মাদ্রাসাসহ বেতন বঞ্চিত শিক্ষকদের সমস্যার সমাধান শিগগিরই : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

মাদ্রাসাসহ বেতন বঞ্চিত শিক্ষকদের সমস্যার সমাধান হবে শিগগিরই বলে জানিয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, পূর্বের বকেয়াসহ নিয়মিত বেতনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইআইবি) অধিভুক্ত ফাজিল ও কামিল স্তরের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অনন্য শিক্ষার্থীদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ইসলামি শিক্ষাকে কোনোভাবেই কোনো দল বা মতের হতে দেবে না সরকার-এমন মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জাতীয় নির্বাচনের পরপরই ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাত জন পদত্যাগ করলেন অথচ অন্য কোথাও এ ঘটনা ঘটেনি। খোঁজ নিয়ে দেখা গেল রাজনৈতিক ভিন্ন মতাদর্শ ছিল পদত্যাগকারীদের। যে লক্ষ্যে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হয়েছে সেটা করতে সরকার বদ্ধপরিকর।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রয়োজন মেনে ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ হলেও বাজেটে তাদের জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি জানিয়ে-এ ব্যর্থতা কোনোভাবেই ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেয়া সরকারের নয় বলেও মন্তব্য করেন শিক্ষামন্ত্রী।

১৪’শ বেশি মাদ্রাসা শিক্ষক বেতন পাননি, এটা সরকারের ব্যর্থতা নয়-এ কথা জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে যা প্রয়োজন ছিলো। কিন্তু বাজেটে তাদের জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। সরকার গঠনের পর দেখা গেল ৫০১ কোটি টাকা প্রয়োজন কিন্তু সেটাও নেই। তবে জুলাই থেকে বেতন পাবেন শিক্ষকরা।

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৯ কোটি টাকা প্রয়োজন বেতনের জন্য, যেদিক তাকাই সেদিকেই সমস্যা-এ কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আবার কওমি শিক্ষা ব্যবস্থায় তাদের নিজেদের মতবিরোধের কারণে সরকার গুছিয়ে উঠতে পারছে না।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবতেদায়ী মাদ্রাসা এমপিওর জন্য অনশন করছে। অথচ ৩৫ শতক জমিতে প্রতিষ্ঠান এবং এনটিআরসি থেকে শিক্ষক নিবন্ধনের শর্তে তাদের এমপিও পাওয়ার কথা। হঠাৎ করে আওয়ামী সরকার ২৩ শতক জমিতে প্রতিষ্ঠান নির্মাণের শর্ত ঠিক করলো, পাশাপাশি ব্যানবেইস থেকে এদের যে নম্বর দেয়া হয় সেগুলোর কোনো ইন্সপেকশন নেই। এখন সরকার গঠনের পরে অথৈ সাগরে আমরা।

ইসলামি শিক্ষাকে শুধু ধর্মীয় শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে জাতীয় উন্নয়ন, নৈতিকতা ও দক্ষ মানবসম্পদ গঠনের মূলধারায় নিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ইসলামি শিক্ষার মূল লক্ষ্য মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ গড়ে তোলা। এ খাতকে সময়োপযোগী ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে গবেষণা, দক্ষ শিক্ষক এবং যুগোপযোগী কারিকুলামের বিকল্প নেই।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষাকে শুধু প্রচলিত কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। এমনভাবে এই খাতকে গড়ে তুলতে হবে, যাতে এখানকার শিক্ষার্থীরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করতে পারে। এ ক্ষেত্রে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও কার্যকর, গবেষণানির্ভর ও পরিকল্পিত ভূমিকা নিতে হবে।

তিনি বলেন, অতীতে মাদ্রাসা শিক্ষার কাঠামো ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা ছিল। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় সরকার শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও সমন্বিত ও কার্যকর করার উদ্যোগ নিয়েছে। ফাজিল-কামিল শিক্ষাকে মূলধারার উচ্চশিক্ষার সঙ্গে আরও শক্তভাবে যুক্ত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা এখন আরও বেশি অনুভূত হচ্ছে। ইসলামি শিক্ষা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এর জন্য প্রয়োজন দক্ষ শিক্ষক, আধুনিকায়িত শিক্ষাব্যবস্থা এবং বাস্তবমুখী কারিকুলাম।

মাদ্রাসা খাতে শিক্ষক সংকটের বিষয় তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অনেক প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যাচ্ছে না। বিশেষ করে ইসলামি শিক্ষায় দক্ষ শিক্ষক পাওয়া বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় কারিকুলাম উন্নয়ন ও শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও সক্রিয় হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নতুন নিয়োগ পাওয়া কিছু মাদ্রাসা শিক্ষকের বেতনসংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি সরকারের নজরে রয়েছে এবং তা সমাধানে কাজ চলছে। ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে ভবিষ্যতে বেতন পরিশোধ প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শুধু সনদ অর্জন নয়, জ্ঞান, গবেষণা ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। ইসলামি শিক্ষার শিক্ষার্থীদেরও দেশের সব খাতে অবদান রাখার সক্ষমতা তৈরি করতে হবে। ফাজিল–কামিল শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা, বিসিএসসহ বিভিন্ন জাতীয় সুযোগের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ অতীতেও নেওয়া হয়েছে এবং তা আরও সম্প্রসারণ করা হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু জাফর খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) ড. মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ড. মোহাম্মদ ইলিয়াছ ছিদ্দিকী, ট্রেজারার শাহীনুল ইসলাম, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, অধ্যক্ষ, শিক্ষক এবং দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

