Dhaka শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংস্কারের কোন ব্যবস্থা নেই এলজিইডি বিভাগের

আগৈলঝাড়ায় বাহাদুরপুর মধ্যপাড়া ব্রীজটি যেন মরণফাঁদ

অপূর্ব লাল সরকার, আগৈলঝাড়া (বরিশাল) থেকে : 

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ঝুঁকিপূর্ন ব্রীজ দিয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে শিক্ষার্থীসহ সাধারন লোকজন। ব্রীজের দু’পাশের হাতল নেই, মাঝখানে ভেঙে গিয়ে ঝুকিপূর্ন হয়ে পরেছে। জরাজীর্ণ ব্রীজটি দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে সংস্কারের উদ্যোগে নেয়নি এলজিইডি বিভাগ। স্থানীয়দের উদ্দোগে কাঠের পাটাতন ও বাশ দিয়ে মেরামত করে বাঁশের খুঁটি বাঁধিয়ে প্রতিদিন শতশত মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই জরাজীর্ণ ব্রীজ দিয়ে পার হচ্ছেন। ব্রীজ দিয়ে লোকজন রাতের অন্ধ্যাকারে চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই দুঘর্টনার স্বীকার হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামের মধ্যপাড়া নামক বাটরা-বাহাদুরপুর খালের উপর ২৫ বছর পূর্বে ব্রীজ নির্মান করা হয়েছিল। ব্রীজটি নির্মানের ৮-১০ বছর যেতে না যেতেই বিভিন্ন স্থানের হাতল ও মাঝখানে ভেঙে যাওয়ার কারনে ব্রীজটি ঝুঁকিপূর্ন হয়ে পরে। ঝুকি নিয়ে ব্রীজ দিয়ে মোটরসাইকেল, ভ্যান ও ইজিবাইক চলাচল করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে যাত্রী ও পথচারীরা। ওই ব্রীজ দিয়ে স্কুল, কলেজের শিক্ষার্থীসহ প্রতিদিন শতশত লোকজন চলাচল করছে।

প্রতিদিন রাতেই ব্রীজ দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে সাধারন লোকজন। বর্তমানে ব্রীজটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার কারনে স্থানীয়রা চলাচল করতে পারছেনা। সীমাহীন দুর্ভোগে পরেছে আশপাশের কয়েক গ্রামের শতশত কোমলমতি শিক্ষার্থী, সাধারন লোকজন ও দূরদূরান্তের পথচারীদের।

বিকল্প কোনো যাতায়াতের পথ না থাকায়, মরণফাঁদ জেনেও ওই ব্রীজ দিয়ে গ্রামবাসী সহ কোমলমতি শিশু-বৃদ্ধরা চলাচল করছে। ব্রীজের মাঝে ভেঙে যাওয়াসহ দুইপাশের হাতল নেই এবং বাঁশের খুঁটি বাঁধিয়ে চলাচলকরে স্থানীয় জনসাধারন।

এব্যাপারে উপজেলা এলজিইডি বিভাগের প্রকৌশলী রবীন্দ্র চক্রবর্তী বলেন, এই ব্রীজটির অবস্থা খুবই বেহাল। ব্রীজ সরেজমিন পরিদর্শণ করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আবহাওয়া

সংস্কারের কোন ব্যবস্থা নেই এলজিইডি বিভাগের

আগৈলঝাড়ায় বাহাদুরপুর মধ্যপাড়া ব্রীজটি যেন মরণফাঁদ

প্রকাশের সময় : ০৯:১৪:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

অপূর্ব লাল সরকার, আগৈলঝাড়া (বরিশাল) থেকে : 

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ঝুঁকিপূর্ন ব্রীজ দিয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে শিক্ষার্থীসহ সাধারন লোকজন। ব্রীজের দু’পাশের হাতল নেই, মাঝখানে ভেঙে গিয়ে ঝুকিপূর্ন হয়ে পরেছে। জরাজীর্ণ ব্রীজটি দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে সংস্কারের উদ্যোগে নেয়নি এলজিইডি বিভাগ। স্থানীয়দের উদ্দোগে কাঠের পাটাতন ও বাশ দিয়ে মেরামত করে বাঁশের খুঁটি বাঁধিয়ে প্রতিদিন শতশত মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই জরাজীর্ণ ব্রীজ দিয়ে পার হচ্ছেন। ব্রীজ দিয়ে লোকজন রাতের অন্ধ্যাকারে চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই দুঘর্টনার স্বীকার হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামের মধ্যপাড়া নামক বাটরা-বাহাদুরপুর খালের উপর ২৫ বছর পূর্বে ব্রীজ নির্মান করা হয়েছিল। ব্রীজটি নির্মানের ৮-১০ বছর যেতে না যেতেই বিভিন্ন স্থানের হাতল ও মাঝখানে ভেঙে যাওয়ার কারনে ব্রীজটি ঝুঁকিপূর্ন হয়ে পরে। ঝুকি নিয়ে ব্রীজ দিয়ে মোটরসাইকেল, ভ্যান ও ইজিবাইক চলাচল করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে যাত্রী ও পথচারীরা। ওই ব্রীজ দিয়ে স্কুল, কলেজের শিক্ষার্থীসহ প্রতিদিন শতশত লোকজন চলাচল করছে।

প্রতিদিন রাতেই ব্রীজ দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে সাধারন লোকজন। বর্তমানে ব্রীজটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার কারনে স্থানীয়রা চলাচল করতে পারছেনা। সীমাহীন দুর্ভোগে পরেছে আশপাশের কয়েক গ্রামের শতশত কোমলমতি শিক্ষার্থী, সাধারন লোকজন ও দূরদূরান্তের পথচারীদের।

বিকল্প কোনো যাতায়াতের পথ না থাকায়, মরণফাঁদ জেনেও ওই ব্রীজ দিয়ে গ্রামবাসী সহ কোমলমতি শিশু-বৃদ্ধরা চলাচল করছে। ব্রীজের মাঝে ভেঙে যাওয়াসহ দুইপাশের হাতল নেই এবং বাঁশের খুঁটি বাঁধিয়ে চলাচলকরে স্থানীয় জনসাধারন।

এব্যাপারে উপজেলা এলজিইডি বিভাগের প্রকৌশলী রবীন্দ্র চক্রবর্তী বলেন, এই ব্রীজটির অবস্থা খুবই বেহাল। ব্রীজ সরেজমিন পরিদর্শণ করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।