Dhaka বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তুলতে জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ জনগণকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় স্টেডিয়াম এলাকায় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ‘ক্লিন ঢাকা’ বাস্তবায়নে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন অভিযানে অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।

ইশরাক হোসেন বলেন, আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তুলতে নিজ নিজ বাসার আশপাশের এলাকা পরিষ্কারের দায়িত্ব দেশের প্রতিটি নাগরিককে নিতে হবে।

তিনি বলেন, শুধু কর্মসূচি পালন করলেই হবে না, নগর পরিচ্ছন্ন রাখতে জনগণের সচেতনতা ও ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ সবচেয়ে বেশি জরুরি।

ইশরাক হোসেন বলেন, বর্তমানে ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় ময়লা-আবর্জনার স্তূপ দেখা যায়। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে সবাইকে সচেতন হতে হবে। নাগরিকরা যদি নিজেরা সতর্ক না হন, তাহলে কোনো উদ্যোগের মাধ্যমেই রাজধানীকে পুরোপুরি পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব হবে না।

মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা যখন বিদেশে যাই, তখন সেখানকার নিয়ম-কানুন মেনে চলি। রাস্তাঘাট পরিষ্কার রাখি, যেখানে সেখানে ময়লা ফেলি না। অথচ নিজেদের দেশে এসে অনেক সময় সেই অভ্যাস বদলে যায়। মনের অজান্তেই আমরা রাস্তা বা ড্রেনের ওপর টিস্যু, প্লাস্টিক কিংবা অন্য ময়লা ফেলে দিই। এই সংস্কৃতি থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন, প্রয়োজনে হাতে থাকা ময়লা পকেটে রেখে দিতে হবে, তবুও রাস্তায় ফেলা যাবে না। নগরকে পরিষ্কার রাখতে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনারও প্রয়োজন রয়েছে।

বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদেরও ‘ক্লিন ঢাকা’ কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা নিজ নিজ এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি জনগণের মধ্যে সচেতনতামূলক বার্তা পৌঁছে দিতে কাজ করবেন। নগর ব্যবস্থাপনায় ডাস্টবিন, পাবলিক টয়লেট এবং নির্দিষ্ট বর্জ্য ফেলার স্থান বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে উন্মুক্ত স্থানে মলমূত্র ত্যাগের মতো ‘খারাপ সংস্কৃতি’ দূর করতে পর্যাপ্ত পাবলিক টয়লেট নির্মাণ জরুরি।

তিনি বলেন, আগামী দিনে সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা নিতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে সরকারও এ বিষয়ে উদ্যোগী ভূমিকা পালন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

 

আবহাওয়া

ধান, পাট কিংবা মাছ কোনো ক্ষেত্রেই এক ইঞ্চি জমি বা জলাশয় অনাবাদি রাখা যাবে না : কৃষিমন্ত্রী

পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের

প্রকাশের সময় : ০৩:৩৪:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তুলতে জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ জনগণকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় স্টেডিয়াম এলাকায় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ‘ক্লিন ঢাকা’ বাস্তবায়নে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন অভিযানে অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।

ইশরাক হোসেন বলেন, আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তুলতে নিজ নিজ বাসার আশপাশের এলাকা পরিষ্কারের দায়িত্ব দেশের প্রতিটি নাগরিককে নিতে হবে।

তিনি বলেন, শুধু কর্মসূচি পালন করলেই হবে না, নগর পরিচ্ছন্ন রাখতে জনগণের সচেতনতা ও ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ সবচেয়ে বেশি জরুরি।

ইশরাক হোসেন বলেন, বর্তমানে ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় ময়লা-আবর্জনার স্তূপ দেখা যায়। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে সবাইকে সচেতন হতে হবে। নাগরিকরা যদি নিজেরা সতর্ক না হন, তাহলে কোনো উদ্যোগের মাধ্যমেই রাজধানীকে পুরোপুরি পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব হবে না।

মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা যখন বিদেশে যাই, তখন সেখানকার নিয়ম-কানুন মেনে চলি। রাস্তাঘাট পরিষ্কার রাখি, যেখানে সেখানে ময়লা ফেলি না। অথচ নিজেদের দেশে এসে অনেক সময় সেই অভ্যাস বদলে যায়। মনের অজান্তেই আমরা রাস্তা বা ড্রেনের ওপর টিস্যু, প্লাস্টিক কিংবা অন্য ময়লা ফেলে দিই। এই সংস্কৃতি থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন, প্রয়োজনে হাতে থাকা ময়লা পকেটে রেখে দিতে হবে, তবুও রাস্তায় ফেলা যাবে না। নগরকে পরিষ্কার রাখতে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনারও প্রয়োজন রয়েছে।

বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদেরও ‘ক্লিন ঢাকা’ কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা নিজ নিজ এলাকায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি জনগণের মধ্যে সচেতনতামূলক বার্তা পৌঁছে দিতে কাজ করবেন। নগর ব্যবস্থাপনায় ডাস্টবিন, পাবলিক টয়লেট এবং নির্দিষ্ট বর্জ্য ফেলার স্থান বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষ করে উন্মুক্ত স্থানে মলমূত্র ত্যাগের মতো ‘খারাপ সংস্কৃতি’ দূর করতে পর্যাপ্ত পাবলিক টয়লেট নির্মাণ জরুরি।

তিনি বলেন, আগামী দিনে সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা নিতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে সরকারও এ বিষয়ে উদ্যোগী ভূমিকা পালন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।