Dhaka রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উপজেলা ও পৌরসভায় ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করলো এনসিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে প্রথম ধাপে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও পৌরসভার মেয়র পদে ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এর মধ্যে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে ৫০ জন এবং পৌরসভার মেয়র প্রার্থী রয়েছেন ৫০ জন।

রোববার (১০ মে) বিকেলে দলটির অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে আজ ১০০ জন এনসিপি সমর্থিত উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এবং পৌরসভা মেয়র প্রদপ্রার্থী ঘোষণা করছি।

সারজিস আলম বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য হাজারেরও বেশি অ্যাপ্লিকেশন জমা হয়েছিল। সেখান থেকে আমরা প্রাথমিকভাবে ১০০ জনের নাম ঘোষণা করছি। আগামী ঈদের আগেই আমরা আশা করছি এ মাসের ২০ তারিখে দ্বিতীয় ধাপে আবারো ১০০ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করব। আমাদের এই নাম ঘোষণার প্রক্রিয়া চলতে থাকবে।

তিনি বলেন, আমাদের সারা দেশ থেকে এনসিপিতে যারা বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্বে আছেন, নেতৃত্ব দিচ্ছেন কিংবা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের যারা পরিশ্রমী, গ্রহণযোগ্য, যারা মানুষের উপর কখনো জুুলুমের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল না, যাদের সঙ্গে ফ্যাসিস্টদের সরাসরি সম্পৃক্ততা বা তাদের পর্যায়ে অপরাধের সম্পৃক্ততা ছিল না; তারা অন্য যে কোনো রাজনৈতিক দলেরই হোক না কেন, তারা এনসিপির প্রার্থী হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবে। আমরা সার্বিকভাবে যাচাই বাছাই করে সিদ্ধান্ত নিয়ে অন্য কোনো রাজনৈতিক দল থেকে যদি কেউ আসতে চায়, তাদেরকেও সুযোগ দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, ফ্যাসিস্ট ও দুর্নীতির সাথে সম্পৃক্ততা না থাকলে এবং সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা থাকলে অন্য দলের কেউ-ও এনসিপির পক্ষে পৌর মেয়র ও উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আবেদন করতে পারবেন।

আওয়ামী লীগ-বিএনপি থেকে এনসিপিতে আসা নেতাকর্মীদের প্রার্থী করা হয়েছে কি না, করলে সেই সংখ্যাটা কত? সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে সারজিস আলম বলেন, পূর্বে বিএনপি-জামায়াত করেছে এমন নেতা আছে, আবার কেউ কখনো রাজনীতি করেনি, তারাও স্থান পেয়েছে। কিংবা ধরেন আজ থেকে পাঁচ-সাত বছর আগে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করত, পরে অতিষ্ঠ হয়ে আওয়ামী লীগ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল, রাজনৈতিকভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে গিয়েছিল সেরকম কিছু মানুষ যারা পরবর্তীতে জুলাইয়ের পক্ষে ছিল তারা মনে করে আওয়ামী লীগ একটা স্বৈরাচার ছিল—এরকম কিছু পদপ্রার্থীরাও এখানে এসেছে।

তিনি বলেন, সামগ্রিকভাবে সব রাজনৈতিক দল থেকে যাচাই-বাছাই করে যাদেরকে আমাদের মনে হয়েছে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য, আমরা তাদের প্রার্থী করেছি।

জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোট প্রসঙ্গে সারজিস আলম বলেন, স্থানীয় নির্বাচনে এনসিপি এককভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে। কারণ সব উপজেলায় ১১ দল মিলে একজন প্রার্থী সিলেক্ট করা কষ্টকর। আমরা এখন পর্যন্ত এককভাবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। এরপরও যদি জোট হয় তাহলে সেটি সেসময় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে দলটি থেকে জানানো হয়, ঘোষিত প্রার্থী তালিকায় পরিবর্তন আসবে যদি কোনো প্রার্থী প্রত্যাশা অনুযায়ী মাঠ পর্যায়ে কাজ না করেন। সেক্ষেত্রে সম্ভাবনাময় অন্য কাউকে বেছে নেবেন।

কোন বিভাগে কত প্রার্থী

>> রংপুর বিভাগ – ১০ জন উপজেলা চেয়ারম্যান ও ৫ জন পৌর মেয়র

>> রাজশাহী বিভাগ – ৮ জন উপজেলা চেয়ারম্যান ও ৫ জন পৌর মেয়র

>> সিলেট বিভাগ – ৮ জন উপজেলা চেয়ারম্যান ও একজন পৌর মেয়র

>> ময়মনসিংহ বিভাগ – ৮ উপজেলা চেয়ারম্যান ও ৩ জন পৌর মেয়র

>> ঢাকা বিভাগ উত্তর – ৭ জন উপজেলা চেয়ারম্যান ও ৪ জন পৌর মেয়র

>> ঢাকা বিভাগ দক্ষিণ – ২ উপজেলা চেয়ারম্যান

>> ফরিদপুর সাংগঠনিক বিভাগ- একজন উপজেলা চেয়ারম্যান ও ৪ পৌর মেয়র

>> খুলনা বিভাগ – ৬ উপজেলা চেয়ারম্যান ও ৭ জন পৌর মেয়র

>> বরিশাল বিভাগ – ৫ উপজেলা চেয়ারম্যান ও ১ জন পৌর মেয়র

>> কুমিল্লা বিভাগ – ৬ উপজেলা চেয়ারম্যান ও ১ পৌর মেয়র

>> চট্টগ্রাম বিভাগ – ৫ উপজেলা চেয়ারম্যান ও ৪ পৌর মেয়র

চব্বিশের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সামনের সারিতে থাকা ছাত্র নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত রাজনৈতিক দল এনসিপি গত সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট বেধে অংশ নিয়ে ছয়টি আসনে জয়লাভ করেছে।

জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের অন্যতম প্রধান শরিক হলেও দলটি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার কথা বলছে।

এ প্রসঙ্গে সারজিস বলেন, “স্থানীয় নির্বাচনে এনসিপি এককভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে। কারণ সব উপজেলায় ১১ দল মিলে একজন প্রার্থী বেছে নেওয়া কষ্টকর।”

তবে প্রার্থী নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনার কথা অস্বীকার না করে তিনি বলেন, এরপরও যদি জোটের বিষয়টি নিয়ে কথা হয় তাহলে সেটি সেসময় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সারাদেশ থেকে এনসিপিতে যারা বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্বে আছেন, নেতৃত্ব দিচ্ছেন কিংবা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের যারা পরিশ্রমী, গ্রহণযোগ্য, যারা মানুষের ওপর কখনো জুলুমের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল না, যাদের সঙ্গে ফ্যাসিস্টদের সরাসরি সম্পৃক্ততা বা তাদের পর্যায়ে অপরাধের সম্পৃক্ততা ছিল না; তারা অন্য যেকোন রাজনৈতিক দলেরই হোক না কেন, এনসিপির প্রার্থী হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। সার্বিকভাবে যাচাই বাছাই করে সিদ্ধান্ত নিয়ে অন্য কোনো রাজনৈতিক দল থেকে যদি কেউ আসতে চায়, তাদেরকেও সুযোগ দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

আবহাওয়া

স্বামী জামিন পাওয়ায় এজলাসেই বিষপান করলেন স্ত্রী

উপজেলা ও পৌরসভায় ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করলো এনসিপি

প্রকাশের সময় : ০৭:৪১:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে প্রথম ধাপে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও পৌরসভার মেয়র পদে ১০০ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এর মধ্যে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে ৫০ জন এবং পৌরসভার মেয়র প্রার্থী রয়েছেন ৫০ জন।

রোববার (১০ মে) বিকেলে দলটির অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।

তিনি বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে আজ ১০০ জন এনসিপি সমর্থিত উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এবং পৌরসভা মেয়র প্রদপ্রার্থী ঘোষণা করছি।

সারজিস আলম বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য হাজারেরও বেশি অ্যাপ্লিকেশন জমা হয়েছিল। সেখান থেকে আমরা প্রাথমিকভাবে ১০০ জনের নাম ঘোষণা করছি। আগামী ঈদের আগেই আমরা আশা করছি এ মাসের ২০ তারিখে দ্বিতীয় ধাপে আবারো ১০০ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করব। আমাদের এই নাম ঘোষণার প্রক্রিয়া চলতে থাকবে।

তিনি বলেন, আমাদের সারা দেশ থেকে এনসিপিতে যারা বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্বে আছেন, নেতৃত্ব দিচ্ছেন কিংবা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের যারা পরিশ্রমী, গ্রহণযোগ্য, যারা মানুষের উপর কখনো জুুলুমের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল না, যাদের সঙ্গে ফ্যাসিস্টদের সরাসরি সম্পৃক্ততা বা তাদের পর্যায়ে অপরাধের সম্পৃক্ততা ছিল না; তারা অন্য যে কোনো রাজনৈতিক দলেরই হোক না কেন, তারা এনসিপির প্রার্থী হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবে। আমরা সার্বিকভাবে যাচাই বাছাই করে সিদ্ধান্ত নিয়ে অন্য কোনো রাজনৈতিক দল থেকে যদি কেউ আসতে চায়, তাদেরকেও সুযোগ দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, ফ্যাসিস্ট ও দুর্নীতির সাথে সম্পৃক্ততা না থাকলে এবং সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা থাকলে অন্য দলের কেউ-ও এনসিপির পক্ষে পৌর মেয়র ও উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে আবেদন করতে পারবেন।

