সাড়ে ৬ শতাংশ সুদে ঋণ মিললে সোলারে যাবে আরো ১৩০০ পোশাক কারখানা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০৩:৪৮:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৮১ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

সাড়ে ৬ শতাংশ সুদে গ্রিন ফাইন্যান্স বা সবুজ অর্থায়ন পাওয়া গেলে দেশের আরও ১ হাজার ৩০০টি পোশাক কারখানা রুফটপ সোলারে যেতে প্রস্তুত বলে জানিয়ে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, বর্তমানে প্রায় ৫০০ পোশাক কারখানা রুফটপ সোলারে বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তবে অর্থায়নের শর্ত সহজ করা গেলে আরও ১ হাজার ৩০০ কারখানাকে এ উদ্যোগের আওতায় আনা সম্ভব।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টার ইনে সিপিডি আয়োজিত পঞ্চম বাংলাদেশ-চীন নবায়নযোগ্য শক্তি ফোরামে ‘পোশাক খাতের শিল্প কারখানার ছাদে সৌরবিদ্যুৎ: চীনা প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগের সম্ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

গার্মেন্টস খাতে শিল্প ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বা রুফটপ সোলারের ব্যবহার বাড়ানো গেলে দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের চাপ অনেকটাই কমানো সম্ভব বলে মন্তব্য করে গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে অবর্ণনীয় জ্বালানি সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই সংকট মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে কাজ করছেন। তবে অনেক আগে থেকেই শিল্পকারখানায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো গেলে বর্তমান সংকটের চাপ আরও কম থাকত। শিল্প খাতে রুফটপ সোলারকে আরও উৎসাহিত ও সহজতর করা গেলে জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করা সহজ হবে।

তিনি বলেন, গত দুই থেকে তিন বছরে শিল্প খাতে রুফটপ সোলারের ব্যবহার বাড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাত খুব নীরবে রুফটপ সোলারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। শিল্পোদ্যোক্তাদের দৃষ্টিকোণ থেকে এটি একটি ইতিবাচক উদ্যোগ। এতে একদিকে জ্বালানির ওপর চাপ কমবে, অন্যদিকে কার্বন নিঃসরণ কমানোর ক্ষেত্রেও গার্মেন্টস খাতের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সহায়তা করবে।

সিপিডির গবেষণা পরিচালক বলেন, এর আগে শিল্পের ডিকার্বোনাইজেশন নিয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গার্মেন্টস খাতে শক্তি দক্ষতা বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয়েছিল। পুরোনো ও অদক্ষ যন্ত্রপাতি পরিবর্তন করে আধুনিক শক্তি-সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করলে জ্বালানির চাহিদা কমানো সম্ভব। সিপিডির ওই গবেষণায় দেখা গেছে, শক্তি-সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতিসমেত দক্ষ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে গার্মেন্টস খাতে অন্তত ১৫ শতাংশ জ্বালানি চাহিদা কমানো সম্ভব। এ জন্য প্রায় ১৪০ কোটি ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, এবারের ফোরামে শক্তি দক্ষতার পাশাপাশি গার্মেন্টস কারখানার ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে সিপিডি একটি ভিন্নধর্মী পদ্ধতিতে গবেষণা করেছে। কারখানায় গিয়ে সরাসরি জরিপ করার পরিবর্তে গার্মেন্টস কারখানার ছাদের স্যাটেলাইট ছবি ব্যবহার করে সম্ভাব্য সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা নিরুপণ করা হয়েছে।

গোলাম মোয়াজ্জেম আরও বলেন, গুগল ম্যাপ ও বৈশ্বিক স্যাটেলাইট ছবি ব্যবহার করে গার্মেন্টস শিল্পের ছাদের আয়তন ও সেখানে সম্ভাব্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা হিসাব করা হয়েছে। এক্ষেত্রে জাতীয় ভবন বিধিমালা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য নিয়ম বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এই গবেষণায় গার্মেন্টস খাতে রুফটপ সোলারের সম্ভাবনা সম্পর্কে বেশ কিছু আশাব্যঞ্জক তথ্য পাওয়া গেছে।

চীন নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিশ্বে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগকারী উল্লেখ করে গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে চীনের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি রয়েছে, যা বাংলাদেশেও কাজে লাগানোর সুযোগ আছে। বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে চীনা বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণও গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে এই খাতে চীনা বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

