Dhaka বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প একনেক সভায় অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) আজ পদ্মা ব্যারেজসহ ৯টি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে। এসব প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৩৬ হাজার ৪৯০ কোটি ৯৩ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ২০৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। নয়টি প্রকল্পের মধ্যে নতুন তিনটি ও সংশোধিত পাঁচটি এবং মেয়াদ বৃদ্ধি প্রকল্প একটি।

বুধবার (১৩ মে) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আজ বুধবার মন্ত্রিসভা সচিবালয় কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে নতুন প্রকল্প ৩টি ও সংশোধিত প্রকল্প ৫টি এবং মেয়াদ বৃদ্ধি প্রকল্প ১টি।

চট্টগ্রাম মুসলিম ইনস্টিটিউট সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স স্থাপন প্রকল্প (প্রথম সংশোধনী)। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এ প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত করা হচ্ছে। আধুনিক সাংস্কৃতিক অবকাঠামো গড়ে তুলে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণই এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ২৯০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হচ্ছে গণগ্রন্থাগার অধিদফতরের বহুতল ভবন নির্মাণ প্রকল্প (প্রথম সংশোধনী)। মে ২০২১ থেকে ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পের মাধ্যমে আধুনিক গ্রন্থাগার অবকাঠামো নির্মাণ ও প্রশাসনিক সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৬২০ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতায় হাই-টেক সিটি-২ এর সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প (তৃতীয় সংশোধনী)। জুলাই ২০১৯ থেকে ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত চলমান এ প্রকল্পের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং কর্মসংস্থান বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৩৩ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সরকারি শিশু পরিবার এবং ছোটমণি নিবাস নির্মাণ ও পুনর্র্নিমাণ প্রকল্প (প্রথম সংশোধনী)। এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের আবাসন, শিক্ষা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নতুন অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৯৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।

বিদ্যুৎ বিভাগের আওতায় ময়মনসিংহ কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহের জন্য ঘোড়াশাল থেকে ময়মনসিংহ পর্যন্ত গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্পের (প্রথম সংশোধনী)। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি সরবরাহ আরও স্থিতিশীল হবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৫৭ কোটি ৯৫ লাখ টাকা।

চট্টগ্রাম সিটি আউটার রিং রোড প্রকল্প (চতুর্থ সংশোধনী)। পতেঙ্গা থেকে সাগরিকা পর্যন্ত এই প্রকল্প চট্টগ্রামের যানজট নিরসন ও উপকূলীয় যোগাযোগ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৩২৪ কোটি ১৫ লাখ টাকা।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় সাভার সেনানিবাসে সৈনিকদের আবাসন সমস্যা নিরসনে চারটি এসএম ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পও তালিকায় রয়েছে (নতুন প্রকল্প)। জুলাই ২০২৫ থেকে জুন ২০২৮ মেয়াদি এ প্রকল্পের মাধ্যমে সেনা সদস্যদের আবাসন সুবিধা বাড়ানো হবে। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৮৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা।

পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সবচেয়ে আলোচিত প্রকল্পগুলোর একটি হচ্ছে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের প্রথম পর্যায় (নতুন প্রকল্প)। জানুয়ারি ২০২৬ থেকে জুন ২০৩৩ পর্যন্ত বাস্তবায়নযোগ্য এ প্রকল্পের মাধ্যমে পানি সংরক্ষণ, সেচ সুবিধা বৃদ্ধি, নদী ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং দক্ষিণাঞ্চলে লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ব্যয় ধরা হয়েছে সাড়ে ৩৪ হাজার কোটি টাকা।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে জেলা শহরের বিদ্যমান মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রগুলোকে ৩০ শয্যায় উন্নীতকরণ ও পুনর্র্নিমাণ প্রকল্পও একনেকে উঠছে (নতুন প্রকল্প)। জুলাই ২০২৫ থেকে জুন ২০২৮ মেয়াদি এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়বে এবং জেলা পর্যায়ে চিকিৎসাসেবা সহজ হবে। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩২৯ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।

সভায় পরিকল্পনা মন্ত্রী কর্তৃক ইতিমধ্যে অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয় সম্বলিত ০২টি প্রকল্প সর্ম্পকে একনেক সভায় অবহিত করা হয়। ১. ময়মনসিংহ জিলা স্কুল, ময়মনসিংহ এর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প ২. বিমান বাহিনী ঘাঁটি কুর্মিটোলায় বিমানসেনা ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প।

সভায় অর্থ এবং পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প একনেক সভায় অনুমোদন

