Dhaka মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৫৫৬ রান করেও ইনিংস ব্যবধানে হার, টেস্ট ইতিহাসে পাকিস্তানই প্রথম

  • স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৬:০৮:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ অক্টোবর ২০২৪
  • ২৬০ জন দেখেছেন

স্পোর্টস ডেস্ক : 

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথমটিতে মুলতানে পাকিস্তান যে হারতে চলেছে সেটা ধারণা করা হয়েছিল গতকালই। অবশেষে হয়েছেও তাই, এক ইনিংস আর ৪৭ রানের দারুণ এক জয় পেয়েছে সফরকারীরা। হ্যারি ব্রুকের ৩১৭ আর জো রুটের ২৬২ রানের ইতিহাস গড়া ইনিংসের সুবাদে ইংলিশরা প্রথম ইনিংসে পায় ৮২৩ রানের রেকর্ড সংগ্রহ। ২৬৭ রানে পিছিয়ে থেকে গতকাল চতুর্থ দিনের শেষভাগে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে শান মাসুদের দল, দিন শেষ করে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫২ রান করে, সালমান আগা ৪১ আর আমের জামাল অপরাজিত ছিলেন ২৭ রানে।

সালমান-জামালের এই জুটিই ইংল্যান্ডের জয়ের পথে বাধা হয়ে ছিল। আজ পঞ্চম দিনের সকালেও এ জুটিই যা একটু ভুগিয়েছে ইংলিশ পেসারদের। দিনের শুরুতেই নিজের ব্যক্তিগত অর্ধশতক তুলে নে সালমান, তবে এরপর আর দলকে টানতে পারেননি তিনি, আউট হন ৬৩ রানে, জ্যাক লিচের বলে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে পড়ে।

সালমান ফিরলে ভাঙ্গে জামালের সঙ্গে তাঁর ১০৯ রানের জুটি। এদিকে সালমান ফিরলেও শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছেন জামাল। তিনিও পেয়েছেন ব্যক্তিগত অর্ধশতকের দেখা। তবে ফিফটি মিললেও সঙ্গী মিলেনি এই অলরাউন্ডারের। সালমান ফেরার পর পাকিস্তানের অপরাপ্রান্তের দুই ব্যাটারকে সহজেই ফেরান ইংলিশ বোলাররা। শাহিন আফ্রিদির পর নাসিম শাহও ফিরলে হারের স্বাদ নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে জামালকে, শেষ পর্যন্ত তিনি অপরাজিত ছিলেন ৫৫ রানে।

এর আগে বৃস্পতিবার (১০ অক্টোবর) দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই উইকেট হারায় পাকিস্তান। আব্দুল্লাহ শফিক ফেরার পর শান মাসুদ, বাবর আজম, সাইম আইয়ুবরাও একই পথ ধরেছেন। কেউই ই দলের হারল ধরতে পারেননি, টপ অর্ডারের মত ব্যর্থ হয়েছেন মিডল অর্ডারের মোহাম্মদ রিজওয়ান, সৌদ শাকিলরাও। শেষদিকে দলের হাল ধরেছিলেন সালমান আগ এবং আমের জামাল।

ওদিকে প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে রীতিমত ইতিহাস গড়েছে ইংলিশ ব্যাটাররা। প্রথম ইনিংসের ব্যাট করতে নেমে ওলি পোপ ছাড়া ইংল্যান্ডের সব ব্যাটারই সফলতার দেখা পেয়েছেন। পাকিস্তানের রান পাহাড় টপকে যেতে ইংল্যান্ডকে দারুণ সাহায্য করেছে জ্যাক ক্রলি এবং বেন ডাকেটের আক্রমণাত্মক ইনিংস। এ দুজনই খেলেছেন ওয়ানডে মেজাজে, ক্রলি ৮৫ বল খেলে ৭৮ রান করে আউট হন, ডাকেট আউট হন ৭৫ বলে ৮৪ রান করে।

এরপর বাকি কাজটুকু করেছেন জো রুট এবং এবং হ্যারি ব্রুক। জোড়া দ্বিশতকের পর রুট-ব্রুক দুজনই খেলেছেন আক্রমণাত্মক মেজাজে। ফলে ইংল্যান্ডের দলীয় সংগ্রহও বেড়েছে হু হু করে। নিজের ক্যারিয়ার সেরা ২৬২ রানের ইনিংস খেলে আগা সালমানের বলে লেগ বিফোর উইকেট হয়ে আউট হন রুট। রুট ফেরার পর তিনশ রানের মাইলফলক পেরিয়ে গেছেন হ্যারি ব্রুক। এ দুজনের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের সুবাদেই ৭ উইকেটে ৮২৩ রান করে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে ইংল্যান্ড।

