গত ২০ বছরে দেশের পর্যটনখাত ভেঙে পড়েছিলো, দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন হয়নি : পর্যটনমন্ত্রী

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০৩:১০:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৮৪ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক :

গত ২০ বছরে দেশের পর্যটনখাত ভেঙে পড়েছিলো, দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) ১৩তম এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের (এটিএফ) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় তিন দিনব্যাপী এ মেলার আয়োজন করছে ভ্রমণবিষয়ক সাময়িকী ‘পর্যটন বিচিত্রা’।

পর্যটনমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার পর্যটন খাতকে অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সুষম আঞ্চলিক উন্নয়নের বৃহত্তর কর্মসূচির অংশ হিসেবে গুরুত্ব দিয়েছে। আমরা অন্ধকার থেকে শুরু করেছি। তাই পর্যটনের প্রতিটি স্তরে কাজ করার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। আমাদের মূলমন্ত্র হলো, আগামীকাল নয়, এখন থেকেই শুরু করতে হবে। আজ থেকেই শুরু করতে হবে। এটাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত।

দেশের পর্যটন খাতের টেকসই বিকাশ ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়ে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, আমাদের নতুন পর্যটননীতিতে বেসরকারি বিনিয়োগ এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ওপর জোর দেওয়া হবে। সরকারি ও বেসরকারি খাত এবং স্থানীয় সম্প্রদায়কে এক হয়ে কাজ করতে হবে। সরকারি ও বেসরকারি খাতের যৌথ অঙ্গীকার ছাড়া পর্যটন খাত কখনো বিকশিত হতে পারে না।

এম. রাশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বাংলাদেশের পর্যটন খাতের সম্ভাবনাকে পরিকল্পিত, টেকসই ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক শিল্পে রূপ দিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব ও বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দেশের প্রায় প্রতিটি অঞ্চলেরই নিজস্ব পর্যটন সম্ভাবনা রয়েছে। এসব বিচ্ছিন্ন সম্ভাবনাকে পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগাতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে নদী, পাহাড়, সমুদ্র, বন, জঙ্গলসহ বৈচিত্র্যময় পর্যটন সম্পদ রয়েছে। বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন, দীর্ঘ প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার, কুয়াকাটাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র রয়েছে। এ ছাড়া সিলেটের চা-বাগান, নদী ও জলাভূমি এবং প্রত্নতাত্ত্বিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্যও বাংলাদেশের পর্যটনের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ।

তিনি বলেন, পর্যটনের সম্ভাবনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠিত গন্তব্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি অঞ্চলেরই নিজস্ব গল্প ও পর্যটন সম্ভাবনা রয়েছে। এখন এসব বিচ্ছিন্ন সম্ভাবনাকে পরিকল্পিত, টেকসই এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক পর্যটন শিল্পে রূপ দেওয়াই লক্ষ্য। বিভিন্ন শ্রেণির পর্যটন আকর্ষণকে নিয়ে একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরির কাজ চলছে। একই সঙ্গে পর্যটন খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ওপর জোর দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

​পর্যটন খাতকে দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত—কাজ শুরু করতে হবে আজ থেকেই, আগামীকালের জন্য অপেক্ষা করা যাবে না। আমাদের দেশের জন্য আমাদেরকেই কাজ করতে হবে, অন্য কেউ এসে আমাদের জন্য কাজ করে দেবে না।বর্তমানে জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান মাত্র ২-৩ শতাংশ, যা ৮-৯ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ শুরু করেছি।

​তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে পর্যটন খাতকে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আঞ্চলিক সুষম উন্নয়নের বড় অ্যাজেন্ডা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে আমরা দেশজুড়ে ১৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণ চিহ্নিত করে একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নে কাজ করছি।

​কক্সবাজারকে কেন্দ্র করে বিশেষ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, কক্সবাজারকে একটি আঞ্চলিক পর্যটন হাবে রূপান্তর করা হচ্ছে। নবনির্মিত কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অন্যতম মূল লক্ষ্যই হলো আন্তর্জাতিক ও বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করা। পাশাপাশি সমুদ্রসৈকতে আসা পর্যটকদের জন্য ফ্রেশ ওয়াটার শাওয়ার, চেঞ্জিং রুম, লকার, নাইট লাইটিং বা সোলার লাইট, ট্যুরিস্ট পুলিশ, রেসকিউ টিম ও প্রাথমিক চিকিৎসার সমন্বিত সেবা নিশ্চিত করা হবে, যেন পর্যটকরা নিজেদের সম্পূর্ণ নিরাপদ মনে করেন।

পর্যটন খাতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীকেও সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া পর্যটন খাতকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। এ খাতকে আন্তর্জাতিক বাজারে নিয়ে যেতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত ও কমিউনিটিকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বর্তমানে পর্যটন খাতের অবদান যে পর্যায়ে রয়েছে, সেখান থেকে তা আরও বাড়াতে কাজ করতে হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নতুন, উদ্ভাবনী ও ব্যয়-সাশ্রয়ী ধারণা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

অনুষ্ঠানে পর্যটন শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, উন্নয়ন সহযোগী, বিনিয়োগকারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে আয়োজকরা জানিয়েছেন, আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই ট্যুরিজম ফেয়ার অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মেলা চলবে। এতে বাংলাদেশসহ ১০টি দেশের ২০০টির বেশি প্রতিষ্ঠান প্রায় ৩০০টি বুথে অংশ নিচ্ছে।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

স্ত্রীসহ আসিফ মাহমুদের সম্পদ-ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়ে বিএফআইইউকে দুদকের চিঠি