প্রকাশের সময় : ০৪:০৭:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) আজ পদ্মা ব্যারেজসহ ৯টি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে। এসব প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৩৬ হাজার ৪৯০ কোটি ৯৩ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ২০৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। নয়টি প্রকল্পের মধ্যে নতুন তিনটি ও সংশোধিত পাঁচটি এবং মেয়াদ বৃদ্ধি প্রকল্প একটি।

বুধবার (১৩ মে) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আজ বুধবার মন্ত্রিসভা সচিবালয় কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে নতুন প্রকল্প ৩টি ও সংশোধিত প্রকল্প ৫টি এবং মেয়াদ বৃদ্ধি প্রকল্প ১টি।

চট্টগ্রাম মুসলিম ইনস্টিটিউট সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স স্থাপন প্রকল্প (প্রথম সংশোধনী)। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এ প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত করা হচ্ছে। আধুনিক সাংস্কৃতিক অবকাঠামো গড়ে তুলে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণই এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ২৯০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হচ্ছে গণগ্রন্থাগার অধিদফতরের বহুতল ভবন নির্মাণ প্রকল্প (প্রথম সংশোধনী)। মে ২০২১ থেকে ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পের মাধ্যমে আধুনিক গ্রন্থাগার অবকাঠামো নির্মাণ ও প্রশাসনিক সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৬২০ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতায় হাই-টেক সিটি-২ এর সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প (তৃতীয় সংশোধনী)। জুলাই ২০১৯ থেকে ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত চলমান এ প্রকল্পের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং কর্মসংস্থান বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৩৩ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সরকারি শিশু পরিবার এবং ছোটমণি নিবাস নির্মাণ ও পুনর্র্নিমাণ প্রকল্প (প্রথম সংশোধনী)। এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের আবাসন, শিক্ষা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নতুন অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৯৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।

বিদ্যুৎ বিভাগের আওতায় ময়মনসিংহ কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহের জন্য ঘোড়াশাল থেকে ময়মনসিংহ পর্যন্ত গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্পের (প্রথম সংশোধনী)। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি সরবরাহ আরও স্থিতিশীল হবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৫৭ কোটি ৯৫ লাখ টাকা।

চট্টগ্রাম সিটি আউটার রিং রোড প্রকল্প (চতুর্থ সংশোধনী)। পতেঙ্গা থেকে সাগরিকা পর্যন্ত এই প্রকল্প চট্টগ্রামের যানজট নিরসন ও উপকূলীয় যোগাযোগ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৩২৪ কোটি ১৫ লাখ টাকা।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় সাভার সেনানিবাসে সৈনিকদের আবাসন সমস্যা নিরসনে চারটি এসএম ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পও তালিকায় রয়েছে (নতুন প্রকল্প)। জুলাই ২০২৫ থেকে জুন ২০২৮ মেয়াদি এ প্রকল্পের মাধ্যমে সেনা সদস্যদের আবাসন সুবিধা বাড়ানো হবে। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৮৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা।

পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সবচেয়ে আলোচিত প্রকল্পগুলোর একটি হচ্ছে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের প্রথম পর্যায় (নতুন প্রকল্প)। জানুয়ারি ২০২৬ থেকে জুন ২০৩৩ পর্যন্ত বাস্তবায়নযোগ্য এ প্রকল্পের মাধ্যমে পানি সংরক্ষণ, সেচ সুবিধা বৃদ্ধি, নদী ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং দক্ষিণাঞ্চলে লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ব্যয় ধরা হয়েছে সাড়ে ৩৪ হাজার কোটি টাকা।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে জেলা শহরের বিদ্যমান মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রগুলোকে ৩০ শয্যায় উন্নীতকরণ ও পুনর্র্নিমাণ প্রকল্পও একনেকে উঠছে (নতুন প্রকল্প)। জুলাই ২০২৫ থেকে জুন ২০২৮ মেয়াদি এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়বে এবং জেলা পর্যায়ে চিকিৎসাসেবা সহজ হবে। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩২৯ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।

সভায় পরিকল্পনা মন্ত্রী কর্তৃক ইতিমধ্যে অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয় সম্বলিত ০২টি প্রকল্প সর্ম্পকে একনেক সভায় অবহিত করা হয়। ১. ময়মনসিংহ জিলা স্কুল, ময়মনসিংহ এর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প ২. বিমান বাহিনী ঘাঁটি কুর্মিটোলায় বিমানসেনা ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প।

সভায় অর্থ এবং পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।