Dhaka শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় মৃদু ভূমিকম্প

  • নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : ০১:৫৬:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৪১ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ফের মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা ৪ মিনিট ৫ সেকেন্ডে এ ভূকম্পন অনুভূত হয়।

তবে প্রাথমিক কোনো তথ্যে দেশের কোথাও বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র (ইএমএসসি) তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৭। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের সিকিম রাজ্যে, যা বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চলের খুব কাছেই অবস্থিত।

ইএমএসসির তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দুপুরের এই ভূমিকম্পটির অবস্থান ছিল ২৭ দশমিক ২১১ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮ দশমিক ২১৫ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল মাত্র ১০ কিলোমিটার। গভীরতা কম হওয়ায় কম্পনটি মৃদু হলেও অনেক জায়গায় স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়েছে।

এর আগে গত বুধবার রাত ১০টা ৫৫ মিনিটেও রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। সেই কম্পনটি অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ সময় স্থায়ী ছিল এবং রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ১।

ইএমএসসির ওয়েবসাইট অনুযায়ী, বুধবার রাতের ওই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারে। এর অবস্থান ছিল ২৩ দশমিক ০৪১১ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯৪ দশমিক ৭২৬৮ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ১০১ কিলোমিটার। গভীরতা বেশি হওয়ায় কম্পনটি অনেক দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছিল।

জনপ্রিয় খবর

আবহাওয়া

কেরাণীগঞ্জে অটোরিকশাচালককে হত্যার দায়ে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় মৃদু ভূমিকম্প

প্রকাশের সময় : ০১:৫৬:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ফের মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা ৪ মিনিট ৫ সেকেন্ডে এ ভূকম্পন অনুভূত হয়।

তবে প্রাথমিক কোনো তথ্যে দেশের কোথাও বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র (ইএমএসসি) তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৭। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের সিকিম রাজ্যে, যা বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চলের খুব কাছেই অবস্থিত।

ইএমএসসির তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার দুপুরের এই ভূমিকম্পটির অবস্থান ছিল ২৭ দশমিক ২১১ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮ দশমিক ২১৫ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল মাত্র ১০ কিলোমিটার। গভীরতা কম হওয়ায় কম্পনটি মৃদু হলেও অনেক জায়গায় স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়েছে।

এর আগে গত বুধবার রাত ১০টা ৫৫ মিনিটেও রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। সেই কম্পনটি অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ সময় স্থায়ী ছিল এবং রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ১।

ইএমএসসির ওয়েবসাইট অনুযায়ী, বুধবার রাতের ওই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারে। এর অবস্থান ছিল ২৩ দশমিক ০৪১১ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯৪ দশমিক ৭২৬৮ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ১০১ কিলোমিটার। গভীরতা বেশি হওয়ায় কম্পনটি অনেক দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছিল।