Dhaka শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চকবাজারে বাসা থেকে নার্সের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক :

রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজার হোসেনি দালান এলাকার একটি বাসা থেকে নাহিদা আক্তার ববি (২৯) নামে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নাহিদা আক্তার ঢাকা মেডিকেল বার্ন ইউনিটে কর্মরত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দিবাগত রাতে নাহিদা আক্তারের মরদেহটি উদ্ধার করে চকবাজার থানা-পুলিশের একটি দল। এর পর ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।

চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, রাতে খবর পেয়ে হোসেনি দালান এলাকার একটি বাসা থেকে নার্স নাহিদা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের আগে তিনি ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় ছিলেন। প্রতিবেশীদের মাধ্যমে জানা গেছে, গতকাল ইফতারের সময় নাহিদা ও তাঁর স্বামী ইলিয়াসের মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে তাঁর স্বামী বাসা থেকে বেরিয়ে যান। এরপর রাতে বাসায় ফিরে ইলিয়াস ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ পান। পরে দরজা ভেঙে দেখেন নাহিদা ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছেন। তাঁর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ওসি আরও বলেন, নাহিদা আক্তার মৃত্যুর আগে একটি চিরকুট লিখে গেছেন— ‘স্বামী ইলিয়াসসহ তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিচার করতে হবে।”

নাহিদা আক্তারের মামাতভাই ফরহাদ হোসেন বলেন, স্বামী ইলিয়াসের সঙ্গে হোসেনি দালান এলাকার বাসায় থাকতেন নাহিদা। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটের নার্স ছিলেন। পুলিশের মাধ্যমে খবর পেয়ে নাহিদার বাসায় গিয়ে তাঁর মরদেহ দেখতে পাই। ঘটনার বিস্তারিত এখনো জানা যায়নি।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

ঈদযাত্রায় নৌপথে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে কম টাকায় যাত্রী পরিবহনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে

চকবাজারে বাসা থেকে নার্সের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ০১:১৬:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :

রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজার হোসেনি দালান এলাকার একটি বাসা থেকে নাহিদা আক্তার ববি (২৯) নামে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নাহিদা আক্তার ঢাকা মেডিকেল বার্ন ইউনিটে কর্মরত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দিবাগত রাতে নাহিদা আক্তারের মরদেহটি উদ্ধার করে চকবাজার থানা-পুলিশের একটি দল। এর পর ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।

চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, রাতে খবর পেয়ে হোসেনি দালান এলাকার একটি বাসা থেকে নার্স নাহিদা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের আগে তিনি ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় ছিলেন। প্রতিবেশীদের মাধ্যমে জানা গেছে, গতকাল ইফতারের সময় নাহিদা ও তাঁর স্বামী ইলিয়াসের মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে তাঁর স্বামী বাসা থেকে বেরিয়ে যান। এরপর রাতে বাসায় ফিরে ইলিয়াস ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ পান। পরে দরজা ভেঙে দেখেন নাহিদা ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছেন। তাঁর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ওসি আরও বলেন, নাহিদা আক্তার মৃত্যুর আগে একটি চিরকুট লিখে গেছেন— ‘স্বামী ইলিয়াসসহ তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিচার করতে হবে।”

নাহিদা আক্তারের মামাতভাই ফরহাদ হোসেন বলেন, স্বামী ইলিয়াসের সঙ্গে হোসেনি দালান এলাকার বাসায় থাকতেন নাহিদা। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটের নার্স ছিলেন। পুলিশের মাধ্যমে খবর পেয়ে নাহিদার বাসায় গিয়ে তাঁর মরদেহ দেখতে পাই। ঘটনার বিস্তারিত এখনো জানা যায়নি।