অনুষ্ঠানে হা-মীম গ্রুপের পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি বিভাগের প্রধান তনুল চক্রবর্তী বলেন, তাদের প্রতিষ্ঠানে প্রায় ২৯ দশমিক ২ মেগাওয়াট রুফটপ সোলার স্থাপন করা হয়েছে। এতে মোট বিদ্যুৎ চাহিদার মাত্র ১৫ শতাংশ এবং পুরো জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৬ শতাংশ পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে।

তিনি বলেন, কারখানার ছাদ দিয়ে পুরো জ্বালানি চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। অধিকাংশ কারখানা বহুতল হওয়ায় ছাদের জায়গা সীমিত।

উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, জিরানি বাজারে তাদের একটি কারখানার ছাদে মাত্র ২৭২ কিলোওয়াট সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের সুযোগ পাওয়া গেছে। অথচ ওই কারখানার বিদ্যুৎ চাহিদা প্রায় দেড় মেগাওয়াট।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ-চীন নবায়নযোগ্য শক্তি ফোরামে পোশাক খাতের রুফটপ সোলারে চীনা প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগের সম্ভাবনাও তুলে ধরা হয়। যেখানে বলা হয়, চীনের প্রযুক্তি, বিনিয়োগ ও সহজ অর্থায়ন কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশের শিল্প খাতে রুফটপ সোলারের বিস্তার আরও দ্রুত করা সম্ভব। গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলা, উৎপাদন ব্যয় কমানো, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের পরিবেশগত শর্ত পূরণসব মিলিয়ে পোশাক খাতে রুফটপ সোলার এখন কেবল বিকল্প জ্বালানি নয়, বরং ভবিষ্যৎ শিল্প প্রতিযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) কান্ট্রি লিয়াজোঁ নুসরাত জাহান, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী (পরিকল্পনা ও অপারেশন) স্বপন বনিক, বাংলাদেশ টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি সমিতির (বিএসআর) জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি জাহিদুল আলম, বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) পরিচালক মিনহাজুল হকসহ সংশ্লিষ্ট খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

জামায়াতে ইসলামী থেকে ‘ইসলাম’ শব্দ বাদ দিতে বললেন প্রতিমন্ত্রী নুর

সাড়ে ৬ শতাংশ সুদে ঋণ মিললে সোলারে যাবে আরো ১৩০০ পোশাক কারখানা

প্রকাশের সময় : ০৩:৪৮:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

সাড়ে ৬ শতাংশ সুদে গ্রিন ফাইন্যান্স বা সবুজ অর্থায়ন পাওয়া গেলে দেশের আরও ১ হাজার ৩০০টি পোশাক কারখানা রুফটপ সোলারে যেতে প্রস্তুত বলে জানিয়ে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, বর্তমানে প্রায় ৫০০ পোশাক কারখানা রুফটপ সোলারে বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। তবে অর্থায়নের শর্ত সহজ করা গেলে আরও ১ হাজার ৩০০ কারখানাকে এ উদ্যোগের আওতায় আনা সম্ভব।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টার ইনে সিপিডি আয়োজিত পঞ্চম বাংলাদেশ-চীন নবায়নযোগ্য শক্তি ফোরামে ‘পোশাক খাতের শিল্প কারখানার ছাদে সৌরবিদ্যুৎ: চীনা প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগের সম্ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

গার্মেন্টস খাতে শিল্প ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বা রুফটপ সোলারের ব্যবহার বাড়ানো গেলে দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের চাপ অনেকটাই কমানো সম্ভব বলে মন্তব্য করে গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে অবর্ণনীয় জ্বালানি সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই সংকট মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে কাজ করছেন। তবে অনেক আগে থেকেই শিল্পকারখানায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো গেলে বর্তমান সংকটের চাপ আরও কম থাকত। শিল্প খাতে রুফটপ সোলারকে আরও উৎসাহিত ও সহজতর করা গেলে জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করা সহজ হবে।

তিনি বলেন, গত দুই থেকে তিন বছরে শিল্প খাতে রুফটপ সোলারের ব্যবহার বাড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাত খুব নীরবে রুফটপ সোলারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। শিল্পোদ্যোক্তাদের দৃষ্টিকোণ থেকে এটি একটি ইতিবাচক উদ্যোগ। এতে একদিকে জ্বালানির ওপর চাপ কমবে, অন্যদিকে কার্বন নিঃসরণ কমানোর ক্ষেত্রেও গার্মেন্টস খাতের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সহায়তা করবে।