আবহাওয়া

৫৫৬ রান করেও ইনিংস ব্যবধানে হার, টেস্ট ইতিহাসে পাকিস্তানই প্রথম

প্রকাশের সময় : ০৬:০৮:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ অক্টোবর ২০২৪

স্পোর্টস ডেস্ক : 

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথমটিতে মুলতানে পাকিস্তান যে হারতে চলেছে সেটা ধারণা করা হয়েছিল গতকালই। অবশেষে হয়েছেও তাই, এক ইনিংস আর ৪৭ রানের দারুণ এক জয় পেয়েছে সফরকারীরা। হ্যারি ব্রুকের ৩১৭ আর জো রুটের ২৬২ রানের ইতিহাস গড়া ইনিংসের সুবাদে ইংলিশরা প্রথম ইনিংসে পায় ৮২৩ রানের রেকর্ড সংগ্রহ। ২৬৭ রানে পিছিয়ে থেকে গতকাল চতুর্থ দিনের শেষভাগে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে শান মাসুদের দল, দিন শেষ করে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫২ রান করে, সালমান আগা ৪১ আর আমের জামাল অপরাজিত ছিলেন ২৭ রানে।

সালমান-জামালের এই জুটিই ইংল্যান্ডের জয়ের পথে বাধা হয়ে ছিল। আজ পঞ্চম দিনের সকালেও এ জুটিই যা একটু ভুগিয়েছে ইংলিশ পেসারদের। দিনের শুরুতেই নিজের ব্যক্তিগত অর্ধশতক তুলে নে সালমান, তবে এরপর আর দলকে টানতে পারেননি তিনি, আউট হন ৬৩ রানে, জ্যাক লিচের বলে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে পড়ে।

সালমান ফিরলে ভাঙ্গে জামালের সঙ্গে তাঁর ১০৯ রানের জুটি। এদিকে সালমান ফিরলেও শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছেন জামাল। তিনিও পেয়েছেন ব্যক্তিগত অর্ধশতকের দেখা। তবে ফিফটি মিললেও সঙ্গী মিলেনি এই অলরাউন্ডারের। সালমান ফেরার পর পাকিস্তানের অপরাপ্রান্তের দুই ব্যাটারকে সহজেই ফেরান ইংলিশ বোলাররা। শাহিন আফ্রিদির পর নাসিম শাহও ফিরলে হারের স্বাদ নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে জামালকে, শেষ পর্যন্ত তিনি অপরাজিত ছিলেন ৫৫ রানে।

এর আগে বৃস্পতিবার (১০ অক্টোবর) দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই উইকেট হারায় পাকিস্তান। আব্দুল্লাহ শফিক ফেরার পর শান মাসুদ, বাবর আজম, সাইম আইয়ুবরাও একই পথ ধরেছেন। কেউই ই দলের হারল ধরতে পারেননি, টপ অর্ডারের মত ব্যর্থ হয়েছেন মিডল অর্ডারের মোহাম্মদ রিজওয়ান, সৌদ শাকিলরাও। শেষদিকে দলের হাল ধরেছিলেন সালমান আগ এবং আমের জামাল।

ওদিকে প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে রীতিমত ইতিহাস গড়েছে ইংলিশ ব্যাটাররা। প্রথম ইনিংসের ব্যাট করতে নেমে ওলি পোপ ছাড়া ইংল্যান্ডের সব ব্যাটারই সফলতার দেখা পেয়েছেন। পাকিস্তানের রান পাহাড় টপকে যেতে ইংল্যান্ডকে দারুণ সাহায্য করেছে জ্যাক ক্রলি এবং বেন ডাকেটের আক্রমণাত্মক ইনিংস। এ দুজনই খেলেছেন ওয়ানডে মেজাজে, ক্রলি ৮৫ বল খেলে ৭৮ রান করে আউট হন, ডাকেট আউট হন ৭৫ বলে ৮৪ রান করে।

এরপর বাকি কাজটুকু করেছেন জো রুট এবং এবং হ্যারি ব্রুক। জোড়া দ্বিশতকের পর রুট-ব্রুক দুজনই খেলেছেন আক্রমণাত্মক মেজাজে। ফলে ইংল্যান্ডের দলীয় সংগ্রহও বেড়েছে হু হু করে। নিজের ক্যারিয়ার সেরা ২৬২ রানের ইনিংস খেলে আগা সালমানের বলে লেগ বিফোর উইকেট হয়ে আউট হন রুট। রুট ফেরার পর তিনশ রানের মাইলফলক পেরিয়ে গেছেন হ্যারি ব্রুক। এ দুজনের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের সুবাদেই ৭ উইকেটে ৮২৩ রান করে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে ইংল্যান্ড।