Dhaka বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরাইলের হাসপাতাল নিজেই রোগীর মতো : রুমিন ফারহানা

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০২:২৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ২১৩ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিজ সংসদীয় এলাকা সরাইলের হাসপাতাল নিজেই রোগীর মতো বলে অভিযোগ জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনে উত্থাপিত সিদ্ধান্ত-প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

নিজ সংসদীয় এলাকার স্বাস্থ্যসেবার বেহাল দশা উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার নয়টি ইউনিয়নের প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষের জন্য একটি হাসপাতাল আছে, যেটি মাত্র ৫০ শয্যা বিশিষ্ট; এবং হাসপাতালটা নিজেই একটা রোগীর মতো।

তিনি বলেন, এখানে প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, কর্মচারী, চাহিদামাফিক ওষুধ, অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সকল কিছুর সংকট বিদ্যমান। আমাদের এই হাসপাতালে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি ছয়তলা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু ৫ আগস্টের পর ঠিকাদার পালিয়ে গেছে। এখনো পুরোনো দোতলা ভবন; যে ভবনটি দেখলেই রোগাক্রান্ত মনে হয়, সেখানেই কাজ চালানো হচ্ছে। জানা গেছে, এই হাসপাতালে কনসালট্যান্টসহ চিকিৎসকদের নয়টি, নার্সের ছয়টি, মেডিকেল টেকনোলজিস্টের দুটি, ফিল্ড স্টাফের ১৫টি, স্বাস্থ্য সহকারী আটটি ও অন্যান্য ১৯টি প্রেষণে থাকা পদসহ ৬৪টি পদ শূন্য রয়েছে।

আবহাওয়া

জনবান্ধব পুলিশিং গড়ে তুলতে কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার করতে হবে : ডিএমপির কমিশনার

সরাইলের হাসপাতাল নিজেই রোগীর মতো : রুমিন ফারহানা

প্রকাশের সময় : ০২:২৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিজ সংসদীয় এলাকা সরাইলের হাসপাতাল নিজেই রোগীর মতো বলে অভিযোগ জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনে উত্থাপিত সিদ্ধান্ত-প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

নিজ সংসদীয় এলাকার স্বাস্থ্যসেবার বেহাল দশা উল্লেখ করে রুমিন ফারহানা বলেন, আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার নয়টি ইউনিয়নের প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষের জন্য একটি হাসপাতাল আছে, যেটি মাত্র ৫০ শয্যা বিশিষ্ট; এবং হাসপাতালটা নিজেই একটা রোগীর মতো।

তিনি বলেন, এখানে প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, কর্মচারী, চাহিদামাফিক ওষুধ, অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সকল কিছুর সংকট বিদ্যমান। আমাদের এই হাসপাতালে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি ছয়তলা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু ৫ আগস্টের পর ঠিকাদার পালিয়ে গেছে। এখনো পুরোনো দোতলা ভবন; যে ভবনটি দেখলেই রোগাক্রান্ত মনে হয়, সেখানেই কাজ চালানো হচ্ছে। জানা গেছে, এই হাসপাতালে কনসালট্যান্টসহ চিকিৎসকদের নয়টি, নার্সের ছয়টি, মেডিকেল টেকনোলজিস্টের দুটি, ফিল্ড স্টাফের ১৫টি, স্বাস্থ্য সহকারী আটটি ও অন্যান্য ১৯টি প্রেষণে থাকা পদসহ ৬৪টি পদ শূন্য রয়েছে।