Dhaka রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে : সড়কমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

আসন্ন ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সব ধরনের ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন, নৌ ও রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

রোববার (১০ মে) রাজধানীর ঢাকা লেডিস ক্লাবে নৌ পরিবহন অধিদপ্তর আয়োজিত নৌ নিরাপত্তা সপ্তাহ ২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় মন্ত্রী নৌ সেক্টরকে এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীর মেধা, ধৈর্য ও ত্যাগকে কাজে লাগানোর বিকল্প নেই বলেও জানান।

শেখ রবিউল আলম বলেন, দেশে নৌ ও নৌযান ব্যবস্থাপনার জন্য প্রয়োজনীয় সব দপ্তর ও সংস্থা থাকলেও সমন্বয়ের অভাবে কাঙ্ক্ষিত সফলতা আসছে না। তিনি বলেন, নৌ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রায় ১৬টি সংস্থা রয়েছে। শুধু একটি যাত্রাকে নির্বিঘ্ন করার জন্য এত সংস্থা অন্য কোনো মন্ত্রণালয়ে নেই। তারপরও ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ, ব্যর্থতা ও অপূর্ণতা রয়ে গেছে।

নৌমন্ত্রী বলেন, শ্রমিক, নাবিক, মালিক প্রতিনিধি ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত সবার বক্তব্যে অসন্তোষ ও অতৃপ্তির বিষয় উঠে এসেছে। তবে এর দায় সবার।

তিনি বলেন, এর দায় এককভাবে কারও নয়, বরং সবার। শ্রমিকরা দেশ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন, কিন্তু রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিতে মালিক, শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের সম্মিলিতভাবে দায়িত্বশীল হতে হবে।

নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি এখনও অনেকাংশে শ্রমনির্ভর। গার্মেন্টস শ্রমিক ও প্রবাসী শ্রমিকদের অবদান ছাড়া দেশের অর্থনীতি সচল রাখা সম্ভব নয়। একই সঙ্গে দেশের ভেতরের শ্রমজীবী মানুষেরাও নীরবে রাষ্ট্র গঠনে কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক আশীর্বাদগুলোর একটি হলো প্রায় ১৬ হাজার কিলোমিটার নৌপথ। অথচ এই বিশাল সম্পদকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো যাচ্ছে না। বর্তমানে সাড়ে সাত হাজার কিলোমিটার নৌপথ সচল রাখা হয়েছে, আরও ১২০০ কিলোমিটারে ড্রেজিং চলছে এবং অতিরিক্ত সাড়ে চার হাজার কিলোমিটার নৌপথ সচল করার সুযোগ রয়েছে। তবে নৌযান ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িতদের মধ্যে এখনও জরাজীর্ণতা ও শৃঙ্খলার অভাব রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ ৫৩ বছর চেষ্টা করে ২৩ হাজার কিলোমিটার মহাসড়ক তৈরি করা হয়েছে। অথচ স্বাভাবিকভাবেই আমরা বিশাল নৌপথ পেয়েছি। এটাকে যদি রাষ্ট্রবান্ধবভাবে ব্যবহার করতে পারতাম তাহলে এটি দেশের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ হতো।’

শ্রমিকদের অবদান তুলে ধরে শেখ রবিউল আলম বলেন, সেনাবাহিনী দেশ রক্ষা করে, শ্রমিকরা দেশ নির্মাণ করে। শ্রমিক হচ্ছে আল্লাহর প্রদত্ত আশীর্বাদ। শ্রম ছাড়া কোনো জাতি সমৃদ্ধ হয় না। দেশের অর্থনীতি এখনো শ্রমনির্ভর। গার্মেন্ট শ্রমিক ও বিদেশে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকদের রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিকে সচল রেখেছে। একইসঙ্গে দেশের অভ্যন্তরেও শ্রমিকরা নিবেদিতভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

নৌ নিরাপত্তা সপ্তাহ উদযাপনের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, রমজান মাস যেমন মানুষকে আত্মশুদ্ধি ও সংযমের অনুশীলন শেখায়, তেমনি এই ধরনের আয়োজনও দায়িত্ব ও কর্তব্যে ফিরে আসার সুযোগ তৈরি করে। কর্মব্যস্ততা, সামাজিক চাপ ও ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে মানুষ দায়িত্ব থেকে বিচ্যুত হয়। তাই এ ধরনের সপ্তাহ পালন সবাইকে আবার সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে সহায়তা করে। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠকে বিভিন্ন সমস্যা ও বিচ্যুতি চিহ্নিত করে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। জনগণের স্বার্থে নিরাপদ নৌযাত্রা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।

