Dhaka বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আড়াই’শ তিমিকে বর্বর হত্যা : লালে লাল ফারোই দ্বীপের সৈকত

  • যোগাযোগ ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ১০:৪৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২০
  • ৩১৪ জন দেখেছেন

আড়াই’শ তিমিকে বর্বর হত্যার ফলে লালে লাল হয়ে উঠেছে ফারোই দ্বীপের সৈকত। জানা যায়, ডেনমার্কে বছরে কম করে হলেও ৮’শ তিমিকে হত্যা করা হয়। করোনকালেও সে হত্যা থেমে নেই।

এবার ওই বাৎসরিক মহোৎসবে প্রথম শিকারে একদিনেই আড়াই’শ তিমিকে হত্যার পর টুকরো টুকুরো করে ফেলা হয় । হাজার বছর ধরে এ তিমি হত্যার মহোৎসব চলে আসছে। জেলেরা সাগরে জাল ফেলে ধরে তিরে নিয়ে আসে তারপর শুরু হয় বর্বর হত্যাকাণ্ড। এ হত্যাকাণ্ডের বিরোধিতা করে ওরকা নামের একটি সংঘঠন একে পাগলদের রক্তের হোলি খেলা হিসেবে বর্ণনা করেছে। কিন্তু শিকারিদের লাইসেন্স আছে তিমি হত্যার। তাই বৈধ তা ছুরি কিংবা ধারালো বিবিধ অস্ত্রে সাগরের ওই নিরীহ প্রাণিকে হত্যা করা হোক না কেন! তিমির পাশাপাশি এদিন ৩৫টি আটলান্টিক সাদা ডলফিনকেও বধ করা হয়। ৭০ জন শিকারি এ বধে অংশ নেন।

তারপর তিমি ও ডলফিনের মাংস চলে যায় বাজারে। নরওয়ে ও আইসল্যান্ডের মাঝখানে দ্বীপটির আশে পাশে অন্তত লাখ খানেক তিমি ঘোরাফেরা করে। এটাই তাদের একমাত্র অপরাধ ও নিয়তি। অনেক প্রতিবাদ হয়েছে, চলছে বাকযুদ্ধ আর সেই সঙ্গে প্রতিবছর চলে আসছে ঘটা করে এই তিমি শিকার।

ব্লু প্যানেট সোসাইটি নামে আরেক সংগঠন এই তিমি হত্যার ঐতিহ্যের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ করে আসছে। ২০১৪ সালে তা একবার বন্ধ হলেও তারপর আইন করে এই তিমি হত্যা চলে আসছে। ওরকার পক্ষ থেকে টুইটারে তিমি হত্যায় শোক জানিয়ে বলা হয় এই সুন্দর ধরাধামে বর্বর এই হত্যাকাণ্ডের জন্যে শোক ও সমবেদনা। এই হত্যার বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত থাকবে। ফারোই দ্বীপকে বয়কট করার আহবানও জানায় সংগঠনটি। সূত্র : দ্য মিরর

Tag :

আবহাওয়া

কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি : তথ্যমন্ত্রী

আড়াই’শ তিমিকে বর্বর হত্যা : লালে লাল ফারোই দ্বীপের সৈকত

প্রকাশের সময় : ১০:৪৬:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২০

আড়াই’শ তিমিকে বর্বর হত্যার ফলে লালে লাল হয়ে উঠেছে ফারোই দ্বীপের সৈকত। জানা যায়, ডেনমার্কে বছরে কম করে হলেও ৮’শ তিমিকে হত্যা করা হয়। করোনকালেও সে হত্যা থেমে নেই।

এবার ওই বাৎসরিক মহোৎসবে প্রথম শিকারে একদিনেই আড়াই’শ তিমিকে হত্যার পর টুকরো টুকুরো করে ফেলা হয় । হাজার বছর ধরে এ তিমি হত্যার মহোৎসব চলে আসছে। জেলেরা সাগরে জাল ফেলে ধরে তিরে নিয়ে আসে তারপর শুরু হয় বর্বর হত্যাকাণ্ড। এ হত্যাকাণ্ডের বিরোধিতা করে ওরকা নামের একটি সংঘঠন একে পাগলদের রক্তের হোলি খেলা হিসেবে বর্ণনা করেছে। কিন্তু শিকারিদের লাইসেন্স আছে তিমি হত্যার। তাই বৈধ তা ছুরি কিংবা ধারালো বিবিধ অস্ত্রে সাগরের ওই নিরীহ প্রাণিকে হত্যা করা হোক না কেন! তিমির পাশাপাশি এদিন ৩৫টি আটলান্টিক সাদা ডলফিনকেও বধ করা হয়। ৭০ জন শিকারি এ বধে অংশ নেন।

তারপর তিমি ও ডলফিনের মাংস চলে যায় বাজারে। নরওয়ে ও আইসল্যান্ডের মাঝখানে দ্বীপটির আশে পাশে অন্তত লাখ খানেক তিমি ঘোরাফেরা করে। এটাই তাদের একমাত্র অপরাধ ও নিয়তি। অনেক প্রতিবাদ হয়েছে, চলছে বাকযুদ্ধ আর সেই সঙ্গে প্রতিবছর চলে আসছে ঘটা করে এই তিমি শিকার।

ব্লু প্যানেট সোসাইটি নামে আরেক সংগঠন এই তিমি হত্যার ঐতিহ্যের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ করে আসছে। ২০১৪ সালে তা একবার বন্ধ হলেও তারপর আইন করে এই তিমি হত্যা চলে আসছে। ওরকার পক্ষ থেকে টুইটারে তিমি হত্যায় শোক জানিয়ে বলা হয় এই সুন্দর ধরাধামে বর্বর এই হত্যাকাণ্ডের জন্যে শোক ও সমবেদনা। এই হত্যার বিরুদ্ধে লড়াই অব্যাহত থাকবে। ফারোই দ্বীপকে বয়কট করার আহবানও জানায় সংগঠনটি। সূত্র : দ্য মিরর