Dhaka শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঈদযাত্রা বাতিল করতে পারে পরিবহনগুলো

নিজস্ব প্রতিবেদক :

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহে চাপ পড়েছে। এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দেশের পরিবহন খাতেও। এমন পরিস্থিতিতে তেলের সংকটের কারণে আসন্ন ঈদযাত্রা বাতিল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

শনিবার (৭ মার্চ) ইউনিক বাস কর্তৃপক্ষের অনলাইনে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তেল সংকটের কারণে আসন্ন ঈদযাত্রা বাতিল হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। প্রয়োজনবোধে ওই যাত্রা বাতিল করার ক্ষমতা কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, যাত্রীদের নিরাপদ ও নিয়মিত সেবা নিশ্চিত করতে পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজন হলে যাত্রা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। এ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত আদেশক্রমে কার্যকর করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

এ বিষয়ে ইউনিক কর্তৃপক্ষ জানায়, তেল ছাড়া গাড়ি চলার কোনো সুযোগ নেই। যদি তেল না থাকে গাড়িও চলবে না। ইতোমধ্যে প্রতিটি কাউন্টারে এ বিষয়ে নোটিশ টাঙানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশে জ্বালানি তেলের সংকট ধীরে ধীরে বাড়ছে। এর প্রভাব ইতোমধ্যে গণপরিবহন খাতে পড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে দূরপাল্লার বাস চলাচল অনেকাংশেই তেলের সরবরাহের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় পরিবহন মালিকরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।

পরিবহন-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে ঈদকে কেন্দ্র করে কিছু রুটে বাস চলাচল সীমিত করা বা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

 

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

সাড়ে ৩ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তায় ৫৪ বছরে ধরে ভুগছে কয়েক গ্রামের বাসিন্দা

ঈদযাত্রা বাতিল করতে পারে পরিবহনগুলো

প্রকাশের সময় : ০৩:৪৮:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহে চাপ পড়েছে। এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দেশের পরিবহন খাতেও। এমন পরিস্থিতিতে তেলের সংকটের কারণে আসন্ন ঈদযাত্রা বাতিল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

শনিবার (৭ মার্চ) ইউনিক বাস কর্তৃপক্ষের অনলাইনে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তেল সংকটের কারণে আসন্ন ঈদযাত্রা বাতিল হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। প্রয়োজনবোধে ওই যাত্রা বাতিল করার ক্ষমতা কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, যাত্রীদের নিরাপদ ও নিয়মিত সেবা নিশ্চিত করতে পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজন হলে যাত্রা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। এ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত আদেশক্রমে কার্যকর করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

এ বিষয়ে ইউনিক কর্তৃপক্ষ জানায়, তেল ছাড়া গাড়ি চলার কোনো সুযোগ নেই। যদি তেল না থাকে গাড়িও চলবে না। ইতোমধ্যে প্রতিটি কাউন্টারে এ বিষয়ে নোটিশ টাঙানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশে জ্বালানি তেলের সংকট ধীরে ধীরে বাড়ছে। এর প্রভাব ইতোমধ্যে গণপরিবহন খাতে পড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে দূরপাল্লার বাস চলাচল অনেকাংশেই তেলের সরবরাহের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় পরিবহন মালিকরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন।

পরিবহন-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে ঈদকে কেন্দ্র করে কিছু রুটে বাস চলাচল সীমিত করা বা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।