ফেনীতে ট্রাক্টরের ধাক্কায় অটোরিকশার যাত্রী নিহত

মাদ্রাসাসহ বেতন বঞ্চিত শিক্ষকদের সমস্যার সমাধান শিগগিরই : শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ১২:৪৬:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

মাদ্রাসাসহ বেতন বঞ্চিত শিক্ষকদের সমস্যার সমাধান হবে শিগগিরই বলে জানিয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, পূর্বের বকেয়াসহ নিয়মিত বেতনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইআইবি) অধিভুক্ত ফাজিল ও কামিল স্তরের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অনন্য শিক্ষার্থীদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ইসলামি শিক্ষাকে কোনোভাবেই কোনো দল বা মতের হতে দেবে না সরকার-এমন মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জাতীয় নির্বাচনের পরপরই ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাত জন পদত্যাগ করলেন অথচ অন্য কোথাও এ ঘটনা ঘটেনি। খোঁজ নিয়ে দেখা গেল রাজনৈতিক ভিন্ন মতাদর্শ ছিল পদত্যাগকারীদের। যে লক্ষ্যে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হয়েছে সেটা করতে সরকার বদ্ধপরিকর।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রয়োজন মেনে ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ হলেও বাজেটে তাদের জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি জানিয়ে-এ ব্যর্থতা কোনোভাবেই ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেয়া সরকারের নয় বলেও মন্তব্য করেন শিক্ষামন্ত্রী।

১৪’শ বেশি মাদ্রাসা শিক্ষক বেতন পাননি, এটা সরকারের ব্যর্থতা নয়-এ কথা জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে যা প্রয়োজন ছিলো। কিন্তু বাজেটে তাদের জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। সরকার গঠনের পর দেখা গেল ৫০১ কোটি টাকা প্রয়োজন কিন্তু সেটাও নেই। তবে জুলাই থেকে বেতন পাবেন শিক্ষকরা।

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৯ কোটি টাকা প্রয়োজন বেতনের জন্য, যেদিক তাকাই সেদিকেই সমস্যা-এ কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আবার কওমি শিক্ষা ব্যবস্থায় তাদের নিজেদের মতবিরোধের কারণে সরকার গুছিয়ে উঠতে পারছে না।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবতেদায়ী মাদ্রাসা এমপিওর জন্য অনশন করছে। অথচ ৩৫ শতক জমিতে প্রতিষ্ঠান এবং এনটিআরসি থেকে শিক্ষক নিবন্ধনের শর্তে তাদের এমপিও পাওয়ার কথা। হঠাৎ করে আওয়ামী সরকার ২৩ শতক জমিতে প্রতিষ্ঠান নির্মাণের শর্ত ঠিক করলো, পাশাপাশি ব্যানবেইস থেকে এদের যে নম্বর দেয়া হয় সেগুলোর কোনো ইন্সপেকশন নেই। এখন সরকার গঠনের পরে অথৈ সাগরে আমরা।

ইসলামি শিক্ষাকে শুধু ধর্মীয় শিক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে জাতীয় উন্নয়ন, নৈতিকতা ও দক্ষ মানবসম্পদ গঠনের মূলধারায় নিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ইসলামি শিক্ষার মূল লক্ষ্য মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ গড়ে তোলা। এ খাতকে সময়োপযোগী ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে গবেষণা, দক্ষ শিক্ষক এবং যুগোপযোগী কারিকুলামের বিকল্প নেই।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মাদ্রাসা শিক্ষাকে শুধু প্রচলিত কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। এমনভাবে এই খাতকে গড়ে তুলতে হবে, যাতে এখানকার শিক্ষার্থীরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করতে পারে। এ ক্ষেত্রে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও কার্যকর, গবেষণানির্ভর ও পরিকল্পিত ভূমিকা নিতে হবে।

তিনি বলেন, অতীতে মাদ্রাসা শিক্ষার কাঠামো ও প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা ছিল। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় সরকার শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও সমন্বিত ও কার্যকর করার উদ্যোগ নিয়েছে। ফাজিল-কামিল শিক্ষাকে মূলধারার উচ্চশিক্ষার সঙ্গে আরও শক্তভাবে যুক্ত করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় নৈতিক শিক্ষা ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা এখন আরও বেশি অনুভূত হচ্ছে। ইসলামি শিক্ষা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এর জন্য প্রয়োজন দক্ষ শিক্ষক, আধুনিকায়িত শিক্ষাব্যবস্থা এবং বাস্তবমুখী কারিকুলাম।

মাদ্রাসা খাতে শিক্ষক সংকটের বিষয় তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অনেক প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যাচ্ছে না। বিশেষ করে ইসলামি শিক্ষায় দক্ষ শিক্ষক পাওয়া বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় কারিকুলাম উন্নয়ন ও শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও সক্রিয় হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নতুন নিয়োগ পাওয়া কিছু মাদ্রাসা শিক্ষকের বেতনসংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি সরকারের নজরে রয়েছে এবং তা সমাধানে কাজ চলছে। ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে ভবিষ্যতে বেতন পরিশোধ প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শুধু সনদ অর্জন নয়, জ্ঞান, গবেষণা ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। ইসলামি শিক্ষার শিক্ষার্থীদেরও দেশের সব খাতে অবদান রাখার সক্ষমতা তৈরি করতে হবে। ফাজিল–কামিল শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা, বিসিএসসহ বিভিন্ন জাতীয় সুযোগের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ অতীতেও নেওয়া হয়েছে এবং তা আরও সম্প্রসারণ করা হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু জাফর খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) ড. মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ড. মোহাম্মদ ইলিয়াছ ছিদ্দিকী, ট্রেজারার শাহীনুল ইসলাম, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, অধ্যক্ষ, শিক্ষক এবং দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।