নিজস্ব প্রতিবেদক :
যাত্রীসাধারণের সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করে স্বল্প সময়ের মধ্যেই হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে তৃতীয় টার্মিনালের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে জাপানের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
বৈঠকে জাপানের পক্ষ থেকে তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে উপস্থাপিত প্রস্তাব এবং বিমানবন্দরের এমবারকেশন ফি, রেভিনিউ শেয়ার এবং আপফ্রন্ট ফির বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
এসময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত জাপানের পক্ষ থেকে দ্রুত একটি রিভাইজড বা সংশোধিত প্রস্তাব দেওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, সিভিল এভিয়েশন সংক্রান্ত চুক্তিতে সাধারণত তিন ধরনের চার্জ থাকে। এসব চার্জের কিছু বিষয়ে মতপার্থক্য ছিল। বিষয়গুলো নিয়ে বাংলাদেশ পক্ষ তাদের প্রস্তাব দিয়েছে এবং জাপানও তাদের প্রস্তাব তুলে ধরেছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আলোচনায় উভয় পক্ষই এমন একটি সমাধানের দিকে যেতে চায়, যা বাংলাদেশের জন্য ভালো হবে। আগের কিছু চুক্তিতে যে ধরনের ত্রুটি বা সীমাবদ্ধতা ছিল, সেগুলো সংশোধন করে একটি ‘উইন–উইন’ পরিস্থিতি তৈরি করতে সরকার কাজ করছে। জাপানের পক্ষ বাংলাদেশের দেওয়া প্রস্তাবগুলো বিবেচনা করে দ্রুত সংশোধিত প্রস্তাব দেওয়ার কথা জানিয়েছে। সেই প্রস্তাব পাওয়ার পর আবারও আলোচনা করে বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে।
সভায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আরও উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শ্যামা ওবায়েদ ইসলাম, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসরীন জাহান এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক।
অপরদিকে জাপানের প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে জাপানের দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স তাকাহাশি নাওকি এবং জাপানের মিনিস্ট্রি অব ল্যান্ড, ইনফ্রা স্ট্রাকচার, ট্রান্সপোর্ট এন্ড ট্যুরিজমের সহকারী ভাইস মিনিস্টার রিয়েকো নাকায়ামাসহ অন্য কর্মকর্তারা।
নিজস্ব প্রতিবেদক 






















