নিজস্ব প্রতিবেদক :
গত বছরের ২৮ অক্টোবর বিএনপির সমাবেশে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় বিএনপি নেতাকর্মীদের নির্মম হামলায় গুরুতর আহত ডিএমপির নায়েক মো. আব্দুর রাজ্জাক ভারতে উন্নত চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন।
বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) তিনি দেশে ফিরেছেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের বিমানবন্দর জোনের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) তৌহিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, বিএনপির সমাবেশে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আহত নায়েক আব্দুর রাজ্জাক নয়াদিল্লি থেকে চিকিৎসা নিয়ে দেশে ফিরেছেন। নায়েক রাজ্জাকের সঙ্গে চিকিৎসকেরাও রয়েছেন। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, বিমানে আসার সময় দুইবার বমি করেছেন রাজ্জাক। দুই মাস পর হঠাৎ বাইরে বের হওয়ার কারণে এমনটা হতে পারে বলে ধারণা চিকিৎসকদের।
তৌহিদুল ইসলাম বলেন, রাজ্জাকের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। তিনি আমাদের কথায় রেসপন্স করেছেন। বিমানবন্দর থেকে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে রাজারবাগ পুলিশ লাইন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
বর্তমানে তিনি আশঙ্কামুক্ত অবস্থায় রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি আছেন। সেখানে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলবে। তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) প্ররক্ষা বিভাগে কর্মরত আছেন।
আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন ও ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানের উদ্যোগে গত ৯ নভেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজ্জাককে দিল্লির অ্যাপোলো হাসপাতালে পাঠানো হয়।
গত বছরের ২৮ অক্টোবর ঢাকায় বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠনের ডাকা সমাবেশে দায়িত্ব পালনের সময় ইউবিএল ক্রসিং, পল্টন এলাকায় দলটির উচ্ছৃঙ্খল কর্মীদের হামলায় রাস্তায় পড়ে যান ৫৫ বছর বয়সী নায়েক মো. আব্দুর রাজ্জাক।
এরপরও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে অত্যন্ত নৃশংসভাবে তাকে আঘাত করা হয়। তিনি মাথায় গুরুতর আঘাত পান। সঙ্গে সঙ্গে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার মাথায় অস্ত্রোপচার শেষে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়।
তার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য শুরু থেকেই আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনার সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখেন এবং তাকে দেখতে তারা একাধিকবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান।
পরবর্তীতে চিকিৎসকের পরামর্শে নায়েক মো. আব্দুর রাজ্জাককে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের দিল্লিতে অবস্থিত অ্যাপোলো হাসপাতালে যোগোযোগ করা হয়।
সেই হাসপাতালের চিকিৎসক তার চিকিৎসার রিপোর্ট পর্যালোচনা ও ভিডিও কনফারেন্সের মাধমে রোগীর অবস্থা বিবেচনা করে তাকে দ্রুত ভারতে পাঠানোর পরামর্শ দেন। তার চিকিৎসার যাবতীয় ব্যয় আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনারের উদ্যোগে বহন করা হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 