আওয়ামী লীগ-বিএনপি থেকে এনসিপিতে আসা নেতাকর্মীদের প্রার্থী করা হয়েছে কি না, করলে সেই সংখ্যাটা কত? সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে সারজিস আলম বলেন, পূর্বে বিএনপি-জামায়াত করেছে এমন নেতা আছে, আবার কেউ কখনো রাজনীতি করেনি, তারাও স্থান পেয়েছে। কিংবা ধরেন আজ থেকে পাঁচ-সাত বছর আগে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করত, পরে অতিষ্ঠ হয়ে আওয়ামী লীগ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল, রাজনৈতিকভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে গিয়েছিল সেরকম কিছু মানুষ যারা পরবর্তীতে জুলাইয়ের পক্ষে ছিল তারা মনে করে আওয়ামী লীগ একটা স্বৈরাচার ছিল—এরকম কিছু পদপ্রার্থীরাও এখানে এসেছে।

তিনি বলেন, সামগ্রিকভাবে সব রাজনৈতিক দল থেকে যাচাই-বাছাই করে যাদেরকে আমাদের মনে হয়েছে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য, আমরা তাদের প্রার্থী করেছি।

জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোট প্রসঙ্গে সারজিস আলম বলেন, স্থানীয় নির্বাচনে এনসিপি এককভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে। কারণ সব উপজেলায় ১১ দল মিলে একজন প্রার্থী সিলেক্ট করা কষ্টকর। আমরা এখন পর্যন্ত এককভাবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। এরপরও যদি জোট হয় তাহলে সেটি সেসময় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে দলটি থেকে জানানো হয়, ঘোষিত প্রার্থী তালিকায় পরিবর্তন আসবে যদি কোনো প্রার্থী প্রত্যাশা অনুযায়ী মাঠ পর্যায়ে কাজ না করেন। সেক্ষেত্রে সম্ভাবনাময় অন্য কাউকে বেছে নেবেন।

কোন বিভাগে কত প্রার্থী

>> রংপুর বিভাগ – ১০ জন উপজেলা চেয়ারম্যান ও ৫ জন পৌর মেয়র

>> রাজশাহী বিভাগ – ৮ জন উপজেলা চেয়ারম্যান ও ৫ জন পৌর মেয়র

>> সিলেট বিভাগ – ৮ জন উপজেলা চেয়ারম্যান ও একজন পৌর মেয়র

>> ময়মনসিংহ বিভাগ – ৮ উপজেলা চেয়ারম্যান ও ৩ জন পৌর মেয়র

>> ঢাকা বিভাগ উত্তর – ৭ জন উপজেলা চেয়ারম্যান ও ৪ জন পৌর মেয়র

>> ঢাকা বিভাগ দক্ষিণ – ২ উপজেলা চেয়ারম্যান

>> ফরিদপুর সাংগঠনিক বিভাগ- একজন উপজেলা চেয়ারম্যান ও ৪ পৌর মেয়র

>> খুলনা বিভাগ – ৬ উপজেলা চেয়ারম্যান ও ৭ জন পৌর মেয়র

>> বরিশাল বিভাগ – ৫ উপজেলা চেয়ারম্যান ও ১ জন পৌর মেয়র

>> কুমিল্লা বিভাগ – ৬ উপজেলা চেয়ারম্যান ও ১ পৌর মেয়র

>> চট্টগ্রাম বিভাগ – ৫ উপজেলা চেয়ারম্যান ও ৪ পৌর মেয়র

চব্বিশের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সামনের সারিতে থাকা ছাত্র নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত রাজনৈতিক দল এনসিপি গত সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট বেধে অংশ নিয়ে ছয়টি আসনে জয়লাভ করেছে।

জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের অন্যতম প্রধান শরিক হলেও দলটি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার কথা বলছে।

এ প্রসঙ্গে সারজিস বলেন, “স্থানীয় নির্বাচনে এনসিপি এককভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে। কারণ সব উপজেলায় ১১ দল মিলে একজন প্রার্থী বেছে নেওয়া কষ্টকর।”

তবে প্রার্থী নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনার কথা অস্বীকার না করে তিনি বলেন, এরপরও যদি জোটের বিষয়টি নিয়ে কথা হয় তাহলে সেটি সেসময় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সারাদেশ থেকে এনসিপিতে যারা বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্বে আছেন, নেতৃত্ব দিচ্ছেন কিংবা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের যারা পরিশ্রমী, গ্রহণযোগ্য, যারা মানুষের ওপর কখনো জুলুমের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল না, যাদের সঙ্গে ফ্যাসিস্টদের সরাসরি সম্পৃক্ততা বা তাদের পর্যায়ে অপরাধের সম্পৃক্ততা ছিল না; তারা অন্য যেকোন রাজনৈতিক দলেরই হোক না কেন, এনসিপির প্রার্থী হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। সার্বিকভাবে যাচাই বাছাই করে সিদ্ধান্ত নিয়ে অন্য কোনো রাজনৈতিক দল থেকে যদি কেউ আসতে চায়, তাদেরকেও সুযোগ দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।