গত ২০ বছরে দেশের পর্যটনখাত ভেঙে পড়েছিলো, দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন হয়নি : পর্যটনমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৩:১০:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :

গত ২০ বছরে দেশের পর্যটনখাত ভেঙে পড়েছিলো, দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) ১৩তম এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের (এটিএফ) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় তিন দিনব্যাপী এ মেলার আয়োজন করছে ভ্রমণবিষয়ক সাময়িকী ‘পর্যটন বিচিত্রা’।

পর্যটনমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার পর্যটন খাতকে অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সুষম আঞ্চলিক উন্নয়নের বৃহত্তর কর্মসূচির অংশ হিসেবে গুরুত্ব দিয়েছে। আমরা অন্ধকার থেকে শুরু করেছি। তাই পর্যটনের প্রতিটি স্তরে কাজ করার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। আমাদের মূলমন্ত্র হলো, আগামীকাল নয়, এখন থেকেই শুরু করতে হবে। আজ থেকেই শুরু করতে হবে। এটাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত।

দেশের পর্যটন খাতের টেকসই বিকাশ ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়ে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, আমাদের নতুন পর্যটননীতিতে বেসরকারি বিনিয়োগ এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ওপর জোর দেওয়া হবে। সরকারি ও বেসরকারি খাত এবং স্থানীয় সম্প্রদায়কে এক হয়ে কাজ করতে হবে। সরকারি ও বেসরকারি খাতের যৌথ অঙ্গীকার ছাড়া পর্যটন খাত কখনো বিকশিত হতে পারে না।

এম. রাশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বাংলাদেশের পর্যটন খাতের সম্ভাবনাকে পরিকল্পিত, টেকসই ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক শিল্পে রূপ দিতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব ও বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দেশের প্রায় প্রতিটি অঞ্চলেরই নিজস্ব পর্যটন সম্ভাবনা রয়েছে। এসব বিচ্ছিন্ন সম্ভাবনাকে পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগাতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে নদী, পাহাড়, সমুদ্র, বন, জঙ্গলসহ বৈচিত্র্যময় পর্যটন সম্পদ রয়েছে। বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন, দীর্ঘ প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার, কুয়াকাটাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র রয়েছে। এ ছাড়া সিলেটের চা-বাগান, নদী ও জলাভূমি এবং প্রত্নতাত্ত্বিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্যও বাংলাদেশের পর্যটনের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ।

তিনি বলেন, পর্যটনের সম্ভাবনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠিত গন্তব্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি অঞ্চলেরই নিজস্ব গল্প ও পর্যটন সম্ভাবনা রয়েছে। এখন এসব বিচ্ছিন্ন সম্ভাবনাকে পরিকল্পিত, টেকসই এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক পর্যটন শিল্পে রূপ দেওয়াই লক্ষ্য। বিভিন্ন শ্রেণির পর্যটন আকর্ষণকে নিয়ে একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরির কাজ চলছে। একই সঙ্গে পর্যটন খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ওপর জোর দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

​পর্যটন খাতকে দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত—কাজ শুরু করতে হবে আজ থেকেই, আগামীকালের জন্য অপেক্ষা করা যাবে না। আমাদের দেশের জন্য আমাদেরকেই কাজ করতে হবে, অন্য কেউ এসে আমাদের জন্য কাজ করে দেবে না।বর্তমানে জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান মাত্র ২-৩ শতাংশ, যা ৮-৯ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ শুরু করেছি।

​তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে পর্যটন খাতকে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আঞ্চলিক সুষম উন্নয়নের বড় অ্যাজেন্ডা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে আমরা দেশজুড়ে ১৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণ চিহ্নিত করে একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নে কাজ করছি।

​কক্সবাজারকে কেন্দ্র করে বিশেষ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, কক্সবাজারকে একটি আঞ্চলিক পর্যটন হাবে রূপান্তর করা হচ্ছে। নবনির্মিত কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অন্যতম মূল লক্ষ্যই হলো আন্তর্জাতিক ও বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করা। পাশাপাশি সমুদ্রসৈকতে আসা পর্যটকদের জন্য ফ্রেশ ওয়াটার শাওয়ার, চেঞ্জিং রুম, লকার, নাইট লাইটিং বা সোলার লাইট, ট্যুরিস্ট পুলিশ, রেসকিউ টিম ও প্রাথমিক চিকিৎসার সমন্বিত সেবা নিশ্চিত করা হবে, যেন পর্যটকরা নিজেদের সম্পূর্ণ নিরাপদ মনে করেন।

পর্যটন খাতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের পাশাপাশি স্থানীয় জনগোষ্ঠীকেও সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া পর্যটন খাতকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। এ খাতকে আন্তর্জাতিক বাজারে নিয়ে যেতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত ও কমিউনিটিকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বর্তমানে পর্যটন খাতের অবদান যে পর্যায়ে রয়েছে, সেখান থেকে তা আরও বাড়াতে কাজ করতে হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নতুন, উদ্ভাবনী ও ব্যয়-সাশ্রয়ী ধারণা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

অনুষ্ঠানে পর্যটন শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, উন্নয়ন সহযোগী, বিনিয়োগকারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে আয়োজকরা জানিয়েছেন, আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই ট্যুরিজম ফেয়ার অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মেলা চলবে। এতে বাংলাদেশসহ ১০টি দেশের ২০০টির বেশি প্রতিষ্ঠান প্রায় ৩০০টি বুথে অংশ নিচ্ছে।