ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্ল্যানারি সেশনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

চীনের দালিয়ানে চলমান ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্ল্যানারি সেশনে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (২৪ জুন) চীনের স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ান শহরের দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘বিস্তৃত পরিসরে উদ্ভাবন’ শীর্ষক এ প্ল্যানারি সেশন শুরু হয়।

সেশনে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) উদ্বোধনী বক্তব্য প্রদান করেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, প্ল্যানারি সেশনে বাংলাদেশ ছাড়াও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিম মিন-সিওক, কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওলজাস বেকতেনভ, মঙ্গোলিয়ার প্রধানমন্ত্রী উছরাল নিয়াম-ওসর, মন্টিনিগ্রোর প্রধানমন্ত্রী মিলোজকো স্পাজিচ এবং গিনির প্রধানমন্ত্রী আমাদু ওউরি বাহ অংশ নেন।

সেশনের সাইডলাইনে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

এ ছাড়া সেশনের বিরতিতে বিশ্বনেতারা একটি ফটোসেশনে অংশ নেন।

এর আগে মঙ্গলবার দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ডব্লিউইএফের প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগি। বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের অগ্রগতির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে কর-সুবিধা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পূরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

জবাবে আলোইস জভিংগি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিজ্ঞতা ও উদ্যোগ বৈশ্বিক পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীলতা এবং টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রম আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী ও অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর আগ্রহ বাড়াবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি বাংলাদেশের উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন এবং ডব্লিউইএফের পক্ষ থেকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

বৈঠকের একপর্যায়ে আলোইস জভিংগি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিতব্য ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

শেষ পত্রে দেখা মিলবে তিন কিংবদন্তির

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্ল্যানারি সেশনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ১১:৪১:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

চীনের দালিয়ানে চলমান ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্ল্যানারি সেশনে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (২৪ জুন) চীনের স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ান শহরের দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘বিস্তৃত পরিসরে উদ্ভাবন’ শীর্ষক এ প্ল্যানারি সেশন শুরু হয়।

সেশনে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) উদ্বোধনী বক্তব্য প্রদান করেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, প্ল্যানারি সেশনে বাংলাদেশ ছাড়াও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিম মিন-সিওক, কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওলজাস বেকতেনভ, মঙ্গোলিয়ার প্রধানমন্ত্রী উছরাল নিয়াম-ওসর, মন্টিনিগ্রোর প্রধানমন্ত্রী মিলোজকো স্পাজিচ এবং গিনির প্রধানমন্ত্রী আমাদু ওউরি বাহ অংশ নেন।

সেশনের সাইডলাইনে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

এ ছাড়া সেশনের বিরতিতে বিশ্বনেতারা একটি ফটোসেশনে অংশ নেন।

এর আগে মঙ্গলবার দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ডব্লিউইএফের প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগি। বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের অগ্রগতির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে কর-সুবিধা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পূরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

জবাবে আলোইস জভিংগি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিজ্ঞতা ও উদ্যোগ বৈশ্বিক পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীলতা এবং টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রম আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী ও অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর আগ্রহ বাড়াবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি বাংলাদেশের উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন এবং ডব্লিউইএফের পক্ষ থেকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

বৈঠকের একপর্যায়ে আলোইস জভিংগি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিতব্য ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান।