Dhaka রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরীক্ষা কেন্দ্রে না এসে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার সুযোগ নেই : কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে না এসে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আওয়ামী লীগের এমপি দিদারুল আলমের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে ওবায়দুল কাদের এ কথা জানান। এ সময় ম্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন। বৃহস্পতিবারের প্রশ্ন উত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

সেতুমন্ত্রী বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিআরটিএ’র উদ্যোগে ঘরে বসে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার সুযোগ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে বিআরটিএ’র ড্রাইভিং লাইসেন্স কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এই সিস্টেমে প্রার্থীর পরীক্ষা কেন্দ্রে না এসে ডাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার কোন সুযোগ নেই। প্রার্থীকে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সার্ভারের সঙ্গে ফিশার ম্যাচ করতে, বায়োমেট্রিক প্রদান করে দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়। কোনো প্রার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করলে বিআরটিএ ইনফরমেশন সিস্টেম (বিআরটিএ-আইএস) এ রেজাল্ট ইনপুট প্রদান করা সম্ভব নয়। রেজাল্ট ইনপুট প্রদান করা না হলে প্রার্থীর অনলাইনে আবেদন করার কোনো সুযোগ নাই। বিধায় পরীক্ষা ও বায়োমেট্রিক ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার সুযোগ নেই।

জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য এম আব্দুল লতিফের লিখিত প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন,বর্তমানে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে কোনো গবেষণামূলক কার্যক্রম চলমান নেই। তবে বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহায়তা ৩৬০ মিলিয়ন ডলারের বাংলাদেশ রোড সেফটি প্রোগ্রাম (বিআরএসপি) প্রকল্প প্রস্তুত করা হয়েছে যার অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন। এ প্রকল্পে আইর‌্যাপ স্টাডি’র মাধ্যমে দেশের জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কসমূহ সড়ক নিরাপত্তার প্রেক্ষিতে রেটিং প্রদান বিষয়ক গবেষণামূলক কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত আছে। এ কার্যক্রমের আওতায় সড়কের নিরাপত্তা ও জিওমেট্রি’র ভিত্তিতে বিভিন্ন জংশনসমূহ উন্নয়নের সংস্থান রাখা হয়েছে। প্রকল্পটি পরিকল্পনা কমিশনে অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন। প্রস্তাবিত প্রকল্পটি অনুমোদিত হলে তা ৩০-১১-২০২৭ নাগাদ বাস্তবায়ন হবে।

নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য মোরশেদ আলমের প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জানান, ঢাকা মহানগরীতে বিআরটিসিসহ বেসরকারি বিভিন্ন পরিবহন কোম্পানির প্রায় ৬ হাজার বাস চলাচল করে। বিআরটিসির কিছু সংখ্যক রুটে ই-টিকেটিং চালু আছে। এ ছাড়া ৯৭টি বেসরকারি পরিবহন কোম্পানির মধ্যে ৬৯টি কোম্পানির ৩ হাজার ৩০০ বাসে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির তত্ত্বাবধানে ই-টিকেটিং চালু করা হয়েছে।

বিআরটিএ এ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, অচিরেই অবশিষ্ট কোম্পানির বাসে ই-টিকেটিং ব্যবস্থা চালু করা হবে। পর্যায়ক্রমে চট্টগ্রাম মহানগরীতে এই সেবা প্রদান করা হবে।

আবহাওয়া

স্বামী জামিন পাওয়ায় এজলাসেই বিষপান করলেন স্ত্রী

পরীক্ষা কেন্দ্রে না এসে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার সুযোগ নেই : কাদের

প্রকাশের সময় : ০২:২৬:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে না এসে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আওয়ামী লীগের এমপি দিদারুল আলমের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে ওবায়দুল কাদের এ কথা জানান। এ সময় ম্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন। বৃহস্পতিবারের প্রশ্ন উত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

সেতুমন্ত্রী বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিআরটিএ’র উদ্যোগে ঘরে বসে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার সুযোগ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে বিআরটিএ’র ড্রাইভিং লাইসেন্স কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এই সিস্টেমে প্রার্থীর পরীক্ষা কেন্দ্রে না এসে ডাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার কোন সুযোগ নেই। প্রার্থীকে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সার্ভারের সঙ্গে ফিশার ম্যাচ করতে, বায়োমেট্রিক প্রদান করে দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়। কোনো প্রার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করলে বিআরটিএ ইনফরমেশন সিস্টেম (বিআরটিএ-আইএস) এ রেজাল্ট ইনপুট প্রদান করা সম্ভব নয়। রেজাল্ট ইনপুট প্রদান করা না হলে প্রার্থীর অনলাইনে আবেদন করার কোনো সুযোগ নাই। বিধায় পরীক্ষা ও বায়োমেট্রিক ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার সুযোগ নেই।

জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য এম আব্দুল লতিফের লিখিত প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন,বর্তমানে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে কোনো গবেষণামূলক কার্যক্রম চলমান নেই। তবে বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহায়তা ৩৬০ মিলিয়ন ডলারের বাংলাদেশ রোড সেফটি প্রোগ্রাম (বিআরএসপি) প্রকল্প প্রস্তুত করা হয়েছে যার অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন। এ প্রকল্পে আইর‌্যাপ স্টাডি’র মাধ্যমে দেশের জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কসমূহ সড়ক নিরাপত্তার প্রেক্ষিতে রেটিং প্রদান বিষয়ক গবেষণামূলক কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত আছে। এ কার্যক্রমের আওতায় সড়কের নিরাপত্তা ও জিওমেট্রি’র ভিত্তিতে বিভিন্ন জংশনসমূহ উন্নয়নের সংস্থান রাখা হয়েছে। প্রকল্পটি পরিকল্পনা কমিশনে অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন। প্রস্তাবিত প্রকল্পটি অনুমোদিত হলে তা ৩০-১১-২০২৭ নাগাদ বাস্তবায়ন হবে।

নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য মোরশেদ আলমের প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জানান, ঢাকা মহানগরীতে বিআরটিসিসহ বেসরকারি বিভিন্ন পরিবহন কোম্পানির প্রায় ৬ হাজার বাস চলাচল করে। বিআরটিসির কিছু সংখ্যক রুটে ই-টিকেটিং চালু আছে। এ ছাড়া ৯৭টি বেসরকারি পরিবহন কোম্পানির মধ্যে ৬৯টি কোম্পানির ৩ হাজার ৩০০ বাসে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির তত্ত্বাবধানে ই-টিকেটিং চালু করা হয়েছে।

বিআরটিএ এ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, অচিরেই অবশিষ্ট কোম্পানির বাসে ই-টিকেটিং ব্যবস্থা চালু করা হবে। পর্যায়ক্রমে চট্টগ্রাম মহানগরীতে এই সেবা প্রদান করা হবে।