বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে পরবর্তী রাষ্ট্রপতির নাম ঠিক করা হবে : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

বগুড়া জেলা প্রতিনিধি : 

বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে পরবর্তী রাষ্ট্রপতির নাম ঠিক করা হবে বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুর ১২টায় বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে বার্ষিক পরিকল্পনা সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, আগামীতে দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি কে হবেন বিএনপির দলীয় নাকি বাইরের কেউ, তা নির্ধারণ করা হবে দলের নীতি নির্ধারণী ফোরামের বৈঠকে। সংবিধান ও প্রয়োজনীয় আইন মেনে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আলোচনা শেষে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।

রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করার পর বিএনপির পক্ষে কাকে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, এ বিষয়ে বিএনপি সভা করবে, স্ট্যান্ডিং কমিটির মিটিং হবে। আমাদের তো কোনো মিটিংই হয়নি এখনো। বৈঠকের পরই বিএনপির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।

দলের ভেতর থেকে না বাইরে থেকে রাষ্ট্রপতি হবেন, সে বিষয়ে তিনি কিছু বলতে রাজি হননি মির্জা ফখরুল। এমনকি রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার নাম শোনা যাচ্ছে এবং তিনি আগ্রহী কি না, এ প্রশ্নের জবাবেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এর আগে সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গবেষণায় বরাদ্দ বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক তর্কের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আমাদের কাজের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। দেশে বাজেটের বড় একটি অংশ অপচয় হলেও গবেষণার মতো মৌলিক জায়গায় পর্যাপ্ত বরাদ্দ মেলে না।

কৃষিপণ্যের উপযুক্ত মূল্য ও বাজারজাতকরণ নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, পল্লী উন্নয়ন মানে কেবল রাস্তাঘাট আর বাড়িঘর তৈরি করা নয়, গ্রামীণ কৃষকের আর্থিক সচ্ছলতা আনা। সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণের অভাবে আমাদের কৃষকরা উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পান না। এ সমস্যা সমাধানে গবেষকদের সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছরে বাস্তবায়নের কোনো চিহ্ন না থাকলেও কাগজে-কলমে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে। তরুণদের শুধু চাকরি বা ঠিকাদারির পেছনে না ছুটে কৃষিভিত্তিক শিল্প ও উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোহাম্মদ শওকত রশীদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বার্ষিক পরিকল্পনা সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য জি এম সিরাজ, মোশারফ হোসেন ও সুরাইয়া জেরিন রনি, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. রফিকুল মোহামেদ, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা ও পল্লী উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালক ড. আবদুল মজিদ প্রামানিক বক্তব্য রাখেন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

সাংবাদিকদের ‘অ্যাক্টিভিস্ট’ হওয়া উচিত নয় : তথ্যমন্ত্রী

বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে পরবর্তী রাষ্ট্রপতির নাম ঠিক করা হবে : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৩:৪৩:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

বগুড়া জেলা প্রতিনিধি : 

বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে পরবর্তী রাষ্ট্রপতির নাম ঠিক করা হবে বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুর ১২টায় বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে বার্ষিক পরিকল্পনা সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, আগামীতে দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি কে হবেন বিএনপির দলীয় নাকি বাইরের কেউ, তা নির্ধারণ করা হবে দলের নীতি নির্ধারণী ফোরামের বৈঠকে। সংবিধান ও প্রয়োজনীয় আইন মেনে দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আলোচনা শেষে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।

রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করার পর বিএনপির পক্ষে কাকে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, এ বিষয়ে বিএনপি সভা করবে, স্ট্যান্ডিং কমিটির মিটিং হবে। আমাদের তো কোনো মিটিংই হয়নি এখনো। বৈঠকের পরই বিএনপির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।

দলের ভেতর থেকে না বাইরে থেকে রাষ্ট্রপতি হবেন, সে বিষয়ে তিনি কিছু বলতে রাজি হননি মির্জা ফখরুল। এমনকি রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার নাম শোনা যাচ্ছে এবং তিনি আগ্রহী কি না, এ প্রশ্নের জবাবেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এর আগে সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গবেষণায় বরাদ্দ বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক তর্কের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আমাদের কাজের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। দেশে বাজেটের বড় একটি অংশ অপচয় হলেও গবেষণার মতো মৌলিক জায়গায় পর্যাপ্ত বরাদ্দ মেলে না।

কৃষিপণ্যের উপযুক্ত মূল্য ও বাজারজাতকরণ নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, পল্লী উন্নয়ন মানে কেবল রাস্তাঘাট আর বাড়িঘর তৈরি করা নয়, গ্রামীণ কৃষকের আর্থিক সচ্ছলতা আনা। সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণের অভাবে আমাদের কৃষকরা উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পান না। এ সমস্যা সমাধানে গবেষকদের সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছরে বাস্তবায়নের কোনো চিহ্ন না থাকলেও কাগজে-কলমে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে। তরুণদের শুধু চাকরি বা ঠিকাদারির পেছনে না ছুটে কৃষিভিত্তিক শিল্প ও উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোহাম্মদ শওকত রশীদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বার্ষিক পরিকল্পনা সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য জি এম সিরাজ, মোশারফ হোসেন ও সুরাইয়া জেরিন রনি, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. রফিকুল মোহামেদ, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা ও পল্লী উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালক ড. আবদুল মজিদ প্রামানিক বক্তব্য রাখেন।