সিপিডির গবেষণা পরিচালক বলেন, এর আগে শিল্পের ডিকার্বোনাইজেশন নিয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গার্মেন্টস খাতে শক্তি দক্ষতা বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয়েছিল। পুরোনো ও অদক্ষ যন্ত্রপাতি পরিবর্তন করে আধুনিক শক্তি-সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করলে জ্বালানির চাহিদা কমানো সম্ভব। সিপিডির ওই গবেষণায় দেখা গেছে, শক্তি-সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতিসমেত দক্ষ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে গার্মেন্টস খাতে অন্তত ১৫ শতাংশ জ্বালানি চাহিদা কমানো সম্ভব। এ জন্য প্রায় ১৪০ কোটি ডলার বিনিয়োগ প্রয়োজন হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, এবারের ফোরামে শক্তি দক্ষতার পাশাপাশি গার্মেন্টস কারখানার ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে সিপিডি একটি ভিন্নধর্মী পদ্ধতিতে গবেষণা করেছে। কারখানায় গিয়ে সরাসরি জরিপ করার পরিবর্তে গার্মেন্টস কারখানার ছাদের স্যাটেলাইট ছবি ব্যবহার করে সম্ভাব্য সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা নিরুপণ করা হয়েছে।

গোলাম মোয়াজ্জেম আরও বলেন, গুগল ম্যাপ ও বৈশ্বিক স্যাটেলাইট ছবি ব্যবহার করে গার্মেন্টস শিল্পের ছাদের আয়তন ও সেখানে সম্ভাব্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা হিসাব করা হয়েছে। এক্ষেত্রে জাতীয় ভবন বিধিমালা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য নিয়ম বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এই গবেষণায় গার্মেন্টস খাতে রুফটপ সোলারের সম্ভাবনা সম্পর্কে বেশ কিছু আশাব্যঞ্জক তথ্য পাওয়া গেছে।

চীন নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিশ্বে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগকারী উল্লেখ করে গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে চীনের অত্যাধুনিক প্রযুক্তি রয়েছে, যা বাংলাদেশেও কাজে লাগানোর সুযোগ আছে। বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে চীনা বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণও গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে এই খাতে চীনা বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

অনুষ্ঠানে হা-মীম গ্রুপের পাওয়ার অ্যান্ড এনার্জি বিভাগের প্রধান তনুল চক্রবর্তী বলেন, তাদের প্রতিষ্ঠানে প্রায় ২৯ দশমিক ২ মেগাওয়াট রুফটপ সোলার স্থাপন করা হয়েছে। এতে মোট বিদ্যুৎ চাহিদার মাত্র ১৫ শতাংশ এবং পুরো জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৬ শতাংশ পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে।

তিনি বলেন, কারখানার ছাদ দিয়ে পুরো জ্বালানি চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। অধিকাংশ কারখানা বহুতল হওয়ায় ছাদের জায়গা সীমিত।

উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, জিরানি বাজারে তাদের একটি কারখানার ছাদে মাত্র ২৭২ কিলোওয়াট সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের সুযোগ পাওয়া গেছে। অথচ ওই কারখানার বিদ্যুৎ চাহিদা প্রায় দেড় মেগাওয়াট।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ-চীন নবায়নযোগ্য শক্তি ফোরামে পোশাক খাতের রুফটপ সোলারে চীনা প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগের সম্ভাবনাও তুলে ধরা হয়। যেখানে বলা হয়, চীনের প্রযুক্তি, বিনিয়োগ ও সহজ অর্থায়ন কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশের শিল্প খাতে রুফটপ সোলারের বিস্তার আরও দ্রুত করা সম্ভব। গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলা, উৎপাদন ব্যয় কমানো, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের পরিবেশগত শর্ত পূরণসব মিলিয়ে পোশাক খাতে রুফটপ সোলার এখন কেবল বিকল্প জ্বালানি নয়, বরং ভবিষ্যৎ শিল্প প্রতিযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) কান্ট্রি লিয়াজোঁ নুসরাত জাহান, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী (পরিকল্পনা ও অপারেশন) স্বপন বনিক, বাংলাদেশ টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি সমিতির (বিএসআর) জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি জাহিদুল আলম, বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) পরিচালক মিনহাজুল হকসহ সংশ্লিষ্ট খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।