পরিবেশবান্ধব, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলবে সরকার। এ লক্ষ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা সংস্কারে কাজ চলছে। মন্ত্রণালয়ে ইলেকট্রিক যানবাহনের ব্যবহার বাড়াতে বিভিন্ন নীতিগত সহায়তা ও পুরনো বাসের জন্য পরিবেশবান্ধব স্ক্র্যাপ নীতি করা হচ্ছে। রাজধানীর বাস টার্মিনাল ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাসে ইতিমধ্যে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
ইলেকট্রিক যানবাহনের জন্য প্রয়োজনীয় চার্জিং অবকাঠামো গড়ে তুলতে সরকার পরিকল্পনা করছে বলে জানান তিনি।
এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর ভেতরে ভারী বাসের চলাচল কমবে, যানজট হ্রাস পাবে এবং নগরবাসীর যাতায়াত আরো সহজ ও সুশৃঙ্খল হবে বলে মনে করেন হাবিবুর রশিদ হাবিব।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হলো একটি সমন্বিত গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে মেট্রো রেল, মনোরেল, ইলেকট্রিক বাস এবং আধুনিক সিটি বাস একই নেটওয়ার্কের আওতায় পরিচালিত হবে। একজন যাত্রী সহজেই একটি পরিবহন থেকে অন্য পরিবহনে যেতে পারবেন। এতে সময় ও ব্যয় কমবে, গণপরিবহনের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়বে এবং ব্যক্তিগত যানবাহনের ব্যবহারও হ্রাস পাবে।
রাজধানী ঢাকাকে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও স্মার্ট নগরীতে পরিণত করতে সমন্বিত পরিবহন ব্যবস্থার কোনো বিকল্প নেই বলে জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, সরকারের পরিকল্পনা ধাপে ধাপে বাস্তবায়িত হলে অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও দক্ষ গণপরিবহন ব্যবস্থার দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) 






















