার দিক থেকে এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি মুহূর্ত। সারা দেশের মানুষ এই নির্বাচন প্রত্যক্ষ করবেন। আশা করি, এর মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ প্রত্যাশিত গণতান্ত্রিক চর্চার একটি চিত্র দেখতে পাবেন।

তিনি বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই নির্বাচন দেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে। তার আশা, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গণতান্ত্রিক চর্চার যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংসদ সদস্যদের দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দেওয়ার সুযোগ না থাকা এবং সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে বিরোধী দলের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান সংশোধনের জন্য ইতোমধ্যে সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে ওই কমিটিতে বিরোধী দলের সদস্যরা এখনো যোগ দেননি।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সংবিধান সংশোধনের যে উদ্যোগ নেওয়া হবে, সেখানে ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়েও পরিবর্তন আসার সুযোগ রয়েছে। জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এ বিষয়ে একটি সমঝোতাও হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে চারটি বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে অর্থবিল এবং সরকারের ওপর আস্থা বা অনাস্থা ও অভিশংসনের মতো বিষয়ে সংসদ সদস্যদের দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকবে না- এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মোটামুটি ঐকমত্য রয়েছে।

অন্যদিকে, সংবিধান সংশোধনসংক্রান্ত বিল এবং যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ভোট দেওয়ার বিষয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে বিএনপির পক্ষ থেকে ভিন্নমত বা ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমাদের নোট অব ডিসেন্ট আছে যে, সংবিধান সংশোধনসংক্রান্ত বিল এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির ক্ষেত্রেও সংসদ সদস্যরা দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভোট দেবেন। জাতীয় স্বার্থের বিষয়টি বিবেচনা করেই আমরা এই অবস্থান নিয়েছি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জুলাই জাতীয় সনদে ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে যেভাবে রাজনৈতিক সমঝোতা হয়েছে, ভবিষ্যতে সংবিধান সংশোধনের সময় সেটি বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে। তবে এখনো সংবিধানে সেই পরিবর্তন কার্যকর হয়নি। তাই বর্তমান রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিদ্যমান সাংবিধানিক বিধান অনুসারেই হচ্ছে বলে জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এখনো সংবিধান সংশোধন হয়নি। সুতরাং বিদ্যমান সংবিধানে যে বিধান রয়েছে, সেই অনুযায়ীই এই ভোট হবে। সংসদ সদস্যরা যে দলের পক্ষ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন, সেই দলের সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা অনুসারেই ভোট দেবেন।’

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধিত হলে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনসহ সংসদীয় কার্যক্রমে তার প্রভাব পড়বে। তবে বর্তমান নির্বাচনে নতুন কোনো বিধান প্রয়োগের সুযোগ নেই।

জাতীয় সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণকে ঘিরে এদিন সংসদ সদস্যদের উপস্থিতি ও রাজনৈতিক দলগুলোর তৎপরতায় ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে ভোটের এই আয়োজন দেশবাসীর সামনে তুলে ধরার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। ফলে দীর্ঘ বিরতির পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

এ বছর হচ্ছে না বিপিএল, জানালেন তামিম

৭০ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৫:১৭:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

সরকার সংবিধানের বহুল আলোচিত ৭০ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, সংশোধিত বিধান অনুযায়ীই ভবিষ্যতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর পর দেশে সাংবিধানিকভাবে একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের নির্বাচনে বিরোধী দলের প্রার্থীও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য এ ধরনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকা উচিত এবং এ ধরনের নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের জনগণ প্রত্যাশিত গণতান্ত্রিক চর্চার বাস্তব প্রতিফলন দেখতে পাবে।

সংবিধান সংশোধন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে গঠিত কমিটিতে এখনো বিরোধী দল অংশ নেয়নি। তবে সরকার সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনার বিষয়টি প্রক্রিয়ার মধ্যে রেখেছে এবং ভবিষ্যতে তা বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি স্পষ্ট করে উল্লেখ করেন যে, পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংশোধিত ৭০ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ীই অনুষ্ঠিত হবে।

