মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল গরু চোর আওয়ামী লীগ নেতার ছেলে কেয়াইন ইউনিয়ন যুবলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সোহেলসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৯ মে) রাতে জেলার সিরাজদীখান উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নের হাজীগাও এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- সিরাজদিখান উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নের কুচিয়ামোড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইসরাফিলের ছেলে সোহেল (৩৭) এবং অপর আসামি কসাই মকবুল সিরাজদিখান থানার বাসাইল এলাকার মৃত মোকলেস মিয়ার ছেলে।
পরে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি ও কসাইয়ের দেওয়া তথ্য মতে চোরাই গরু জবাই করে মাংস বিক্রি করা এবং তার ফ্রিজ থেকে জবাইকৃত চোরাই গরুর ৪টি পা উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও এ সময় তাদের কাছ থেকে গরু বিক্রির ৫৬৭৫ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
জানা যায়, ৬ মে দুপুর ৩টার দিকে কেয়াইন ইউনিয়নের ঘোরামাড়া গ্রামের কালুর বাড়ির সামনে থকে গরু চোরির ঘটনা ঘটে। ওই দিন বিকাল সাড়ে ৩ টার দিকে কৌশলে ভুক্তভোগীর বাড়ির সামনের চক (জমি) থেকে একটি লাল রংয়ের ষাঁড় গরু চুরি করে নিয়ে যায়। গরু চুরির ঘটনায় একটি সিসি টিভি ফুটেজ পাওয়া যায়। সিসি টিভি ফুটেজে দেখা যায় কেয়াইন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইসরাফিলের ছেলে সোহেলসহ অজ্ঞাত আরো দুইজন গরুটি চোরি করে নিয়ে যায়। সিসি টিভি ফুটেজসহ ওই নিজউটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি ভাইরাল হয়ে পরে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নের ঘোরামাড়া গ্রামের মৃত তুফানী মণ্ডলের ছেলে শুসংকর মণ্ডল কালু সিরাজদিখান থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
সিরাজদীখান থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল হান্নান জানান, উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নের ঘোড়ামারা গ্রামের মৃত তুফানী মণ্ডলের ছেলে শুসংকর মণ্ডলের অভিযোগের ভিত্তিতে সিরাজদিখান ও শ্রীনগর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গরু বিক্রির ৫৬৭৫ টাকা ও গরুর চারটি পা সহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি 





