নৌযাত্রাকে আরও নিরাপদ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও উপভোগ্য করতে মালিক, শ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে রবিউল আলম বলেন, সদরঘাটে ঈদের সময় আগের চেয়ে ভালো ব্যবস্থাপনা দেখা গেছে, তবে আরও উন্নতির সুযোগ রয়েছে। এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে দুই থেকে তিন বছরের মধ্যেই দেশের নৌ ব্যবস্থাপনার চেহারা বদলে দেওয়া সম্ভব। শুধু আর্থিক বিনিয়োগে নয়, বরং মেধা, শ্রম, ত্যাগ ও দায়িত্ববোধের বিনিয়োগের মাধ্যমেই একটি দেশ সমৃদ্ধ হয়।

কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নিজেদের পরিবার নিরাপদ হওয়ার পরে সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য আরও বেশি অবদান রাখতে হবে। তাহলেই দেশের পরিবর্তন সম্ভব হবে।

নৌযান মালিক, কার্গো মালিক, শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সবাই দায়িত্বশীল হলে পুরো নৌখাতের চেহারা বদলে যাবে। সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা থাকলেও বিদ্যমান সক্ষমতার শতভাগ ব্যবহার করা গেলে সব প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করা সম্ভব।

ঈদকে সামনে রেখে নৌপথে যাত্রীসেবায় আরও সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, গতবারের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার আরও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মালিক ও শ্রমিকরা ইতোমধ্যে সহযোগিতামূলক মনোভাব দেখিয়েছেন। ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থ নয়, রাষ্ট্র ও জনগণের সার্বজনীন স্বার্থে যেকোনো প্রয়োজনীয় উদ্যোগ সরকার গ্রহণ করবে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, নৌপরিবহন সচিব জাকারিয়া, বিআইডব্লিউটিএ-এর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর মো. শফিউল বারী, চিফ ইঞ্জিনিয়ার অ্যান্ড শিপ সার্ভেয়ার মির্জা সাইফুর রহমান প্রমুখ।

আবহাওয়া

ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়েমুচড়ে গেল কয়লাবাহী ট্রাক, চালক নিহত

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে : সড়কমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০২:২১:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

আসন্ন ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সব ধরনের ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন, নৌ ও রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

রোববার (১০ মে) রাজধানীর ঢাকা লেডিস ক্লাবে নৌ পরিবহন অধিদপ্তর আয়োজিত নৌ নিরাপত্তা সপ্তাহ ২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় মন্ত্রী নৌ সেক্টরকে এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীর মেধা, ধৈর্য ও ত্যাগকে কাজে লাগানোর বিকল্প নেই বলেও জানান।

শেখ রবিউল আলম বলেন, দেশে নৌ ও নৌযান ব্যবস্থাপনার জন্য প্রয়োজনীয় সব দপ্তর ও সংস্থা থাকলেও সমন্বয়ের অভাবে কাঙ্ক্ষিত সফলতা আসছে না। তিনি বলেন, নৌ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রায় ১৬টি সংস্থা রয়েছে। শুধু একটি যাত্রাকে নির্বিঘ্ন করার জন্য এত সংস্থা অন্য কোনো মন্ত্রণালয়ে নেই। তারপরও ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ, ব্যর্থতা ও অপূর্ণতা রয়ে গেছে।

নৌমন্ত্রী বলেন, শ্রমিক, নাবিক, মালিক প্রতিনিধি ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত সবার বক্তব্যে অসন্তোষ ও অতৃপ্তির বিষয় উঠে এসেছে। তবে এর দায় সবার।

তিনি বলেন, এর দায় এককভাবে কারও নয়, বরং সবার। শ্রমিকরা দেশ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন, কিন্তু রাষ্ট্রকে এগিয়ে নিতে মালিক, শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের সম্মিলিতভাবে দায়িত্বশীল হতে হবে।

নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি এখনও অনেকাংশে শ্রমনির্ভর। গার্মেন্টস শ্রমিক ও প্রবাসী শ্রমিকদের অবদান ছাড়া দেশের অর্থনীতি সচল রাখা সম্ভব নয়। একই সঙ্গে দেশের ভেতরের শ্রমজীবী মানুষেরাও নীরবে রাষ্ট্র গঠনে কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক আশীর্বাদগুলোর একটি হলো প্রায় ১৬ হাজার কিলোমিটার নৌপথ। অথচ এই বিশাল সম্পদকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো যাচ্ছে না। বর্তমানে সাড়ে সাত হাজার কিলোমিটার নৌপথ সচল রাখা হয়েছে, আরও ১২০০ কিলোমিটারে ড্রেজিং চলছে এবং অতিরিক্ত সাড়ে চার হাজার কিলোমিটার নৌপথ সচল করার সুযোগ রয়েছে। তবে নৌযান ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িতদের মধ্যে এখনও জরাজীর্ণতা ও শৃঙ্খলার অভাব রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ ৫৩ বছর চেষ্টা করে ২৩ হাজার কিলোমিটার মহাসড়ক তৈরি করা হয়েছে। অথচ স্বাভাবিকভাবেই আমরা বিশাল নৌপথ পেয়েছি। এটাকে যদি রাষ্ট্রবান্ধবভাবে ব্যবহার করতে পারতাম তাহলে এটি দেশের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ হতো।’

শ্রমিকদের অবদান তুলে ধরে শেখ রবিউল আলম বলেন, সেনাবাহিনী দেশ রক্ষা করে, শ্রমিকরা দেশ নির্মাণ করে। শ্রমিক হচ্ছে আল্লাহর প্রদত্ত আশীর্বাদ। শ্রম ছাড়া কোনো জাতি সমৃদ্ধ হয় না। দেশের অর্থনীতি এখনো শ্রমনির্ভর। গার্মেন্ট শ্রমিক ও বিদেশে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকদের রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিকে সচল রেখেছে। একইসঙ্গে দেশের অভ্যন্তরেও শ্রমিকরা নিবেদিতভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

নৌ নিরাপত্তা সপ্তাহ উদযাপনের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, রমজান মাস যেমন মানুষকে আত্মশুদ্ধি ও সংযমের অনুশীলন শেখায়, তেমনি এই ধরনের আয়োজনও দায়িত্ব ও কর্তব্যে ফিরে আসার সুযোগ তৈরি করে। কর্মব্যস্ততা, সামাজিক চাপ ও ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে মানুষ দায়িত্ব থেকে বিচ্যুত হয়। তাই এ ধরনের সপ্তাহ পালন সবাইকে আবার সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে সহায়তা করে। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠকে বিভিন্ন সমস্যা ও বিচ্যুতি চিহ্নিত করে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। জনগণের স্বার্থে নিরাপদ নৌযাত্রা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।

নৌযাত্রাকে আরও নিরাপদ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও উপভোগ্য করতে মালিক, শ্রমিক ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে রবিউল আলম বলেন, সদরঘাটে ঈদের সময় আগের চেয়ে ভালো ব্যবস্থাপনা দেখা গেছে, তবে আরও উন্নতির সুযোগ রয়েছে। এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে দুই থেকে তিন বছরের মধ্যেই দেশের নৌ ব্যবস্থাপনার চেহারা বদলে দেওয়া সম্ভব। শুধু আর্থিক বিনিয়োগে নয়, বরং মেধা, শ্রম, ত্যাগ ও দায়িত্ববোধের বিনিয়োগের মাধ্যমেই একটি দেশ সমৃদ্ধ হয়।

কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নিজেদের পরিবার নিরাপদ হওয়ার পরে সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য আরও বেশি অবদান রাখতে হবে। তাহলেই দেশের পরিবর্তন সম্ভব হবে।

নৌযান মালিক, কার্গো মালিক, শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সবাই দায়িত্বশীল হলে পুরো নৌখাতের চেহারা বদলে যাবে। সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা থাকলেও বিদ্যমান সক্ষমতার শতভাগ ব্যবহার করা গেলে সব প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করা সম্ভব।

ঈদকে সামনে রেখে নৌপথে যাত্রীসেবায় আরও সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, গতবারের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার আরও প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মালিক ও শ্রমিকরা ইতোমধ্যে সহযোগিতামূলক মনোভাব দেখিয়েছেন। ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থ নয়, রাষ্ট্র ও জনগণের সার্বজনীন স্বার্থে যেকোনো প্রয়োজনীয় উদ্যোগ সরকার গ্রহণ করবে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, নৌপরিবহন সচিব জাকারিয়া, বিআইডব্লিউটিএ-এর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর মো. শফিউল বারী, চিফ ইঞ্জিনিয়ার অ্যান্ড শিপ সার্ভেয়ার মির্জা সাইফুর রহমান প্রমুখ।