মনোনয়ন বাণিজ্য গোপনে হয়, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা : ইসি সানাউল্লাহ

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

মনোনয়ন বাণিজ্য গোপনে হয় উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন বাণিজ্যের বিষয়ে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন তিনি।

ইসি সানাউল্লাহ বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের স্বার্থের বাইরে যেতে চায় না। রাষ্ট্রের স্বার্থে এমন মতাদর্শ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

ঋণখেলাপিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে আরপিও (গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ) সংশোধন করে আইনও হয়েছে বলে জানান মো. সানাউল্লাহ।

সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে কমিশনের স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়ার ক্ষমতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আইন সংশোধন করে এই ক্ষমতা ইসিকে দেওয়া হয়েছে। কোনো সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে যদি কোনো অনিয়মের অভিযোগ আসে, তাহলে এখন নির্বাচন কমিশনও চাইলে স্বপ্রণোদিত হয়ে তা তদন্ত করতে পারবে। অভিযোগ প্রমাণ হলে তিনি তার সংসদ সদস্য পদ হারাতে পারেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে অতীতে স্পিকারের মাধ্যমে ইসির কাছে অভিযোগ যাচাইয়ের জন্য পাঠানোর যে বিধান ছিল, তার চর্চা কখনো শুরু হয়নি। নতুন সংশোধনী ইসিকে সরাসরি উদ্যোগ নেওয়ার ক্ষমতা দিয়েছে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

প্রবাসফেরত অসুস্থ জামালকে রাস্তার পাশে ফেলে গেল স্ত্রী-সন্তান

মনোনয়ন বাণিজ্য গোপনে হয়, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা : ইসি সানাউল্লাহ

প্রকাশের সময় : ০৬:১৭:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

মনোনয়ন বাণিজ্য গোপনে হয় উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন বাণিজ্যের বিষয়ে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন তিনি।

ইসি সানাউল্লাহ বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের স্বার্থের বাইরে যেতে চায় না। রাষ্ট্রের স্বার্থে এমন মতাদর্শ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

ঋণখেলাপিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে আরপিও (গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ) সংশোধন করে আইনও হয়েছে বলে জানান মো. সানাউল্লাহ।

সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে কমিশনের স্বপ্রণোদিত হয়ে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়ার ক্ষমতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আইন সংশোধন করে এই ক্ষমতা ইসিকে দেওয়া হয়েছে। কোনো সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে যদি কোনো অনিয়মের অভিযোগ আসে, তাহলে এখন নির্বাচন কমিশনও চাইলে স্বপ্রণোদিত হয়ে তা তদন্ত করতে পারবে। অভিযোগ প্রমাণ হলে তিনি তার সংসদ সদস্য পদ হারাতে পারেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে অতীতে স্পিকারের মাধ্যমে ইসির কাছে অভিযোগ যাচাইয়ের জন্য পাঠানোর যে বিধান ছিল, তার চর্চা কখনো শুরু হয়নি। নতুন সংশোধনী ইসিকে সরাসরি উদ্যোগ নেওয়ার ক্ষমতা দিয়েছে।