বর্তমান সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো সংসদ সদস্য দলীয় সিদ্ধান্তের বিপক্ষে ভোট দিলে তার সংসদীয় আসন শূন্য হয়ে যায়। এই বিধানকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক বিতর্ক চলে আসছে এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে এ অনুচ্ছেদ নিয়ে নতুন করে আলোচনার ঝড় উঠেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ৭০ অনুচ্ছেদে সম্ভাব্য পরিবর্তন সংসদ সদস্যদের ভোটাধিকার প্রয়োগে অধিক স্বাধীনতা এনে দিতে পারে, যা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অনেকবার রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এবার দুই পক্ষের প্রার্থী থাকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্য দিয়ে নির্বাচন হচ্ছে। গণতান্ত্রিক চর্চার দিক থেকে এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি মুহূর্ত। সারা দেশের মানুষ এই নির্বাচন প্রত্যক্ষ করবেন। আশা করি, এর মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ প্রত্যাশিত গণতান্ত্রিক চর্চার একটি চিত্র দেখতে পাবেন।

তিনি বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই নির্বাচন দেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে। তার আশা, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গণতান্ত্রিক চর্চার যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংসদ সদস্যদের দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দেওয়ার সুযোগ না থাকা এবং সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে বিরোধী দলের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান সংশোধনের জন্য ইতোমধ্যে সংসদীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে ওই কমিটিতে বিরোধী দলের সদস্যরা এখনো যোগ দেননি।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সংবিধান সংশোধনের যে উদ্যোগ নেওয়া হবে, সেখানে ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়েও পরিবর্তন আসার সুযোগ রয়েছে। জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এ বিষয়ে একটি সমঝোতাও হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে চারটি বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে অর্থবিল এবং সরকারের ওপর আস্থা বা অনাস্থা ও অভিশংসনের মতো বিষয়ে সংসদ সদস্যদের দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকবে না- এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মোটামুটি ঐকমত্য রয়েছে।

অন্যদিকে, সংবিধান সংশোধনসংক্রান্ত বিল এবং যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ভোট দেওয়ার বিষয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে বিএনপির পক্ষ থেকে ভিন্নমত বা ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমাদের নোট অব ডিসেন্ট আছে যে, সংবিধান সংশোধনসংক্রান্ত বিল এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির ক্ষেত্রেও সংসদ সদস্যরা দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভোট দেবেন। জাতীয় স্বার্থের বিষয়টি বিবেচনা করেই আমরা এই অবস্থান নিয়েছি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জুলাই জাতীয় সনদে ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে যেভাবে রাজনৈতিক সমঝোতা হয়েছে, ভবিষ্যতে সংবিধান সংশোধনের সময় সেটি বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে। তবে এখনো সংবিধানে সেই পরিবর্তন কার্যকর হয়নি। তাই বর্তমান রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিদ্যমান সাংবিধানিক বিধান অনুসারেই হচ্ছে বলে জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এখনো সংবিধান সংশোধন হয়নি। সুতরাং বিদ্যমান সংবিধানে যে বিধান রয়েছে, সেই অনুযায়ীই এই ভোট হবে। সংসদ সদস্যরা যে দলের পক্ষ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন, সেই দলের সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা অনুসারেই ভোট দেবেন।’

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধিত হলে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনসহ সংসদীয় কার্যক্রমে তার প্রভাব পড়বে। তবে বর্তমান নির্বাচনে নতুন কোনো বিধান প্রয়োগের সুযোগ নেই।

জাতীয় সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণকে ঘিরে এদিন সংসদ সদস্যদের উপস্থিতি ও রাজনৈতিক দলগুলোর তৎপরতায় ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে ভোটের এই আয়োজন দেশবাসীর সামনে তুলে ধরার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। ফলে দীর্ঘ বিরতির পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।