সন্ত্রাসবাদকে কখনোই যৌক্তিক বলা যেতে পারে না : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, হলি আর্টিজান বেকারিতে নৃশংস হামলার ১০ বছর পার হয়ে গেছে। এটি ছিল দেশের ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়। এমন হামলা যেন আর না ঘটে। সন্ত্রাসবাদকে কখনোই যৌক্তিক বলা যেতে পারে না। বাংলাদেশ কাউকেই শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে দেবে না।

বুধবার (১ জুলাই) হলি আর্টিজান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলার দশম বার্ষিকী উপলক্ষে নিহতদের স্মরণে ঢাকার ইতালি দূতাবাসের স্মরণসভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ বরাবরই শক্ত অবস্থানে। হলি আর্টিজানের ঘটনার পর হামলায় জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে সন্ত্রাস দমনে কার্যক্রম জোরদারের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী জঙ্গিবাদ দমনে কাজ করেছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ সরকার এবং ভারত, জাপান, ইতালি ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকরা হলি আর্টিসান বেকারিতে হামলার শিকার ৯ জন ইতালীয় নাগরিকসহ ২৪ জনেরও বেশি নিহত ব্যক্তিদের স্মরণ করেছেন। হামলার শিকার ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে তারা সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টা এবং এই ক্ষেত্রে দেশটির অর্জনের কথা স্মরণ করেন।

ইতালি দূতাবাসের কনস্যুলার চ্যান্সেলরির প্রধান লরা শিলা স্মারক অনুষ্ঠানটির সূচনা করেন এবং পুষ্পস্তবক অর্পণের আগে সব ভুক্তভোগীর নাম পাঠ করেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, কূটনৈতিক কোরের ডিন ও বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসেফ এসওয়াই রামাদান, ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো, জাপানের রাষ্ট্রদূত শিনিচি সাইদা, ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত উপমিশন প্রধান আলবার্ট সিয়া এবং বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিনিধি পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। হামলার শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

২০১৬ সালের ১ জুলাই বাংলাদেশের ঢাকার গুলশান কূটনৈতিক এলাকার হলি আর্টিসান বেকারিতে একটি নৃশংস সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়, যা ২৪ জনের (২০ জন জিম্মি ও ২ জন পুলিশ কর্মকর্তা, এবং ৬ জন হামলাকারী) প্রাণ কেড়ে নেয়। ১২ ঘণ্টার এই অবরুদ্ধ দশা ছিল দেশের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ ও নৃশংস ঘটনা।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

জন্মদিনে জয়া আহসানকে নিয়ে যা বললেন চঞ্চল

সন্ত্রাসবাদকে কখনোই যৌক্তিক বলা যেতে পারে না : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৩:৫৯:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, হলি আর্টিজান বেকারিতে নৃশংস হামলার ১০ বছর পার হয়ে গেছে। এটি ছিল দেশের ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়। এমন হামলা যেন আর না ঘটে। সন্ত্রাসবাদকে কখনোই যৌক্তিক বলা যেতে পারে না। বাংলাদেশ কাউকেই শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে দেবে না।

বুধবার (১ জুলাই) হলি আর্টিজান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলার দশম বার্ষিকী উপলক্ষে নিহতদের স্মরণে ঢাকার ইতালি দূতাবাসের স্মরণসভায় তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ বরাবরই শক্ত অবস্থানে। হলি আর্টিজানের ঘটনার পর হামলায় জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে সন্ত্রাস দমনে কার্যক্রম জোরদারের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী জঙ্গিবাদ দমনে কাজ করেছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ সরকার এবং ভারত, জাপান, ইতালি ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকরা হলি আর্টিসান বেকারিতে হামলার শিকার ৯ জন ইতালীয় নাগরিকসহ ২৪ জনেরও বেশি নিহত ব্যক্তিদের স্মরণ করেছেন। হামলার শিকার ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে তারা সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টা এবং এই ক্ষেত্রে দেশটির অর্জনের কথা স্মরণ করেন।

ইতালি দূতাবাসের কনস্যুলার চ্যান্সেলরির প্রধান লরা শিলা স্মারক অনুষ্ঠানটির সূচনা করেন এবং পুষ্পস্তবক অর্পণের আগে সব ভুক্তভোগীর নাম পাঠ করেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, কূটনৈতিক কোরের ডিন ও বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসেফ এসওয়াই রামাদান, ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো, জাপানের রাষ্ট্রদূত শিনিচি সাইদা, ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত উপমিশন প্রধান আলবার্ট সিয়া এবং বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিনিধি পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। হামলার শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

২০১৬ সালের ১ জুলাই বাংলাদেশের ঢাকার গুলশান কূটনৈতিক এলাকার হলি আর্টিসান বেকারিতে একটি নৃশংস সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়, যা ২৪ জনের (২০ জন জিম্মি ও ২ জন পুলিশ কর্মকর্তা, এবং ৬ জন হামলাকারী) প্রাণ কেড়ে নেয়। ১২ ঘণ্টার এই অবরুদ্ধ দশা ছিল দেশের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ ও নৃশংস ঘটনা।